Category Archives: দেশ

Nimisha Priya: ইয়েমেনে কেরলের নার্স নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত

এই দিনকাল: আগামী ১৬ জুলাই ইয়েমেনে বন্দি ভারতীয় নার্স নিমিশা প্রিয়ার (Nimisha Priya) মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা ছিল। তার ২৪ ঘন্টা আগে সাময়িক স্বস্তি পেলেন ওই নার্স। ইয়েমেনে ওই ভারতীয় নার্সের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা হল।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ইয়েমেনের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ মৃত্যুদণ্ড সাময়িক ভাবে স্থগিত করতে রাজি হয়েছেন। বিভিন্ন মহল থেকে লাগাতার কূটনৈতিক চেষ্টার পর এটি সম্ভব হয়েছে বলে খবর। নিমিশার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত হওয়ার পিছনে কেরলের এক মুসলিম ধর্মীয় নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। যাকে খুন করার অভিযোগ নিমিশার বিরুদ্ধে, ইয়েমেনের সেই ভুক্তভোগীর পরিবারকে তিনি ব্লাড মানি গ্রহণে রাজি করাতে সাহায্য করেছেন। সূত্র জানিয়েছে, ‘ঘটনার শুরু থেকেই ভারত সরকার সম্ভাব্য সকল সহায়তা করছে। সম্প্রতি ইয়েমেনে ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে নিমিশা প্রিয়ার পরিবার যাতে পারস্পরিক সম্মতিতে একটি সমাধানে পৌঁছয়, সেই উদ্দেশ্যে আরও সময় চাওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়েছে।’

ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এক বার্তায়, সুন্নি মুসলিম ধর্মীয় নেতা কাঁথাপুরম এপি আবুবকর মুসলিয়ার জানিয়েছেন, প্রার্থনা শোনা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত রাখার নির্দেশের একটি কপি সরকারি ভাবে গৃহীত হয়েছে। তিনি বলেন, যারা নিমিশার মৃত্যুদণ্ড রোধ করতে কাজ করেছেন এবং প্রার্থনা করেছেন তাঁদের সকলের উপর আল্লাহর আশীর্বাদ বর্ষিত হোক।

নিমিশা প্রিয়াকে কেন মৃত্যুদণ্ড?

পেশায় নার্স নিমিশা প্রিয়া ২০০৮ সালে ইয়েমেনে যান। সে দেশে বেশ কয়েকটি হাসপাতালে কাজ করেন তিনি। এক সময় নিজে ক্লিনিক খোলেন এবং ২০১৪ সালে তালাল আবদো মাহদি নামে এক ব্যক্তির সংস্পর্শে আসেন। ইয়েমেনের নিয়ম অনুসারে সে দেশে ব্যবসা করতে গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করে তা শুরু করা বাধ্যতামূলক। মূলত সেই কারণে মাহদির সঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন তিনি। কিন্তু কেরলের ওই নার্সের সঙ্গে মাহদির ঝগড়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেন নিমিশা। এরপর ২০১৬ সালে মাহদিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কারামুক্তি ঘটলেও মাহদি নিমিশাকে হুমকি দিতে থাকে বলে অভিযোগ।

নিমিশার পরিবারের দাবি, মাহদি নিমিশার পাসপোর্ট কেড়ে নিয়েছিল। সেই পাসপোর্ট উদ্ধারের জন্য মাহদির উপর ঘুমের ওষুধ প্রয়োগ করেছিলেন ওই নার্স। তবে, তার ওভারডোজের কারণে মাহদির মৃত্যু হয়। এক সময় ইয়েমেন ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেন নিমিশা। তখনই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৮ সালে তাঁকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ইয়েমেনি নাগরিককে হত্যার দায়ে সে দেশের ট্রায়াল কোর্ট নিমিশাকে দোষী সাব্যস্ত করে, যা ২০২৩ সালের নভেম্বরে দেশটির সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বহাল রাখে।

ইয়েমেনি আইনে সেদেশের স্বাধীনতা, ঐক্য বা আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করা, সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্বল করার জন্য কোনও কাজ করা, খুন, মাদক পাচার, ব্যভিচার, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সম্মতিক্রমে সমকামী যৌন কার্যকলাপ, ইসলাম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া বা নিন্দা করা এবং পতিতাবৃত্তিতে সহায়তা করা-সহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

Rs 50 coin: বাজারে কি ৫০ টাকার কয়েন আসছে? কী জানাল মোদী সরকার?

এই দিনকাল: ১০ টাকা এবং ২০ টাকার কয়েন ইতিমধ্যে বাজারে ছেড়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। ১০, ২০ টাকার পরে এবার কি তবে ৫০ টাকার কয়েন (Rs 50 coin) মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক? এমন প্রশ্ন অনেকের মনে রয়েছে। তবে আপাতত সেই সম্ভাবনা নেই বলে জানাল কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। 

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক দিল্লি হাইকোর্টকে জানিয়েছে যে বর্তমানে ৫০ টাকার কয়েন চালু করার কোনও পরিকল্পনা তাদের নেই। কারণ ১০ এবং ২০ টাকার মতো ভারী কয়েনের তুলনায় সাধারণ মানুষ নোটকে বেশি পছন্দ করেন। আর সে জন্যই ৫০ টাকার কয়েন চালুর কোনও ভাবনা নেই। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক মঙ্গলবার হলফনামা দিয়েছে আদালতে। সেখানে ২০২২ সালের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সমীক্ষার ফলাফল উদ্ধৃত করে মন্ত্রক বলেছে, মানুষ কয়েন এড়িয়ে চলেন কারণ কয়েনের ওজন, আকার এবং স্বতন্ত্রতার অভাবের জন্য। আর সে জন্য নোটগুলি দৈনন্দিন ব্যবহারে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে। মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েন চালু করার আগে একাধিক বিষয় দেখা হয়। জনসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা, ব্যবহারের ধরণ এবং অর্থনৈতিক বিবেচনার উপর নির্ভর করে কয়েন ছাড়া হয়। কিন্তু বর্তমানে ৫০ টাকার কয়েন চালু করার কোনও পরিকল্পনা নেই।

দৃষ্টি শক্তিতে বিশেষ ভাবে সক্ষম নাগরিকদের জন্য ৫০ টাকার কয়েন চালু করার জন্য আর্জি জানিয়েছিলেন আইনজীবী রোহিত দন্ড্রিয়াল। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক আদালতে এই বিষয়ে স্পষ্ট জানান।

ওই আইনজীবী জানান, ৫০ টাকার নোটের নকশার কারণে দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরা দুর্দশার মুখোমুখি হন, তাদের জন্য মূল্যের পার্থক্য করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

Nimisha Priya: ১৬ জুলাই ভারতীয় নার্স নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করবে ইয়েমেন

এই দিনকাল: ইয়েমেনি এক নাগরিককে হত্যার দায়ে আগেই ভারতীয় নার্স নিমিশা প্রিয়াকে (Nimisha Priya) দোষী সাব্যস্ত করে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে ইয়েমেনের আদালত। আগামী ১৬ জুলাই ওই নার্সের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে বলে জানানো হয়েছে। কেরলের বাসিন্দা নিমিশা প্রিয়ার মৃত্যুদণ্ড গত বছর অনুমোদন করেছেন ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন এবং নিমিশার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে বিদেশ মন্ত্রক। পাশাপাশি নিমিশার পরিবারকে সম্ভাব্য সকল সহায়তা প্রদান করছে মন্ত্রক। 

নিমিশা প্রিয়াকে কেন মৃত্যুদণ্ড?

পেশায় নার্স নিমিশা প্রিয়া ২০০৮ সালে ইয়েমেনে যান। সে দেশে বেশ কয়েকটি হাসপাতালে কাজ করেন তিনি। এক সময় নিজে ক্লিনিক খোলেন এবং ২০১৪ সালে তালাল আবদো মাহদির সংস্পর্শে আসেন। ইয়েমেনের নিয়ম অনুসারে সে দেশে ব্যবসা করতে গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করে তা শুরু করা বাধ্যতামূলক। মূলত সেই কারণে মাহদির সঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন তিনি। কিন্তু কেরলের ওই নার্সের সঙ্গে মাহদির ঝগড়া হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করেন নিমিশা। এরপর ২০১৬ সালে মাহদিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কারামুক্তি ঘটলেও মাহদি নিমিশাকে হুমকি দিতে থাকে বলে অভিযোগ।

নিমিশার পরিবারের দাবি, মাহদি নিমিশার পাসপোর্ট কেড়ে নিয়েছিল। সেই পাসপোর্ট উদ্ধারের জন্য মাহদির উপর ঘুমের ওষুধ প্রয়োগ করেছিলেন ওই নার্স। তবে, তার ওভারডোজের কারণে মাহদির মৃত্যু হয়। এক সময় ইয়েমেন ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেন নিমিশা। তখনই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৮ সালে তাঁকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ইয়েমেনি নাগরিককে হত্যার দায়ে সে দেশের ট্রায়াল কোর্ট নিমিশাকে দোষী সাব্যস্ত করে, যা ২০২৩ সালের নভেম্বরে দেশটির সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল বহাল রাখে।

ইয়েমেনি আইনে সেদেশের স্বাধীনতা, ঐক্য বা আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করা, সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্বল করার জন্য কোনও কাজ করা, খুন, মাদক পাচার, ব্যভিচার, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সম্মতিক্রমে সমকামী যৌন কার্যকলাপ, ইসলাম থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া বা নিন্দা করা এবং পতিতাবৃত্তিতে সহায়তা করা-সহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের বিধান রয়েছে।

নিমিশা প্রিয়াকে বাঁচাতে ‘ব্লাড মানি’

ভুক্তভোগীর পরিবারকে ‘ব্লাড মানি’ দেওয়ার মাধ্যমে নিমিশা প্রিয়াকে বাঁচানোর পথ খোলা ছিল। যদিও সেই অর্থের পরিমাণ সর্বদা নিহতের পরিবার ঠিক করে। মেয়ের জন্য মামলা লড়তে নিমিশা প্রিয়ার মা নিজের বাড়ি পর্যন্ত বিক্রি করে দেন। কোচিতে তিনি গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন। রিপোর্ট অনুসারে, ভারতীয় দূতাবাস কর্তৃক নিযুক্ত আইনজীবী আবদুল্লাহ আমির আলোচনা ফি হিসেবে ২০ হাজার মার্কিন ডলার দাবি করেন, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১৬.৬ লক্ষ টাকা। মাহদির পরিবারের সঙ্গে ‘ব্লাড মানি’ নিয়ে আলোচনা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে।

গত বছরের জুলাই মাসে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক আমিরকে ১৯৮৭১ মার্কিন ডলার দিয়েছিল। কিন্তু তিনি আলোচনা শুরু করার আগে দুটি কিস্তিতে মোট ৪০০০০ মার্কিন ডলার দাবি করেন। সেভ নিমিশা প্রিয়া ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকশন কাউন্সিল ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে আমিরের প্রথম কিস্তির অর্থ সংগ্রহ করতে সফল হয়। তবে, পরে তারা তহবিলের স্বচ্ছতা সংক্রান্ত কারণে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।

ভারত সরকার জানুয়ারিতে বলেছিল গোটা বিষয়টি নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, নিমিশার পরিবারকে সম্ভাব্য সকল সাহায্য প্রদান করার কথাও জানিয়েছিল কেন্দ্র। নিমিশার মা মেয়ের জীবন বাঁচাতে আকুল আর্জি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকার এবং কেরল সরকারের কাছে।

Car and truck collision: গাড়ি ও ট্রাকের সংঘর্ষ, মার্কিন মুলুকে পুড়ে মৃত্যু ৪ ভারতীয়ের

এই দিনকাল: মার্কিন মুলুকে ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় (Car and truck collision) পুড়ে মৃত্যু ৪ ভারতীয়ের (Indian Family)। নিহতরা একই পরিবারের বলে জানা গিয়েছে। সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে একটি ট্রাক তাঁদের গাড়িতে ধাক্কা দেওয়ার ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিহতদের মধ্যে দুই শিশুও রয়েছে। 

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, হায়দরাবাদের বাসিন্দা তেজস্বিনী এবং শ্রী ভেঙ্কট। ছুটি কাটাতে দুই সন্তানকে নিয়ে পরিবারটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ছুটি কাটাতে গিয়েছিল। গত সপ্তাহে তাঁরা গাড়ি চালিয়ে আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করতে আটলান্টায় গিয়েছিল। সেখান থেকে ডালাসে ফিরে আসার সময় এই ঘটনাটি ঘটে। ভারতীয় পরিবারটির গাড়ি যখন গ্রিন কাউন্টিতে আসে, সেই সময় রাস্তার ভুল দিক থেকে একটি মিনি-ট্রাক চলে আসে। দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে গাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। যার ফলে ভিতরে আটক অবস্থায় চার জনেরই মৃত্যু হয়। গাড়িটি ভস্মীভূত হয়ে যাওয়ার পর, স্থানীয় প্রশাসনের তরফে নিহতদের দেহাবশেষ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে। মৃতদেহ শোকাহত পরিবারের কাছে হস্তান্তরের আগে নিহতদের ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে বলে জানানো হয়েছে। 

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে, ডালাসের কাছে টেক্সাসের আন্নায় একাধিক যানবাহনের সংঘর্ষে চার ভারতীয় নাগরিকের মর্মান্তিকভাবে পুড়ে মৃত্যু হয়েছিল। তাঁরা গাড়ি চালিয়ে যখন যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের গাড়িটিকে পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। যার ফলে গাড়িতে আগুন ধরে যায়। নিহতদের নাম আরিয়ান রঘুনাথ ওরামপতি, ফারুক শেখ, লোকেশ পালাচারলা এবং দর্শনিনী বাসুদেবন। তার আগে ২০২৪ সালের আগস্টে টেক্সাসে একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত দম্পতি এবং তাদের মেয়ে নিহত হয়েছিলেন। যার মধ্যে তাঁদের কিশোর ছেলেই একমাত্র বেঁচে যায়। অন্য একটি গাড়ির ধাক্কায় তাদের গাড়িতেও আগুন ধরে গিয়েছিল।

witchcraft: ডাইনি সন্দেহে একই পরিবারের ৫ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারল গ্রামবাসী

এই দিনকাল: একুশ শতকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নত যুগে এসেও কুসংস্কারের বশবর্তী হয়ে একই পরিবারের পাঁচ জনকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারল গ্রামবাসী। ডাইনি (witchcraft) সন্দেহে তাঁদেরকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের পূর্ণিয়ায়। নৃশংস এই ঘটনার তদন্তে নেমে ইতিমধ্যে দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে পূর্ণিয়ার তেতগামা গ্রামে ৫০ জনের একটি দল সীতা দেবীর বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায়। অভিযোগ, সীতা নামের ওই মহিলা ‘কালা জাদু’ করেন। মহিলার ছেলে, ১৬ বছর বয়সী সোনু কুমার, পুলিশকে বলেছে উত্তেজিত জনতা বাড়িতে ঢুকে সকলকে মারধর করতে শুরু করে। প্রাণ বাঁচাতে সে পালিয়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেয়।

সাংবাদিকদের সোনু বলে, ‘গ্রামের লোকেরা বাঁশের লাঠি নিয়ে এসে সবাইকে মারধর করে, আমার মাকে ‘ডাইনি’ বলে অপবাদ দেয়। তারা আমার মা, বাবা, ভাই এবং শ্যালিকা-সহ পাঁচ জনকে মারধর করে। অন্যান্য গ্রামবাসীরা তাদের থামায়নি।’ সোনুর বাবা-মা সহ পাঁচ জনকেই জীবন্ত পুড়িয়ে তাদের মৃতদেহ জলাশয়ে ফেলে দেয়। পূর্ণিয়া মহকুমা পুলিশ কর্মকর্তা পঙ্কজ কুমার শর্মা জানিয়েছেন, সোনু সোমবার পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছে। তিনি বলেন, ‘সোনু কুমার জানিয়েছে ‘ডাইনি’ সন্দেহে তার পরিবারের সদস্যদের মারধর করে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে এবং তাদের মৃতদেহ ফেলে দেওয়া হয়েছে। আমরা মৃতদেহগুলি উদ্ধার করেছি।’

এই হত্যাকাণ্ডের পিছনে কী কারণ রয়েছে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে ওই পুলিশ কর্তা বলেন, রামদেব ওরাওঁ নামে এক গ্রামবাসীর এক ছেলে সম্প্রতি মারা গিয়েছে। তার আর এক ছেলে গুরুতর অসুস্থ। গ্রামবাসীরা এর জন্য সীতা দেবীকে দায়ী করেছেন। এই ঘটনায় জড়িত থাকায় দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। দোষীরা কেউ ছাড় পাবে না বলে মন্তব্য করেন পঙ্কজ কুমার শর্মা।

Shahi Idgah Mosque: শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি ও শাহি ঈদগাহ মসজিদ মামলায় বড় নির্দেশ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

এই দিনকাল: মথুরার শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি (Krishna Janmabhoomi) এবং শাহি ঈদগাহ মসজিদ (Shahi Idgah Mosque) নিয়ে চলমান আইনি লড়াইয়ে বড় নির্দেশ দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad HC)। শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি প্রাঙ্গণে অবস্থিত শাহি ঈদগাহ মসজিদকে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ হিসেবে ঘোষণা করার আর্জি জানিয়েছিল হিন্দু পক্ষ। শুক্রবার এলাহাবাদ হাইকোর্ট সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে।

বিচারপতি রাম মনোহর নারায়ণ মিশ্রের সিঙ্গল বেঞ্চ এদিন মৌখিকভাবে হিন্দু পক্ষের আবেদনটি খারিজ করে দিয়ে বলেছে, হিন্দু পক্ষের এই আবেদনটি ‘এই পর্যায়ে’ খারিজ করা হচ্ছে। আদালতের এদিনের মন্তব্য দীর্ঘ দিনের আইনি লড়াইয়ে মামলাকারী মুসলিম পক্ষকে স্বস্তি দিয়েছে। উল্লেখ্য, হিন্দু পক্ষের হয়ে আদালতে মামলা করেছিলেন আইনজীবী মহেন্দ্র প্রতাপ সিং। চলতি বছরের ৫ মার্চ একটি আবেদন করেছিলেন তিনি, সেই আবেদনে শাহি ঈদগাহ মসজিদকে ‘বিতর্কিত কাঠামো’ হিসেবে ঘোষণা করার আর্জি জানিয়েছিলেন। আবেদনকারীর যুক্তি ছিল, মসজিদটি জায়গা দখল করে তৈরি করা হয়েছে। শুধু তাই নয় মালিকানা প্রমাণের জন্য বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রমাণের জন্য আইনি নথিপত্রের অভাব রয়েছে।

হিন্দু পক্ষ দাবি করেছিল যে জমির মালিকানার নথি, পৌর রেকর্ড বা কর দাখিলের নথি নেই। তাই কাঠামোটিকে মসজিদ বলা যাবে না। এখনও পর্যন্ত সিঙ্গল বেঞ্চে চারটি শুনানি হয়েছে। এই আবেদন ছাড়াও, হিন্দু পক্ষের দায়ের করা আরও ১৮টি এই সংক্রান্ত আবেদন হাইকোর্ট একত্রিত করেছে। সেগুলি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সমস্ত আবেদনই মূলত শ্রী কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দিরের প্রাঙ্গণ থেকে শাহী ঈদগাহ মসজিদকে অপসারণ করার দাবিতে।

হিন্দু আবেদনকারীদের অভিযোগ, মসজিদটি যেখানে অবস্থিত সেই জমিটি মূলত কৃষ্ণ মন্দিরের জায়গা ছিল।অযোধ্যা বিরোধের সঙ্গে এর মিল থাকায় তারা এই মসজিদটিকে বাবরি মসজিদের মতো ‘বিতর্কিত কাঠামো’ হিসেবে ঘোষণা করার আর্জি জানিয়েছিল। অন্য দিকে, মুসলিম পক্ষ হিন্দু হিন্দু পক্ষের আবেদনটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে। তারা জোর দিয়ে বলে যে শাহি ঈদগাহ গত ৪০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যমান।

Kidnapped: মালিতে আল-কায়েদা ঘনিষ্ঠ জঙ্গিগোষ্ঠীর হামলার মাঝে অপহৃত ৩ ভারতীয়

এই দিনকাল: পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মালিতে তিন ভারতীয়কে অপহরণ (Kidnapped) করা হয়েছে। এই ঘটনায় বুধবার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। অপহৃতদের ‘নিরাপদ এবং দ্রুত’ মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এদিন নয়াদিল্লির তরফে মালি সরকারের কাছে আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, যে তিন ভারতীয়কে অপহরণ করা হয়েছে, তাঁরা কায়েসের ডায়মন্ড সিমেন্ট কারখানায় কর্মরত ছিলেন। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ১ জুলাই। একদল সশস্ত্র হামলাকারী কারখানা প্রাঙ্গণে আক্রমণ চালায় এবং তিন জন ভারতীয় নাগরিককে জোর করে জিম্মি করে। এখনও পর্যন্ত কেউ অপহরণের দায় স্বীকার করেনি। তবে আল-কায়েদার সহযোগী জামাত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন (জেএনআইএম) মঙ্গলবার মালিতে হামলার দায় স্বীকার করেছে। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বামাকোতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় প্রশাসন এবং ডায়মন্ড সিমেন্ট কারখানার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় এবং ধারাবাহিক ভাবে যোগাযোগ রাখছে। পাশাপাশি অপহৃতদের পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে বিদেশ মন্ত্রক।

একটি বিবৃতিতে বিদেশ মন্ত্রক বলেছে, ‘ভারত সরকার দ্ব্যর্থহীনভাবে এই নিন্দনীয় সহিংসতার নিন্দা জানায় এবং মালি প্রজাতন্ত্রের সরকারকে অপহৃত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদ এবং দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানায়।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘মন্ত্রকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপদ এবং দ্রুত মুক্তি নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন স্তরে নিয়োজিত রয়েছেন।’

Spying for ISI: অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার নৌসেনা কর্মী

এই দিনকাল: নৌসেনার (Navy) এক কর্মীকে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি (Spying for ISI) করার অভিযোগে গ্রেফতার করল পুলিশ। দিল্লিতে নৌবাহিনীর সদর দফতর থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর হয়ে বছরের পর বছর ধরে গুপ্তচরবৃত্তি করার অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয় অপারেশন সিঁদুরের সময়ও সংবেদনশীল তথ্য পাচার করেছে বলে অভিযোগ। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির নাম বিশাল যাদব।তার মোবাইল থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। জানা গেছে টাকার বিনিময়ে নৌবাহিনী এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা ইউনিট সম্পর্কিত গোপনীয় তথ্য পাকিস্তানি এক মহিলা হ্যান্ডলারকে সরবরাহ করেছিলেন বিশাল যাদব। হরিয়ানার বাসিন্দা বিশাল যাদব নৌ সদর দফতরে একজন কেরানি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাকে রাজস্থান পুলিশের গোয়েন্দা শাখা গ্রেফতার করেছে। পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন আধিকারিক বিষ্ণুকান্ত গুপ্ত এ বিষয়ে বলেন, পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলি যে গুপ্তচরবৃত্তির কার্যকলাপ চালাচ্ছে রাজস্থানের সিআইডি তা নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। নজরদারি চালানোর সময় গোয়েন্দারা লক্ষ্য করেন, বিশাল যাদব সমাজ মাধ্যমে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার একজন মহিলা হ্যান্ডলারের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রাখছেন।

পুলিশ আধিকারিক আরও জানান, যে মহিলার সঙ্গে যাদব যোগাযোগ রাখতেন তিনি নিজেকে প্রিয়া শর্মা বলে পরিচয় দিতেন। গুরুত্বপূর্ণ গোপন তথ্য যাদবের কাছ থেকে পেতেন ওই মহিলা। আর এ জন্য যাদবকে টাকা দিতেন তিনি। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে বিশাল যাদব অনলাইন গেম খেলায় আসক্ত ছিলেন। এই গেম খেলায় তার আর্থিক ক্ষতি মেটাতে অর্থের প্রয়োজন ছিল। বিশাল যাদব গ্রেফতার হওয়ার পর এই চক্রের সঙ্গে আর কে বা কারা জড়িত রয়েছে তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Migrant Labour: বিজেপি শাসিত রাজস্থানে টার্গেট বাঙালি শ্রমিকরা, বাংলাদেশি সন্দেহে আটক ৩০০ এর বেশি, ক্ষুব্ধ মমতা

এই দিনকাল: বাংলা ভাষায় কথা বলার জেরে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে রাজস্থানে আটকে রাখা হল এ রাজ্যের ৩০০ এর বেশি বাঙালি শ্রমিককে (Migrant Labour)। বাংলাদেশি সন্দেহে যাদেরকে রাজস্থানে আটক করা হয়েছে, আদতে তারা পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের বাসিন্দা। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার তিনি বিধানসভায় দাঁড়িয়ে এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার বিধানসভায় রাজস্থানের ঘটনা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই ঘটনা যদি বন্ধ না হয়, বাংলার মানুষের প্রতি এই অন্যায় যদি চলতেই থাকে, তাহলে আমরা কড়া আন্দোলনে নামব। বাংলাকে হেয় করার কোনও চেষ্টাই বরদাস্ত করব না।’রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান প্রশ্ন তোলেন, ‘বাংলা ভাষায় কথা বললেই কি অপরাধ? তাহলে বলে দেওয়া হোক, বাংলা ভাষা নিষিদ্ধ। রাজস্থানে যাঁরা আটক হয়েছেন, তাঁরা কারও বাবা, কারও ভাই, কারও সন্তান। তাঁরা কেউ বাংলাদেশি নন- তাঁরা উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার এলাকার বাসিন্দা, ভারতের নাগরিক।’

ভিন রাজ্যে আটকে রাখা শ্রমিকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে নির্দেশ দেন আটকে থাকা শ্রমিকদের সাহায্য করার জন্য। পাশাপাশি এদিন হুঁশিয়ারির সুরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই ঘটনা যদি বন্ধ না হয়, বাংলার মানুষের প্রতি এই অন্যায় যদি চলতেই থাকে, তাহলে আমরা কড়া আন্দোলনে নামব। বাংলাকে হেয় করার কোনও চেষ্টাই বরদাস্ত করব না।’

Maharashtra Bridge Collapse: মহারাষ্ট্রে সেতু ভেঙে ৪ জনের মৃত্যু, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদী

এই দিনকাল: মহারাষ্ট্রের পুনেতে ইন্দ্রায়ণী নদীর উপর থাকা সেতু ভেঙে বিপর্যয় (Maharashtra Bridge Collapse)। রবিবার এই দুর্ঘটনার ফলে মৃত্যু হয়েছে চার পর্যটকের। বেশ কয়েকজন নদীতে ডুবে গিয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এদিন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এই তথ্য জানিয়েছেন। দুর্ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত ৩৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই বিপর্যয়ের পর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিদেশ থেকে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী(PM Modi)। উদ্ধারকাজ সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন তিনি। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

পুনের কুন্ডমালা জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। বর্ষাকালে এমনিতেই প্রচুর ভিড় হয়। রবিবার ছুটির দিন হওয়ায় অন্যান্য দিনের থেকে জনসমাগম বেশিই হয়েছিল। এদিন আচমকা সেতুটি ভেঙে পড়ায় এটির উপরে থাকা বেশ কয়েকজন পর্যটক নদীতে পড়ে যান। কয়েক জন নদীর স্রোতে ভেসে গিয়েছেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনার পর তড়িঘড়ি উদ্ধারকাজ শুরু করেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও পুলিশ। সেতু বিপর্যয়ের পর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ সমাজ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘কিছু লোক ভেসে যাওয়ায়, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলে এনডিআরএফ মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে গতি আনা হয়েছে।’ পরে তিনি ঘোষণা করেন, দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পিছু ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসার খরচ সরকার বহন করবে বলে জানান ফড়নবিশ।

সেতুটি যে খারাপ অবস্থায় ছিল তা মেনে নিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী এবং পুনের বিধায়ক অজিত পাওয়ার। তাঁর দাবি, সেতুতে মানুষ এবং কয়েকটি দু-চাকার গাড়ির কারণে সেটি ভেঙে পড়েছে। তিনি বলেন, ‘সেখানে ৮ কোটি টাকার একটি সেতু অনুমোদন করা হয়েছে, আমি জেলাশাসকের কাছে এই বিষয়ে তথ্য চেয়েছি।’

Maharashtra Bridge Collapse