Category Archives: দেশ

Mehbooba Mufti: ‘নির্দোষদের হয়রানি করবেন না’: দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে তদন্তের মধ্যে আর্জি মেহবুবা মুফতির

এই দিনকাল: ‘কোনও নির্দোষ মানুষকে যেন হয়রানি না করা হয়’, দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে চলমান তদন্তের মাঝে এমনই আর্জি জানালেন জম্মুকাশ্মীর পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির (পিডিপি) নেত্রী মেহবুবা মুফতি (Mehbooba Mufti)। বুধবার তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে আবেদন জানিয়ে মুফতি বলেছেন, দিল্লি বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার হওয়া ডাক্তারদের বাবা মাকে হয়রানি যেন না করা হয়।

বুধবার শ্রীনগরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন পিডিপি নেত্রী। সেখানে তিনি দিল্লির লালকেল্লার কাছে প্রাণঘাতী বিস্ফোরণের নিন্দা জানান, যে বিস্ফোরণে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং জখম হয়েছেন ২০ জন। এই ঘটনায় সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়ে মুফতি বলেন, ‘আমাদের শিক্ষিত ডাক্তাররা দুর্ভোগে পড়েছেন। আমি দিল্লি বিস্ফোরণের সম্পূর্ণ ও সুষ্ঠু তদন্ত চাই। ডাক্তাররা যদি এই হামলার সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে এটা আমাদের সবার জন্য খুবই ক্ষতিকর। আমি দিল্লি সরকারের কাছে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আবেদন করছি।’ অভিযুক্তদের পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু না করার আর্জি জানিয়ে পিডিপি প্রধান আরও বলেন, ‘তারা জড়িত নয়। এটা ভালো নয়। জড়িতদের শাস্তি দেওয়া উচিত, কিন্তু নির্দোষদের হয়রানি করবেন না।’ তিনি বলেন, ‘সরকারের পার্থক্য বজায় রাখা উচিত। এর সঙ্গে জড়িত, যারা অপরাধী, তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিত। কিন্তু তাদের আত্মীয়দের কোন সন্দেহ ছাড়াই গ্রেফতার করা হচ্ছে, তাদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করা উচিত… শুধু এই তদন্তটিকে তদন্ত হিসাবে বিবেচনা করুন… এমনকি যদি এখনও কারও অপরাধ প্রমাণিত না হয়, আপনি সন্দেহের ভিত্তিতে মা, বাবা, ভাই ও বোনদের গ্রেফতার করছেন। আপনি তাদের টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। এমনটা হওয়া উচিত নয়।’ 

উল্লেখ্য, ফরিদাবাদে গ্রেফতার হওয়া ডাক্তার মুজাম্মিলের মা দাবি করেছেন, তাঁর ছেলে নির্দোষ। সেই দাবির পর মুফতি এই মন্তব্য করলেন। তাঁর আরও দাবি, গ্রেফতারের পর থেকে পরিবারকে তার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। প্রসঙ্গত, তিন ডাক্তার – শাহীন সাঈদ, মুজাম্মিল শাকিল গণালে এবং আদিল রাথার – বর্তমানে হেফাজতে রয়েছেন। উমর নবী নামে আরেক ডাক্তার আত্মঘাতী বোমা হামলাকারী বলে অনুমান করা হচ্ছে। ১০ নভেম্বর বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় উমরের।

Explosion: দিল্লির লাল কেল্লার কাছে বিস্ফোরণ, ৮ জনের মৃত্যু, হাই অ্যালার্ট জারি মুম্বই, জয়পুর, উত্তরপ্রদেশে

এই দিনকাল: ভয়াবহ বিস্ফোরণে (Explosion) কেঁপে উঠল রাজধানী শহর দিল্লি। সোমবার সন্ধ্যায় দিল্লির লাল কেল্লার কাছে একটি গাড়িতে এই বিস্ফোরণের ফলে আট জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন অন্তত ২৪ জন। বিস্ফোরণের পর আশেপাশে থাকা আরও তিন থেকে চারটি গাড়িতে আগুন ধরে যায়। দিল্লি পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ‘এটি অত্যন্ত শক্তিশালী বিস্ফোরণ ছিল।’

দিল্লির লোক নায়ক হাসপাতালের তরফে মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। যেখানে বিস্ফোরণের পর আহতদের চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এদিন এই বিস্ফোরণের পর উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে মুম্বই, জয়পুর, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডে। ঘটনার পর দেখা গিয়েছে, একটি গাড়ির দরজা উড়ে গেছে। আরেকটি গাড়ি কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মাটিতে মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে বিস্ফোরণ স্থলে পৌঁছেছে প্রায় ২০টি দমকলের ইঞ্জিন। গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ।তবে বিস্ফোরণের ধরণ সম্পর্কে এখনও বিশেষ কিছু জানা যায়নি।

ফরেনসিক এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। কী ভাবে এবং কী ধরনের এই বিস্ফোরণ তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। উল্লেখ্য লাল কেল্লা পুরাতন দিল্লি এলাকায় অবস্থিত। এটি দিল্লির অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, একটি সুইফট ডিজায়ার গাড়িতে বিস্ফোরণটি ঘটেছিল। বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন জিশান নামের এক জন অটোচালক। তিনি বলেন, ‘আমার সামনে গাড়িটি প্রায় দুই ফুট দূরে ছিল। আমি জানি না এতে বোমা ছিল নাকি অন্য কিছু, তবে এটি বিস্ফোরিত হয়েছিল। এটি একটি সুইফট ডিজায়ার গাড়ি ছিল।’

RSS: মুসলিমরা কী আরএসএস-এ যুক্ত হতে পারেন? কী বললেন মোহন ভাগবত?

এই দিনকাল: স্বাধীনতার আগে জন্ম নেওয়া রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (RSS) শতবর্ষ পূরণ করেছে। বর্তমান কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির (BJP) ‘মেন্টর’ এই সংগঠন। অতীতে নানা সময়ে বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, আরএসএস হিন্দুত্ববাদী সংগঠন বলে। এই ধরনের সংগঠন সংখ্যালঘুদের কোন দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে তা বিভিন্ন সময়ে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়েছে। মুসলিমরা (Muslim) এই সংগঠনে যুক্ত হতে পারবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতকে (Mohan Bhagwat)। কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে সঙ্ঘের শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে রবিবার ভাগবত এই বিষয়ে সঙ্ঘের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।

মুসলিমরা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘে সামিল হতে পারবেন কিনা, এই বিষয়ে জানতে চাইলে মোহন ভাগবত বলেন, ‘সঙ্ঘে কোনও ব্রাহ্মণকে নেওয়া হয় না, কোনও বর্ণের কাউকে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয় না, কোনও মুসলিমকে, কোনও খ্রিস্টানকে নেওয়া হয় না… বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ, মুসলিম বা খ্রিস্টান, তাদের ভিন্নতাকে সরিয়ে রেখে সঙ্ঘে আসতে পারেন। যখন আপনি শাখায় আসেন, তখন আপনি ভারত মাতার সন্তান হিসেবে আসেন। মুসলিম এবং খ্রিস্টান শাখায় আসেন, কিন্তু আমরা তাদের সেই হিসাবে দেখি না, আমরা জানতে চাই না, তারা কারা।’

রবিবার সরসঙ্ঘচালক আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ নীতি সমর্থন করে, কোনও ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলকে নয়। তিনি বলেন, অযোধ্যায় রাম মন্দিরের দাবি যদি কংগ্রেস সমর্থন করত, তাহলে হাত শিবিরকে সমর্থন করতেন আরএসএস কর্মীরা। তাঁর কথায়, ‘আমরা কোনও রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করি না। আমরা নির্বাচনের রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করি না। সঙ্ঘ সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য কাজ করে। অন্য দিকে, রাজনীতি বিভাজনমূলক। আমরা নীতি সমর্থন করি। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আমরা অযোধ্যায় রাম মন্দির চেয়েছিলাম, তাই আমাদের স্বয়ংসেবকরা এটি নির্মাণের পক্ষে ছিলেন।’ ভাগবত বলেন, ‘আমাদের কোনও দলের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ নেই। কোনও সঙ্ঘ পার্টি নেই; কোনও দল আমাদের নয়। এবং সমস্ত দলই আমাদের কারণ তারা ভারতীয় দল। আমরা রাষ্ট্রনীতি সমর্থন করি, রাজনীতি নয়। আমাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি আছে, আমরা চাই এই দেশটি একটি নির্দিষ্ট দিকে এগিয়ে যাক। যারা দেশকে সেই দিকে পরিচালিত করে, আমরা তাদের সমর্থন করব।’

I Love Mohammad: ‘আই লাভ মহম্মদ’ পোস্টার ঘিরে হিংসার ঘটনায় জামিন মিলল না তৌকির রেজা-সহ ৬ জনের

এই দিনকাল: উত্তরপ্রদেশে ‘আই লাভ মহম্মদ’ (I Love Mohammad) পোস্টার ঘিরে বিতর্ক এবং তার জেরে গত ২৬ সেপ্টেম্বর হিংসার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ইত্তেহাদ-ই-মিল্লাত কাউন্সিলের প্রধান মাওলানা তৌকির রেজা খান (Tauqeer Raza) এবং আরও পাঁচ জনের জামিনের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে বেরেলির একটি আদালত। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পুলিশ কর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় ধৃতরা জড়িত ছিলেন।

অতিরিক্ত জেলা সরকারি আইনজীবী (এডিজিসি) মহেশ পাঠক জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞা জারি থাকা সত্ত্বেও ঘটনার দিন ইসলামিয়া ময়দানে মুসলিম সমাজের লোকজনকে জড়ো হওয়ার জন্য ডাক দিয়েছিলেন রেজা। পুলিশ যখন জমায়েতে সামিল হওয়া জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে, তখন হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। ভিড় থেকে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়ে মারা হয়।

সংবাদ সংস্থাকে পাঠক বলেন, ‘দাঙ্গাকারীরা পুলিশ সুপার (শহর) এর বন্দুকধারীর কাছ থেকে একটি রাইফেল এবং পুলিশের গাড়ি থেকে একটি ওয়্যারলেস সেটও ছিনিয়ে নেয়।’ যে ঘটনার পর কোতোয়ালি, বরাদারি, প্রেমনগর, ক্যান্ট এবং কিলা থানায় দশটি এফআইআর দায়ের করা হয়। অভিযোগে ১২৫ জনেরও বেশি নাম উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি ২,৫০০ জনেরও বেশি অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

শ্যামগঞ্জ এলাকায় হিংসার ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত মামলায় রেজার জামিনের আর্জি জানানো হয়েছিল। যে মামলাটি বরাদারি থানার অধীনে। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ অমৃতা শুক্লা সেই আবেদনের শুনানি করেন। বিচারক রেজা-সহ ছয় জনের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন। বাকিদের মধ্যে রয়েছেন ফয়জান সাকালানি, তাকিম, মুনির ইদ্রিশি (সবাই বেরেলির বাসিন্দা), হারমান ও নেমাতুল্লাহ (বিহারের পূর্ণিয়া জেলার বাসিন্দা)।

উল্লেখ্য, গত ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে হেফাজতে রয়েছেন রেজা। হিংসার ঘটনার পর দিন থেকে। রেজা বর্তমানে ফতেহগড় জেলে বন্দি, অন্য অভিযুক্তরা বন্দি রয়েছেন বরেলি জেলে। পুলিশের অভিযোগ, সমাবেশে জড়ো হওয়া জনতা হিংসাত্মক হয়ে আধিকারিকদের উপর আক্রমণ করে। আইএমসি প্রধানের নাম দশটি এফআইআর-এর সবকটিতেই রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ২০১৯ সালে সিএএ-এনআরসি বিরোধী বিক্ষোভে রেজা সামিল ছিলেন বলেও অভিযোগ।

Bihar Assembly Elections: বিহার বিধানসভা নির্বাচন: প্রথম দফায় ১২১ আসনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন, ভোটদানের হার ৬৪.৬৬%

এই দিনকাল: বিহার বিধানসভার (Bihar Assembly Elections) প্রথম দফার নির্বাচনে ১২১টি আসনে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হল বৃহস্পতিবার। এদিন ভোটদানের হার ৬৪.৬৬% বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় অর্থাৎ শেষ দফার ভোট গ্রহণ হবে আগামী ১১ নভেম্বর। 

বিহারের নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা অংশ নিয়েছেন। যার মধ্যে রয়েছেন রাঘোপুর কেন্দ্রে আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব এবং তারাপুরে বিজেপির উপ-মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। টানা তৃতীয় বারের মতো জয়ের লক্ষ্যে নেমেছেন তেজস্বী যাদব। তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির সতীশ কুমার। সতীশ এক বার তেজস্বীর মা অর্থাৎ রাবড়ি দেবীকে ভোটে পরাজিত করেছিলেন। অন্য দিকে লালুপ্রসাদ যাদবের বড় পুত্র তেজ প্রতাপ যাদব নতুন করে তৈরি করা জনশক্তি জনতা দলের হয়ে মহুয়া কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন আরজেডির মুকেশ রৌশন।

২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভার নির্বাচনকে মাথায় রেখে প্রচারে ঝড় তুলেছিল এনডিএ এবং ইন্ডিয়া জোট। নির্বাচনী প্রচারে সামিল হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং প্রিয়ঙ্কা গান্ধীও। টানটান উত্তেজনা ছিল বিহারের নির্বাচন ঘিরে। মোদী-নীতিশের জুটির দিকে নাকি আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের পক্ষে যাবে জনমত তা নিয়ে জারি ছিল চর্চা। তবে এখনই এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর অবকাশ নেই। দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণের পর আগামী ১৪ নভেম্বর ফল প্রকাশের দিন জানা যাবে শেষ হাসি কে হাসবে।

Pakistan: গুরু নানকের জন্মবার্ষিকীতে তীর্থযাত্রায় পাকিস্তানে ২১০০ ভারতীয় শিখ, অপারেশন সিঁদুরের পর প্রথম বড় সফর

এই দিনকাল: গত এপ্রিলে জম্মুকাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর ভারত (India) ও পাকিস্তানের (Pakistan) মধ্যে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে। গত ৭ মে ভারতের তরফে অপারেশন সিঁদুর অভিযান চালিয়ে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নয়টি জায়গায় জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হয় বলে দাবি। সেই সামরিক উত্তেজনার পর স্থল সীমান্ত বন্ধ হয় দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে। এই আবহে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে সংযোগের নতুন সেতু তৈরি করে দিলেন ভারতীয় শিখ সম্প্রদায়। গুরু নানকের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করলেন ২,১০০ ভারতীয় শিখ। মঙ্গলবার তীর্থযাত্রীদের ওই দলটি আত্তারি-ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানে প্রবেশ করেছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, অপারেশন সিঁদুরের পর দুই দেশের মধ্যে প্রথম বড় সফর।

জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে যাওয়ার পর শিখ তীর্থযাত্রীরা বুধবার লাহোর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পশ্চিমে গুরু নানকের জন্মভূমি নানকানা সাহেবে জমায়েত করবেন। এরপর তাঁরা গুরুদুয়ার পাঞ্জা সাহেব হাসান আবদাল, গুরুদুয়ার সাচ্চা সৌদা ফারুকাবাদ এবং গুরুদুয়ার দরবার সাহেব কর্তারপুর দর্শন করবেন। তীর্থযাত্রীদের ওই দলটির ১৩ নভেম্বর ভারতে ফিরে আসার কথা।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, গুরু নানকের ৫৫৬তম জন্মদিন উপলক্ষে ১০ দিনের উৎসব হবে পাকিস্তানে। সেই অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য ২১৫০ জন ভারতীয় শিখকে ভিসা দিয়েছে পাক সরকার। এদিকে কেন্দ্রীয় সরকার শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকদের তীর্থযাত্রায় অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়েছে। এসজিপিসির যাত্রা বিভাগের দায়িত্বে থাকা পালবিন্দর সিং জানান, অনাবাসী ভারতীয়দের (এনআরআই) এই অনুষ্ঠানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তবে এর পিছনে কী কারণ, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন। অপারেশন সিঁদুরের পর নিরাপত্তা জনিত কারণে ভারত সরকার এর আগে তীর্থযাত্রার অনুমতি বাতিল করেছিল। তবে, দীর্ঘ দিনের ঐতিহ্যের কথা মাথায় রেখে একাধিক শিখ সংগঠন সরকারের কাছে আর্জি জানায়, অন্তত একটি প্রতীকী জাঠার অনুমতি দেওয়ার। তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্তটি বাতিল করে কেন্দ্র।

Stampede: অন্ধ্রের কাশিবুগ্গায় মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু ৯ জনের, তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

এই দিনকাল: মর্মান্তিক বিপর্যয় অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম জেলার কাশিবুগ্গায় শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দিরে (Sri Venkateswara Swamy Temple)। শনিবার ধর্মস্থানে পদপিষ্ট (Stampede) হয়ে কম করে নয় জন ভক্তের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েক জন। ইতিমধ্যে গোটা ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু (Chief Minister N. Chandrababu Naidu)।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, কার্তিক মাসের ‘একাদশী’ উপলক্ষে মন্দিরে বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম হয় এদিন। রিপোর্ট অনুসারে ওই মন্দিরের ধারণ ক্ষমতা প্রায় ২০০০ লোকের। কিন্তু হঠাৎ করে প্রায় ২৫,০০০ ভক্ত জড়ো হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। সেখানে হুড়োহুড়ি শুরু হয়, তার জেরে এই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু এই দুর্ঘটনার জন্য মন্দির কর্তৃপক্ষকে কাঠগড়ায় তুলেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, মন্দির কর্তৃপক্ষ এদিনের অনুষ্ঠান সম্পর্কে পুলিশ বা স্থানীয় প্রশাসনকে কিছুই জানায়নি। শ্রী সত্য সাই জেলায় এক সমাবেশে ভাষণ দেওয়ার সময় এ বিষয়ে নাইডু বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, আয়োজকরা পুলিশ বা স্থানীয় প্রশাসনকে অনুষ্ঠান সম্পর্কে জানায়নি। যদি তারা আমাদের জানাত, তাহলে আমরা পুলিশি নিরাপত্তা  দিতাম এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতাম। এই সমন্বয়হীনতার কারণে নয় জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং পাঁচ জন আহত হয়েছেন।’

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যারা এর জন্য দায়ী তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, ‘সরকার নিশ্চিত করতে চায় একটিও প্রাণহানি যাতে না হয়, তবে বেসরকারি অনুষ্ঠানের সময় এই ধরণের ঘটনা ঘটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এই ঘটনায় নাইডু শোক প্রকাশ করেছেন। রাজভবন থেকে পোস্ট করা এক বার্তায় রাজ্যপাল এস আব্দুল নাজির এই দুর্ঘটনায় ‘গভীর শোক’ প্রকাশ করেছেন। তিনি জেলা প্রশাসনকে উদ্ধারকাজ ও চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। তিনি নিহতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।

Bizarre Incident: মেয়ের বাগদানের আগে হবু জামাইয়ের মায়ের সঙ্গে পালালেন কনের বাবা!

এই দিনকাল: কথা ছিল মেয়ের বাগদান হবে। সেই মতো প্রস্তুতিও ছিল। কিন্তু তার আগে অদ্ভূত কাণ্ড (Bizarre Incident) ঘটালেন কনের বাবা। মেয়ের হবু শাশুড়ির সঙ্গে পালালেন মধ্যবয়সী ওই ব্যক্তি! ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নীতে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনাটি আট দিন আগে ঘটলেও এটি প্রকাশ্যে এসেছে বৃহস্পতিবার। মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নীতে এই অদ্ভূত কাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার পুলিশ নিখোঁজ মহিলার সন্ধান পেয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, উন্তভাসা গ্রামের বাসিন্দা ৪৫ বছর বয়সী ওই মহিলা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ ছিলেন। বিষয়টি নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়ে যান তাঁর ছেলে। শেষমেশ পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। ওই মহিলা নিখোঁজ হয়েছেন বলে অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। এর পর তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেন তদন্তকারীরা। বৃহস্পতিবার অবশেষে পুলিশ তাঁর খোঁজ পায়। চিকলি গ্রামে ওই মহিলার হদিশ মেলে। পুলিশ জানায়, ওই মহিলা ৫০ বছর বয়সী এক কৃষকের সঙ্গে থাকছিলেন। যিনি কিনা তাঁর ছেলের বাগদত্তার বাবা!

তদন্তে নেমে জানা যায়, চিকলির ওই কৃষকের স্ত্রী সম্প্রতি মারা গিয়েছেন। দুই সন্তানের সঙ্গে থাকছিলেন তিনি। কৃষকের এক মেয়ের সঙ্গে ‘নিখোঁজ’ হওয়া মহিলার ছেলের বাগদান হওয়ার কথা ছিল। জানা যায়, সেই বাগদানের প্রস্তুতি চলাকালীন, দুই হবু শ্বশুরবাড়ির লোকজনের মধ্যে কথাবার্তার ভিত্তিতে সম্পর্ক তৈরি হয়। তারই ফল স্বরূপ একসঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন দুজনে। এই ঘটনায় স্বাভাবিক ভাবে বিস্মিত হয়েছে উভয় পরিবার। এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টাউন ইন্সপেক্টর অশোক পাতিদার। তিনি বলেন, ‘আট দিন আগে ৪৫ বছর বয়সী এক মহিলার নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ আসে। আমাদের তদন্তে জানা গেছে যে তিনি তাঁর স্বামী এবং ১৮ এবং ২০ বছর বয়সী দুই সন্তানকে রেখে ৫০ বছর বয়সী এক কৃষকের সঙ্গে চলে গিয়েছিলেন। যার মেয়ের সঙ্গে তাঁর ছেলের বাগদান হওয়ার কথা ছিল। যদিও বাগদান এখনও হয়নি। দুজনেই একসঙ্গে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।’

পরিবারের তরফে ওই মহিলাকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি যেতে অস্বীকার করেন। তাঁর সাফ কথা, প্রেমিককে কোনও ভাবেই ছেড়ে যেতে পারবেন না তিনি। ওই কৃষকের সঙ্গে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মহিলা।

Prashant Kishor: প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে মন্দিরে মুসলিম প্রার্থী, গঙ্গাজল ছিটিয়ে ধর্মস্থান ‘শুদ্ধিকরণ’ পুরোহিতের

Temple ‘Cleansed’ After Prashant Kishor, Muslim Candidate Offer Prayers

এই দিনকাল: ভোটমুখী বিহারে নির্বাচনী প্রচার জোর কদমে শুরু করেছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। পিছিয়ে নেই প্রশান্ত কিশোরের (Prashant Kishor) জন সুরজ পার্টিও। বিহারের মধুবনীতে প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে তাঁরই দলের এক মুসলিম প্রার্থী মন্দিরে প্রবেশ করায়, ধর্মস্থানকে পঞ্চগব্য এবং গঙ্গাজল দিয়ে শুদ্ধিকরণ করলেন পুরোহিতরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ঘটনা ঘটলেও, এটি প্রকাশ্যে এসেছে বৃহস্পতিবার। ইতিমধ্যে এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর এবং তাঁর দলের মুসলিম প্রার্থী পারভেজ আলম মঙ্গলবার মধুবনীর কপিলেশ্বর নাথ মহাদেব মন্দিরে যান। বেনীপট্টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচার শুরু করার আগে মন্দিরের গর্ভগৃহ পরিদর্শন করে ভগবান শিব এবং অন্যান্য দেবতাদের কাছে প্রার্থনা করেন জন সুরজ পার্টির দুই নেতা। তাঁদের চলে যাওয়ার পরেই, মন্দিরের পুরোহিতরা পঞ্চগব্য (দুধ, দই, ঘি, গোমূত্র এবং গোবরের মিশ্রণ) এবং গঙ্গাজল ব্যবহার করে ধর্মস্থান ‘শুদ্ধিকরণ’ করেন।

শ্রাবণ কুমার নামের এক পুরোহিত বলেন, তাঁকে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল প্রশান্ত কিশোর মন্দিরে প্রার্থনা করতে আসবেন। তাঁর কথায়, ‘আমি সম্মতি জানিয়েছিলাম এবং পুজোর জন্য সমস্ত উপকরণ প্রস্তুত করে রেখেছিলাম। কিন্তু তিনি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এখানে এসে পৌঁছাননি। আমাদের ঐতিহ্য অনুসারে, মন্দিরটি রাত ৮ টায় দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। পরে, প্রশান্ত কিশোর এবং তাঁর দলের প্রার্থী এসে গর্ভগৃহে প্রার্থনা করেন।’

ওই পুরোহিত আরও বলেন, পরে তিনি বুঝতে পারেন যে প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে এক জন মুসলিম প্রার্থী ছিলেন। শ্রাবণ বলেন, ‘আমরা প্রথমে তাঁকে চিনতে পারিনি কারণ তিনি ঐতিহ্যবাহী মিথিলা পোশাক পরেছিলেন।’ অন্য দিকে, মুসলিম হয়ে মন্দিরে প্রবেশের বিরোধিতা করেন বেশ কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। এটি মন্দিরের রীতিনীতির পরিপন্থী বলে দাবি তাঁদের। যদিও এই ঘটনার পর মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেনি জন সুরজ পার্টির নেতৃত্বও।

SIR: এসআইআর-এ কোন নথি প্রয়োজন? দেখে নিন সম্পূর্ণ তালিকা

এই দিনকাল: বঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন বা এসআইআর (SIR)। ভোটার তালিকা স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত করতে নির্বাচন কমিশন দেশজুড়ে ধাপে ধাপে এই বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা শুরু করেছে বলে দাবি। যদিও বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে, প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ গেলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার। কোন কোন নথি এসআইআর এর জন্য প্রয়োজন সে বিষয়ে কমিশনের তরফে স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের আলাদা করে নথি জমা দিতে হবে না। নথি দিতে হবে না যাঁদের বাবা, মায়ের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে তাঁদেরকেও। পাশাপাশি যাঁদের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই বা যাঁদের বাবা, মায়ের নাম ওই তালিকায় নেই তাঁদের জন্য ১১টি নথির একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। এই তালিকায় থাকা যে কোনও একটি নথি দিলে এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম তোলা যাবে।

এক নজরে ১১ নথি

১) কেন্দ্রীয় সরকার অথবা রাজ্য সরকারের কর্মী হিসাবে কর্মরত ছিলেন বা পেনশন পান এমন নথি।

২) ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস, এলআইসি, স্থানীয় প্রশাসনের তরফে দেওয়া আপনার নামে থাকা যে কোনও নথি। 

৩) জন্ম শংসাপত্র। 

৪) পাসপোর্ট। 

৫) মাধ্যমিক বা তার উর্ধ্বে কোনও শ্রেণীর শিক্ষাগত শংসাপত্র।

৬) রাজ্য সরকারের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র। 

৭) বন অধিকার শংসাপত্র। 

৮) এসসি, এসটি, ওবিসি বা অন্য কোনও জাতিগত শংসাপত্র।

৯) জাতীয় নাগরিকপঞ্জী বা এনআরসি।

১০) রাজ্য সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া ফ্যামিলি রেজিস্ট্রার।

১১) জমি অথবা বাড়ির দলিল।

কমিশন জানিয়েছে, আধার কার্ড যেহেতু নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, তাই আধারের সঙ্গে উপরের যে কোনও একটা নথি দিতে হবে। 

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া চালুর কথা সোমবার ঘোষণা করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তীসগঢ়, গোয়া, গুজরাট, কেরল, লাক্ষাদীপ, মধ্যপ্রদেশ, পুদুচেরি, আন্দামান ও নিকোবরে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার কাজ ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে। ওই দিন থেকে এই রাজ্যগুলিতে এনুমেরেশন ফর্ম ছাপা এবং বিএলওদের প্রশিক্ষণের কাজ চালু হয়েছে। যা চলবে আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত। 

কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমেরেশন ফর্ম দেওয়া হবে ৪ নভেম্বর থেকে। চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে ৯ ডিসেম্বর। সেই তালিকা নিয়ে যদি কারোর অভিযোগ থাকে তাহলে তা জানাতে হবে ৯ ডিসেম্বর থেকে আগামী বছর ৮ জানুয়ারির মধ্যে। অভিযোগ খতিয়ে দেখার কাজ চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। সবশেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে ৭ ফেব্রুয়ারি।