Category Archives: দেশ

Malegaon blasts: মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডে বেকসুর খালাস সাধ্বী-সহ সাত অভিযুক্ত, ‘কারা মারল ৬ নামাজিকে?’ প্রশ্ন ওয়েইসির

এই দিনকাল: মহারাষ্ট্রের মালেগাঁওয়ে ২০০৮ সালের বিস্ফোরণের (Malegaon blasts) ঘটনায় এনআইএ এর বিশেষ আদালত বেকসুর খালাস দিয়েছে সাধ্বী প্রজ্ঞা ওরফে প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর-সহ সাত অভিযুক্তকে। বৃহস্পতিবার আদালতের এই রায়ের পর হতাশা প্রকাশ করেছেন অল ইন্ডিয়া মজলিস ই ইত্তেহাদুল মুসলিমিন তথা আইমিম দলের প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। তাঁর প্রশ্ন, ছয় নামাজিকে কারা মারল?

বৃহস্পতিবার আসাদউদ্দিন ওয়েইসি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পাঁচটি প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলার রায় হতাশাজনক। বিস্ফোরণে ছয়জন নামাজি নিহত হন এবং প্রায় ১০০ জন আহত হন। তাদের ধর্মের জন্য লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্বল তদন্ত/প্রসিকিউশনের কারণে অভিযুক্তরা খালাস পেয়েছেন।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘বিস্ফোরণের ১৭ বছর পর, আদালত প্রমাণের অভাবে সকল অভিযুক্তকে খালাস করে দিয়েছে। মুম্বই ট্রেন বিস্ফোরণের মামলায় আসামিদের খালাসের পরেই যেভাবে রায়ে স্থগিতাদেশ চেয়েছিল মোদি ও ফড়ণবিস সরকার, এই রায়ের বিরুদ্ধেও কি তেমন আপিল করা হবে? মহারাষ্ট্রের ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ রাজনৈতিক দলগুলি কি জবাব চাইবে, ৬ জন মানুষকে কে হত্যা করল?’

‘তৃতীয়ত, মনে রাখবেন, ২০১৬ সালে মামলার তৎকালীন প্রসিকিউটর রোহিণী সালিয়ান রেকর্ডে বলেছিলেন যে এনআইএ তাকে অভিযুক্তদের প্রতি ‘নরম’ হতে বলেছিল। ২০১৭ সালে, এনআইএ সাধ্বী প্রজ্ঞাকে খালাস দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। ২০১৯ সালেও একই ব্যক্তি বিজেপির সাংসদ হয়েছিলেন। চতুর্থত, মালেগাঁওয়ের ষড়যন্ত্র উন্মোচন করেছিলেন কারকারে এবং দুর্ভাগ্যবশত ২৬/১১ হামলায় পাকিস্তানি সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত হন। বিজেপি সাংসদ বলেছিলেন যে তিনি তাঁকে অভিশাপ দিয়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যু তাঁর অভিশাপের ফল। পঞ্চমত, ত্রুটিপূর্ণ তদন্তের জন্য কি এনআইএ বা এটিএস আধিকারিকদের জবাবদিহি করা হবে? আমার মনে হয় আমরা এর উত্তর জানি। এটাই ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর’ মোদী সরকার। বিশ্ব মনে রাখবে যে তারা একজন সন্ত্রাসীকে সংসদ সদস্য করেছিল।’

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রমজান মাস চলাকালীন উত্তর মহারাষ্ট্রের মালেগাঁও শহরে একটি মসজিদের কাছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। একটি মোটরসাইকেলে রাখা বোমা থেকে বিস্ফোরণ ঘটে সেদিন। এই বিস্ফোরণের ফলে ছয় জন নিহত হন এবং ১০০ জনেরও বেশি আহত হন। সেই ঘটনায় নাম জড়ায় সাধ্বী প্রজ্ঞা-সহ সাত জনের। তদন্তে উঠে আসে যে এই বিস্ফোরণের পিছনে ছিল একটি একটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। পরে গ্রেফতার হন সাধ্বী প্রজ্ঞা এবং প্রাক্তন সেনা আধিকারিক লেফটেন্যান্ট কর্নেল প্রসাদশ্রীকান্ত পুরোহিত। যদিও পরে দু’জনেই জামিন পান। বৃহস্পতিবার এনআইএ বিশেষ আদালত জানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যে তথ্যপ্রমাণ দাখিল করা হয়েছে, তা সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়। 

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে সন্ত্রাসে অভিযুক্ত প্রজ্ঞাকে মধ্যপ্রদেশের ভোপাল লোকসভা কেন্দ্রের টিকিট দিয়েছিল বিজেপি। জয়ী হয়ে সাংসদ হয়েছিলেন তিনি। যদিও গত লোকসভা নির্বাচনে অর্থাৎ ২০২৪ সালে তাঁকে আর প্রার্থী করেনি বিজেপি।

Union Home Minister Amit Shah: ‘কংগ্রেস পাক অধিকৃত কাশ্মীর দিয়েছে, বিজেপি তা ফিরিয়ে আনবে’: অমিত শাহ

এই দিনকাল: রাজ্যসভায় বুধবার অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিশেষ আলোচনার সময় কংগ্রেসকে নিশানা করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন তিনি বলেন, কংগ্রেস পাক অধিকৃত কাশ্মীর দিয়েছে, কিন্তু বিজেপি সরকার তা ফিরিয়ে আনবে। সেই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে এদিন জোরালো বক্তব্য রাখেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বুধবার রাজ্যসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাত শিবিরকে নিশানা করে বলেন, ‘কংগ্রেস পাক-অধিকৃত কাশ্মীর পাকিস্তানকে দিয়ে দিয়েছে, কিন্তু বিজেপি সরকার পাক-অধিকৃত কাশ্মীর ফিরিয়ে আনবে।’ অপারেশন মহাদেব সম্পর্কেও এদিন শাহ কথা বলেন। এই অভিযানে পহেলগাঁও হামলায় জড়িত সন্ত্রাসীদের হত্যা করা হয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, ‘পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর, নিহতদের আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে আমি অনেক ফোন পেয়েছিলাম। তাঁরা আমাকে অনুরোধ করেছিলেন, এই সন্ত্রাসীদের মাথায় গুলি করে হত্যা করার জন্য। আমাদের কর্মকর্তারা জঙ্গিদের মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে।’ এদিন শাহ আরও বলেন, ‘অপারেশন মহাদেব অভিযানে নিহত ৩ সন্ত্রাসীর পরিচয় প্রমাণ করে যে পহেলগাঁওয়ে হামলায় লস্কর-ই-তৈবার হাত ছিল।’ প্রসঙ্গত, সোমবার শ্রীনগরের কাছে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত জঙ্গিরা আসলে পহেলগাঁও কাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে জানান শাহ।

সরকারের তরফে জানানো হয়েছিল, ঘটনাস্থল থেকে যে গুলির খোল উদ্ধার হয়েছে সেগুলি পহেলগাঁও কাণ্ডে ব্যবহৃত গুলির খোলের সঙ্গে ৯৯ শতাংশ মিলে গেছে। এদিন অমিত শাহ কাশ্মীরকে সন্ত্রাস মুক্ত করার বার্তা দেন। তিনি বলেন, ‘আমি একটি জোরালো বার্তা দিতে চাই যে কাশ্মীর সন্ত্রাসবাদমুক্ত হবে।’ শাহ বলেন, ‘আমি পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও দেখা করেছি… তাঁরা সকলেই তাঁদের প্রিয়জন হারানোর জন্য কাঁদছিল… জঙ্গিরা তাঁদের পরিবারের সদস্যদের ধর্ম জিজ্ঞাসা করে খুন করেছে।’

Ranitidine: অম্বলের এই বিশেষ ওষুধে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান থাকার আশঙ্কা, তদন্তের নির্দেশ কেন্দ্রের

এই দিনকাল: অম্বলের জন্য ব্যবহৃত হওয়া ওষুধ রেনিটিডিনে (Ranitidine) ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান কারসিনোজেন থাকতে পারে, এমনটাই আশঙ্কা সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন বা সিডিএসসিও-এর। আর তাই সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ওষুধ নিয়ামক সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রেনটিডিন প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি যেন ওষুধে নাইট্রোসোডাইমিথাইলঅ্যামাইন বা এনডিএমএ লেভেলের উপর নজর রাখে। পাশাপাশি, সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে শেলফ লাইফ কমানোর পরামর্শও দিয়েছে সিডিএসসিও।

ড্রাগস টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি বোর্ড বা ডিটিএবি- এর ৯২তম বৈঠক হয়েছিল গত ২৮ এপ্রিল। সেই বৈঠকে গৃহীত সুপারিশের পর ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই), ডক্টর রাজীব সিং রঘুবংশী এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। রেনিটিডিনে অশুদ্ধতা সংক্রান্ত আশঙ্কা খতিয়ে দেখতে গত বছরের ডিসেম্বরে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছিল বোর্ড। সেই কমিটির তরফে রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়। এর পর সংশ্লিষ্ট রিপোর্টটি পর্যালোচনা করে ডিটিএবি। তার ভিত্তিতে, এনডিএমএ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে এমন স্টোরেজ পরিস্থিতি-সহ বিষয়টির সমস্ত দিক পরীক্ষা করার জন্য একটি বৃহত্তর কমিটি গঠনের পরামর্শ দিয়েছে ডিটিএবি।

এছাড়াও, বোর্ডের তরফে সুপারিশ করা হয়েছে এনডিএমএ-এর উপস্থিতির ভিত্তিতে রেনিটিডিনের দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা মূল্যায়ন করার জন্য ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চ একটি গবেষণা-কর্ম চালাবে। প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে এখন ঝুঁকি-ভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে, যেমন শেলফ লাইফ কমানো, স্টোরেজ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা এবং তাদের সরবরাহ ক্ষেত্রে এনডিএমএ পরীক্ষার প্রোটোকল বাড়ানো। দিল্লি এইমসের অনকোলজিস্ট ডক্টর অভিষেক শঙ্কর এ বিষয়ে বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার বা আইএআরসি-এর তথ্য অনুসারে, রেনিটিডিন গ্রুপ ২এ কার্সিনোজেন বিভাগে পড়ে, যার অর্থ এটি একটি সম্ভাব্য হিউম্যান কারসিনোজেন। ফ্যামোটিডিন এবং প্যান্টোপ্রাজলের মতো নিরাপদ বিকল্প ওষুধ থাকার পরেও এটি প্রেসক্রাইব করা উচিত নয়।’

Rape: ওড়িশায় দুই ভাই মিলে নাবালিকাকে লাগাতার ধর্ষণ! কুকর্ম ঢাকতে জীবন্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা

এই দিনকাল: দুই ভাই মিলে ১৫ বছর বয়সী নাবালিকাকে লাগাতার ধর্ষণ (Rape)। আর তার জেরে নির্যাতিতা কিশোরী গর্ভবতী হয়ে পড়ায় তাকে জীবিত অবস্থায় কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার জগৎসিংহপুর জেলায়। ইতিমধ্যে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দুই ভাইয়ের নাম ভাগ্যধর দাস এবং পঞ্চানন দাস। বনশবারা গ্রাম থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় টুলু নামের তৃতীয় আরেক সন্দেহভাজনের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

অভিযোগ, দুই ভাই ভাগ্যধর দাস এবং পঞ্চানন দাস দীর্ঘ দিন ধরে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে আসছে। নির্যাতিতা কিশোরী এক সময় অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। যখন সে পাঁচ মাসের গর্ভবতী তখন নিজেদের কুকর্ম ঢাকতে নির্যাতিতাকে জীবিত কবর দেওয়ার চেষ্টা করে। পুলিশ জানায়, নির্যাতিতাকে গর্ভপাত করানোর জন্য চাপ দিতে থাকে অভিযুক্তরা। শুধু তাই নয় সে জন্য প্রয়োজনীয় খরচ জোগানোরও কথা বলে তারা। ওই নাবালিকাকে অভিযুক্তরা ডেকে পাঠায় একটি জায়গায়। নির্যাতিতার অভিযোগ, সেখানে যাওয়ার পর দেখা যায় অভিযুক্তরা একটি খাদ খনন করে রেখেছে। গর্ভপাত না করালে তাকে জীবন্ত কবর দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয় দুই ভাই।

পুলিশ জানিয়েছে, নিজের প্রাণ সংশয় হতে পারে বুঝতে পেরে এর পর নির্যাতিতা কোনও রকমে অভিযুক্তের হাত থেকে পালিয়ে আসে। গোটা ঘটনার কথা তার বাবাকে জানায়। মেয়ের মুখে পাশবিক অত্যাচারের কথা শুনে নির্যাতিতার বাবা কুজং থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। জেলা সদর হাসপাতালে নির্যাতিতা কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষাও করা হয়। পাশাপাশি দু জনকে গ্রেফতারও করেন তদন্তকারীরা। 

School Building Collapse: রাজস্থানের ঝালাওয়ারে ভেঙে পড়ল স্কুলের ছাদ, মৃত্যু ৪ শিশুর, আহত ১৭

এই দিনকাল: স্কুলের ভবন ভেঙে (school building collapse) পড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয় রাজস্থানের ঝালাওয়ার জেলায়। শুক্রবার সকালে একটি সরকারি স্কুল ভবন ভেঙে পড়ে মৃত্যু হল চার শিশুর, এই ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১৭ জন। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা জানতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, শুক্তবার সকালে ঝালাওয়ার জেলার মনোহরথানা ব্লকের পিপলোদি সরকারি স্কুলে শিশুরা সকালে প্রার্থনার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সেই সময় আচমকা ভবনটি ভেঙে পড়ে। ঝালাওয়ারের পুলিশ সুপার অমিত কুমার সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ‘চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ১৭ জন আহত হয়েছে। দশ শিশুকে ঝালাওয়ারে পাঠানো হয়েছে, যার মধ্যে তিন থেকে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, শিক্ষক এবং স্থানীয়দের সহায়তায় ধ্বংসস্তূপ থেকে শিশুদের উদ্ধার করা হয়েছে। রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলওয়ার জানিয়েছেন, ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত করা হবে। তিনি প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মদন দিলওয়ার বলেন, ‘ঝালাওয়ারের পিপলোদি গ্রামে একটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে যেখানে একটি স্কুলের ছাদ ভেঙে পড়েছে। আমি জেলাশাসক এবং শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি চিকিৎসার জন্য সকল ধরণের ব্যবস্থা করার। জেলাশাসক এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই ঘটনা কেন ঘটল তা জানতে একটি উচ্চ-পর্যায়ের তদন্ত করা হবে।’ ঝালাওয়ারের মানহোরেথানা থানার আধিকারিক নন্দকিশোর বলেন, গুরুতর আহত দুই শিক্ষার্থীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছে এমন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং ছয় জনকে এসআরজি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Mohan Bhagwat: দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ ঘোচাতে মুসলিম ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ভাগবত

এই দিনকাল: দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাতে এবং পরস্পরকে জানার চেষ্টা জোরদার করার লক্ষ্যে মুসলিম ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। বৃহস্পতিবার দিল্লির হরিয়ানা ভবনে প্রায় তিন ঘন্টা ধরে অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশনের প্রধান-সহ বর্ষীয়ান মুসলিম ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেছেন ভাগবত।

ইমাম উমর আহমেদ ইলিয়াসি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশন এর তরফে সংগঠনের ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। অন্য দিকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘও অক্টোবরে ১০০ বছর পূর্ণ করেছে। ইমাম সংগঠনের প্রধান এদিন আরও বলেন, উভয় পক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ‘ভুল বোঝাবুঝি’ দূর করার লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে আরও এই ধরনের বৈঠক আয়োজন করা হবে। তাঁর কথায়, ‘বৈঠকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যে মন্দির ও মসজিদ, ইমাম ও পূজারী, গুরুকুল ও মাদ্রাসার মধ্যে আলোচনা শুরু করা উচিত। আমরা এখন এটিকে এগিয়ে নিয়ে যাব। বৈঠকে ভুল বোঝাবুঝি দূর করা, ঘৃণার অবসান ঘটানো এবং খোলা আলোচনার মাধ্যমে আস্থা বৃদ্ধির উপর আলোকপাত করা হয়েছে। সংলাপই প্রতিটি সমস্যার সমাধান। উপাসনা বা বর্ণের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও, আমাদের জাতি সর্বোচ্চ।’ এ ছাড়া তিনি এটিকে একটি ‘যুগান্তকারী বৈঠক’ বলে অভিহিত করেন।

৬০ জনেরও বেশি মুসলিম ধর্মীয় নেতা, বুদ্ধিজীবী, মাওলানা এবং পণ্ডিতরা এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আরএসএসের জাতীয় প্রচার ও গণমাধ্যম বিভাগের প্রধান সুনীল আম্বেকর বলেন, ‘এটি সমাজের সকল শ্রেণীর সঙ্গে বিস্তৃত সংলাপের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। মূল উদ্দেশ্য হল কী ভাবে দেশের স্বার্থে সবাই একসঙ্গে কাজ করতে পারে। আজকের আলোচনাও ইতিবাচক ছিল।’

sexual assault: উত্তর প্রদেশে ১৫ বছরের নাবালককে যৌন নির্যাতন, চাটানো হল থুতু

এই দিনকাল: জঘন্য ঘটনা উত্তরপ্রদেশে। ১৫ বছর বয়সী এক নাবালক ছেলেকে যৌন নির্যাতন (sexual assault) করে থুতু চাটতে বাধ্য করা হল। ঘটনাটি ঘটেছে আমেঠির বাজার শুকুল থানা এলাকায়। গোটা বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিত নাবালকের বাবা। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুই যুবকের নাম নীতিন (২৩) এবং রোহিত (২৪)। নির্যাতিত যে গ্রামে থাকত, অভিযুক্ত দুজনেই সেই একই গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ, গত ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় নীতিন এবং রোহিত ১৫ বছর বয়সী ওই ছেলেটিকে বাইকে করে তুলে নিয়ে যায়। গ্রামের ওই নাবালককে ডেকে নিয়ে গিয়ে দুই জন মিলে যৌন নির্যাতন করে, সেই সঙ্গে চলে বেদম মারধর। এ ছাড়া ওই কিশোরকে থুতু চাটতে বাধ্য করে অভিযুক্তরা।

পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা নাবালককে বারসান্ডা গ্রামে নিয়ে যায়। এর পর তারা তাকে সিংনামাউ গ্রামের একটি বাগানে নিয়ে যায় ওই কিশোরকে। সেখানে নিয়ে তাকে অপকর্ম করতে বাধ্য করা হয়। বাজার শুকুল থানার আধিকারিক অভিনেশ কুমার জানিয়েছেন, অভিযুক্ত দুজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

Illegal Migrants: অবৈধ ভাবে থাকা বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের ধরতে টাস্ক ফোর্স গঠন বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায়

এই দিনকাল: দেশে নতুন করে মাথাচড়া দিচ্ছে (Illegal Migrants) অনুপ্রবেশ ইস্যু। এমনিতে বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে বাঙালি শ্রমিকদের বাংলাদেশি সন্দেহে হেনস্থা করা হচ্ছে বলে বিগত কয়েক দিন ধরে অভিযোগ উঠছে। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং অন্যতম বিরোধী দল সিপিএম। বাংলা ভাষায় কথা বলা মানে যে বাংলাদেশি নয়, তা নিয়ে আওয়াজ তুলেছে জোড়াফুল শিবির ও বামেরা। এই আবহে শুক্রবার রাজ্যে এসে দুর্গাপুরের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে সরব হয়েছেন। বাংলায় এসে মোদী বলেছেন, অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার ২৪ ঘন্টা যেতে না যেতে এবার সামনে এল বিজেপিশাসিত ত্রিপুরা সরকার  কর্তৃক অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠনের খবর।

সূত্রের খবর, ১৫ জন সদস্যকে নিয়ে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় পুলিশের টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। যাদের কাজ হবে মূলত বাংলাদেশ এবং মায়ানমার থেকে অবৈধ ভাবে যারা এসে ভারতে রয়েছে তাদেরকে চিহ্নিত করা। শুধু তাই নয় ভারত থেকে তাদেরকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে ওই দল কাজ করবে। এই টাস্ক ফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার পুলিশ সুপার কিরণ কুমার। ত্রিপুরার ওই জেলার ১৫টি থানার ওসিকে নিয়ে এই বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। এই টিমের মাথায় রয়েছেন জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ডেপুটি সুপার দেবাশিস সাহা।

কী ভাবে কাজ করবে এই বিশেষ দল?

সূত্রের খবর, অবৈধ ভাবে কোনও বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা ভারতে রয়েছে, প্রথমে তাদেরকে শনাক্ত করবে এই দল। এর পর তাঁদের বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পরবর্তী ধাপে সেই তথ্য ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের বিদেশি শনাক্তকরণ পোর্টালে তুলে দেওয়া হবে। সব শেষে তাঁরা যে দেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছে, সেই দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতীয় বাঙালিদের হেনস্থার প্রতিবাদে কলকাতায় পদযাত্রা করেছেন। বাঙালিদের উপর নির্যাতন বন্ধ না হলে কড়া আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বছর ঘুরলেই যেহেতু রাজ্যে বিধানসভা ভোট। তাই বাঙালি অস্মিতাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল কংগ্রেস রাজনীতির ময়দানে ঝাঁপাতে চাইছে। অন্যদিকে বিজেপিও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হলেও বাঙালি অস্মিতাকে দূরে ঠেলতে চাইছে না। তা শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ থেকেও স্পষ্ট। কারণ তিনি বক্তৃতা শুরু করেছিলেন ‘জয় মা কালী’ ‘জয় মা দুর্গা’ বলে। শুধু তাই নয় বাঙালি অস্মিতার প্রশ্নে বিজেপি যে কোনও আপোস করবে না তাও বুঝিয়ে দিয়েছেন মোদী।

Rape: তিন বছর ধরে নিজের নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ করেছে বাবা! তিন বার যাবজ্জীবন দিল আদালত

এই দিনকাল: মেয়েকে ধর্ষণ করে শ্রীঘরে বাবা। টানা তিন বছর ধরে নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণ (Rape) করার অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে। নৃশংস এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার ওই ব্যক্তিকে যতদিন না মৃত্যু হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত কারাগারে থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তাকে তিন বার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। ঘটনাটি ঘটেছে কেরলে।

জানা গিয়েছে, কেরলের করিমানুরের কাছে এক ভাড়া বাড়িতে থাকত ওই পরিবার। সেখানে শিশুটিকে তিন বছর ধরে ধর্ষণ করে তার বাবা। শিশুকন্যার পাঁচ বছর বয়স থেকে আট বছর পর্যন্ত টানা ৩৬ মাস ধরে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। আইনজীবী শিজোমন জোসেফ জানিয়েছেন, ইডুক্কি ফাস্ট ট্র্যাক স্পেশাল কোর্টের বিচারক মঞ্জু ভি ওই ব্যক্তির সাজা ঘোষণা করেছেন। তাকে পকসো আইনের অধীনে বিভিন্ন অপরাধের জন্য মৃত্যু পর্যন্ত যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক। নির্যাতিতা নাবালিকাকে দেওয়ার জন্য আদালত দোষী ব্যক্তির তিন লক্ষ টাকা জরিমানাও করেছে। বিচারক নির্দেশ দিয়েছেন, দোষী ব্যক্তি জরিমানা যদি না দিতে পারে তবে সেক্ষেত্রে তাকে আরও অতিরিক্ত ছয় বছর কারাগারে থাকতে হবে। এছাড়াও আদালত জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে, শিশুটিকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য। 

ঠিক কী ভাবে প্রকাশ্যে আসল গোটা ঘটনা? আইনজীবী জানিয়েছেন, ২০২০ সালে শিশুটির তখন আট বছর বয়স, সেই সময় ক্রমাগত পেট ব্যথায় ভুগছিল সে। চিকিৎসাও করা হচ্ছিল তার। ঘটনাক্রমে একদিন তার মায়ের কাছে জানতে চায় তার বাবা তার সঙ্গে যে অপকর্ম করে সে কারণে তার পেটে ব্যথা হচ্ছে কিনা। এর পর শিশুটির মা মেয়ের সঙ্গে কথা বলে গোটা ঘটনার কথা জানতে পারেন।

Nimisha Priya: ইয়েমেনে কেরলের নার্স নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত

এই দিনকাল: আগামী ১৬ জুলাই ইয়েমেনে বন্দি ভারতীয় নার্স নিমিশা প্রিয়ার (Nimisha Priya) মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল। তার ২৪ ঘন্টা আগে সাময়িক স্বস্তি পেলেন ওই নার্স। ইয়েমেনে ওই ভারতীয় নার্সের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা হল।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ইয়েমেনের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মৃত্যুদণ্ড সাময়িক ভাবে স্থগিত করতে রাজি হয়েছেন। বিভিন্ন মহল থেকে লাগাতার কূটনৈতিক চেষ্টার পর এটি সম্ভব হয়েছে বলে খবর। নিমিশার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত হওয়ার পিছনে কেরলের এক মুসলিম ধর্মীয় নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। যাকে খুন করার অভিযোগ নিমিশার বিরুদ্ধে, ইয়েমেনের সেই ভুক্তভোগীর পরিবারকে তিনি ব্লাড মানি গ্রহণে রাজি করাতে সাহায্য করেছেন। সূত্র জানিয়েছে, ‘ঘটনার শুরু থেকেই ভারত সরকার সম্ভাব্য সকল সহায়তা করছে। সম্প্রতি ইয়েমেনে ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে নিমিশা প্রিয়ার পরিবার যাতে পারস্পরিক সম্মতিতে একটি সমাধানে পৌঁছয়, সেই উদ্দেশ্যে আরও সময় চাওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে।’

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এক বার্তায়, সুন্নি মুসলিম ধর্মীয় নেতা কাঁথাপুরম এপি আবুবকর মুসলিয়ার জানিয়েছেন, প্রার্থনা শোনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখার নির্দেশের একটি কপি সরকারি ভাবে গৃহীত হয়েছে। তিনি বলেন, যারা নিমিশার মৃত্যুদণ্ড রোধ করতে কাজ করেছেন এবং প্রার্থনা করেছেন তাঁদের সকলের উপর আল্লাহর আশীর্বাদ বর্ষিত হোক।

নিমিশা প্রিয়াকে কেন মৃত্যুদণ্ড?

পেশায় নার্স নিমিশা প্রিয়া ২০০৮ সালে ইয়েমেনে যান। সে দেশে বেশ কয়েকটি হাসপাতালে কাজ করেন তিনি। এক সময় নিজে ক্লিনিক খোলেন এবং ২০১৪ সালে তালাল আবদো মাহদি নামে এক ব্যক্তির সংস্পর্শে আসেন। ইয়েমেনের নিয়ম অনুসারে সে দেশে ব্যবসা করতে গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করে তা শুরু করা বাধ্যতামূলক। মূলত সেই কারণে মাহদির সঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন তিনি। কিন্তু কেরলের ওই নার্সের সঙ্গে মাহদির ঝগড়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেন নিমিশা। এরপর ২০১৬ সালে মাহদিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কারামুক্তি ঘটলেও মাহদি নিমিশাকে হুমকি দিতে থাকে বলে অভিযোগ।

নিমিশার পরিবারের দাবি, মাহদি নিমিশার পাসপোর্ট কেড়ে নিয়েছিল। সেই পাসপোর্ট উদ্ধারের জন্য মাহদির উপর ঘুমের ওষুধ প্রয়োগ করেছিলেন ওই নার্স। তবে, তার ওভারডোজের কারণে মাহদির মৃত্যু হয়। এক সময় ইয়েমেন ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেন নিমিশা। তখনই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৮ সালে তাঁকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ইয়েমেনি নাগরিককে হত্যার দায়ে সে দেশের ট্রায়াল কোর্ট নিমিশাকে দোষী সাব্যস্ত করে, যা ২০২৩ সালের নভেম্বরে দেশটির সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বহাল রাখে।

ইয়েমেনি আইনে সেদেশের স্বাধীনতা, ঐক্য বা আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করা, সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্বল করার জন্য কোনও কাজ করা, খুন, মাদক পাচার, ব্যভিচার, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সম্মতিক্রমে সমকামী যৌন কার্যকলাপ, ইসলাম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া বা নিন্দা করা এবং পতিতাবৃত্তিতে সহায়তা করা-সহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।