Bird Flu: কর্নাটকে বার্ড ফ্লু ভাইরাসের হদিস, ১০ জনকে পাঠানো হল কোয়ারেন্টাইনে, নিধন করা হল কয়েক হাজার মুরগি



এই দিনকাল: বার্ড ফ্লু (Bird Flu) বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (H5N1) ভাইরাসের সন্ধান মিলল কর্নাটকে। বেঙ্গালুরুর কাছে হেসারাঘাট্টার মুথুর গ্রামে পোল্ট্রি খামারে এই ভাইরাস শনাক্ত করা হয়েছে। চলতি ২০২৬ সালে কর্নাটকে এই প্রথম সংক্রামক ভাইরাসের হদিস মিলল। ভাইরাস চিহ্নিত হওয়ার পর সাত হাজারের বেশি মুরগিকে মেরে ফেলা হয়েছে। সেই সঙ্গে সতর্কতা মূলক পদক্ষেপ হিসেবে পোল্ট্রি খামারের ১০ জনকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে।

Bird Flu: কী ভাবে ধরা পড়ল বার্ড ফ্লু?

রিপোর্ট অনুসারে, ১৪ এপ্রিল পোল্ট্রি খামারের মুরগির প্রাথমিক পরীক্ষা করা হয়। সেই সময় সংক্রমণটি ধরা পড়ে। H5N1 ভাইরাসটি নিশ্চিত হওয়ার পর, প্রশাসন দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। রোগের বিস্তার রুখতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে ১৬ এপ্রিল মোট ৭,৪৪৪টি মুরগি মেরে ফেলা হয়, প্রাণীগুলির দেহ একটি নির্দিষ্ট জায়গায় মাটি খুঁড়ে পুঁতে ফেলা হয়। ইতিমধ্যে সংক্রামিত এলাকা প্রাণিসম্পদ বিভাগ, স্বাস্থ্য বিভাগ এবং জেলা প্রশাসনের দল পরিদর্শন করেছে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আক্রান্ত এলাকা এবং তার চারপাশে জৈব-নিরাপত্তা প্রোটোকল চালু করেছেন। ইতিমধ্যে ১০ জন পোল্ট্রি খামারের কর্মীকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা জানান, রাজ্য আরআরটি দল, জেলা আরআরটি এবং পিএইচসি দলগুলো ১৬ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করে। প্রশাসন ০-৩ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে মাথকুরু গ্রামকে ‘সংক্রমিত অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করে এবং পিএইচসি হেসারাঘাট্টা ও সোনেনাহাল্লি সহ পার্শ্ববর্তী ৩-১০ কিমি এলাকাকে ‘নজরদারি অঞ্চল’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

প্রাণী চিকিৎসা বিভাগ ১৫ এপ্রিল মোট ৭,৪৪৪টি মুরগি, ১৪,৭৮৮টি ডিম এবং ২,২৫০ কেজি পোল্ট্রি খাবার বিজ্ঞানসম্মত ভাবে নষ্ট করেছে। যেখানে এগুলিকে নষ্ট করা হয়েছে সেই জায়গাটি ঘিরে রাখা হয়েছে। আগামী এক বছরের জন্য সেটি নিষিদ্ধ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন।

Leave a Comment