Author Archives: Ei Dinkal

Donald Trump: মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সম্মান জানিয়ে হায়দরাবাদে রাস্তার নাম ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’

এই দিনকাল: ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) নামে নামকরণ করা হবে রাস্তার। তেলেঙ্গানার (Telangana) হায়দরাবাদে মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেল সংলগ্ন রাস্তার নাম বদে রাখা হবে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’। বিষয়টি নিয়ে তেলেঙ্গানা সরকার সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছে বলে খবর।

রিপোর্ট অনুসারে, ৪৫তম এবং ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্টের নামে রাস্তার নামকরণের পরিকল্পনার কথা রাজ্য সরকারের তরফে কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রক এবং মার্কিন দূতাবাসকে চিঠি লিখে জানানো হবে। চলতি বছরের শুরুতে, দিল্লিতে ইউএস-ইন্ডিয়া স্ট্র‍্যাটেজিক পার্টনারশিপ ফোরামের (US-India Strategic Partnership Forum) বার্ষিক সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময়, মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি (Chief Minister Revanth Reddy) বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় একাধিক সংস্থার নামে হায়দরাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলির নামকরণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। উদ্ভাবনী ক্ষেত্রে রাজ্যটিকে ভারতের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরতে তেলেঙ্গানা সরকারের এই উদ্যোগ। এছাড়াও, রাজ্য সরকার বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সংস্থাকে সম্মান জানাতে এবং স্বীকৃতি দিতে আরও বেশ কিছু রাস্তার নামকরণের কথা বিবেচনা করছে। উদাহরণস্বরূপ, আসন্ন গ্রিনফিল্ড রেডিয়াল রোড, যা শহরের রাভিরিয়ালায় নেহেরু আউটার রিং রোড এবং নতুন প্রস্তাবিত রেডিয়াল রিং রোডের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করবে, সেটির নামকরণ করা হবে প্রয়াত শিল্পপতি পদ্মশ্রী রতন টাটার নামে। এর আগে রাভিরিয়ালায় ইন্টারচেঞ্জের নাম পরিবর্তন করে ‘টাটা ইন্টারচেঞ্জ’ করেছে রাজ্য সরকার।

এছাড়াও, গুগল ম্যাপ এবং সংস্থাটির বিশ্বব্যাপী প্রভাব এবং অবদানকে মাথায় রেখে, একটি অংশের নাম ‘গুগল স্ট্রিট’ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে হায়দরাবাদে নির্মিত হচ্ছে গুগলের সুবিশাল ক্যাম্পাস। সূত্রের খবর, মাইক্রোসফ্ট এবং উইপ্রোকেও স্বীকৃতি জানানো হবে। এই দুই সংস্থার জন্য শহরটিতে মাইক্রোসফ্ট রোড এবং উইপ্রো জংশন নামে দুটি রাস্তার নামকরণ করা হতে পারে।

Humayun Kabir: ‘মুসলিম বিধায়ক কমছে কেন?’ ‘বাবরি মসজিদের’ শিলান্যাস করে মমতাকে আক্রমণ হুমায়ুনের

এই দিনকাল: পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করলেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। শনিবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতে তিনি ধর্মস্থানের শিলান্যাস করেন। এদিন হুমায়ুন জানান, নতুন করে নির্মিত হতে চলা মসজিদের জন্য ৮০ কোটি টাকা অর্থ সাহায্য করতে চেয়ে এক শিল্পপতি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাই এই কাজে টাকার অভাব হবে না বলে দাবি করেন বিধায়ক। পাশাপাশি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আক্রমণ শানান দল থেকে সাসপেন্ড হওয়া হুমায়ুন।

ঠিক কত লোক হয়েছিল কর্মসূচিতে? হুমায়ুন সংবাদ মাধ্যমের কাছে দাবি করেন, প্রায় চার লক্ষ মানুষ এদিন বাবরি মসজিদের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে আরও লোক আসতেন। প্রশাসনের ‘চমকানিতে’ অনেকে আসতে পারেননি। হুমায়ুন কবীরের কথায়, ‘আরও ৫০ হাজার লোক বাড়ত। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি…প্রশাসনের একটা অংশ অনেক চমকেছে। অনেক লোক বাস ভাড়া করেছে, তাদের বলেছে, কোথায় যাবি ? ওরা বলেছে, মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদে। তো, প্রশাসন তাদের বসিয়ে রেখেছে।’

রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসে মুসলিম বিধায়ক সংখ্যা ক্রমশ কমছে কেন, শনিবার সেই প্রশ্ন তোলেন হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেন, ‘২০১১ সালে ৬৭ জন মুসলমান বিধায়ক ছিলেন। পুরো ৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর ২০১৬-তে সেই সংখ্যাটা নেমে এল ৫৭-তে। ২০২১ সালে সেটা চক্রান্ত করে নামিয়ে আনলেন মাত্র ৪৪ জনে।’ মুসলিম সমাজের কাছে আর্জি জানিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘আমি মুসলমান সমাজের কাছে একটাই কথা বলব, আপনারা যাকে খুশি যত মুসলমানদের ভোট দিয়ে বিধানসভায় পাঠান। ২৯৪-এর মধ্যে যে বাকি ২০৪টা থাকবে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে লড়াই হোক।’ এখানেই না থেমে তিনি আরও বলেন, ‘তাঁরা সরকারে থাকুন। আমরা বিরোধী আসনে থাকব। বিধানসভায় ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে অধিকার বুঝে নেব, উন্নয়ন বুঝে নেব। এটাই আমার লক্ষ্য।’

Asim Munir: পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার নিয়ন্ত্রণ ভারত বিদ্বেষী আসিম মুনিরের হাতে

এই দিনকাল: ভারত বিদ্বেষী আসিম মুনিরকে বড় দায়িত্ব দিল পাকিস্তান (Pakistan)। শাহবাজ শরিফ সরকার (Shehbaz Sharif government) আনুষ্ঠানিকভাবে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে পাকিস্তানের প্রথম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান বা চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্স (সিডিএফ) হিসেবে নিযুক্ত করেছে। এটি পারমাণবিক ক্ষমতা সম্পন্ন দেশের শক্তিশালী সামরিক পদ। শরিফ সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে পাঁচ বছরের জন্য মুনির তিন বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারির অফিসের তরফে সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মুনিরকে সেনাবাহিনীর প্রধান (সিওএএস) এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান (সিডিএফ) উভয় পদের জন্য সুপারিশ করেছিলেন। রাষ্ট্রপতি তা অনুমোদন করেছেন।

চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস পদটি কেবল তিন শাখার (সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী) প্রধান নয়, বরং ন্যাশনাল স্ট্র‍্যাটেজিক কম্যান্ডের দেখভালেরও দায়িত্ব এই পদাধিকারীর। যা দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পরিচালনা করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কারণে মুনির একাই দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক ব্যক্তিত্ব। রিপোর্ট অনুসারে, নতুন পদটি মুনিরকে দেশের রাষ্ট্রপতির সমতুল্য আইনি সুরক্ষাও দিয়েছে। রাষ্ট্রপতির মতো ফিল্ড মার্শালকেও যেকোনও আইনি মামলা থেকে আজীবন দায়মুক্তি দেবে। বিমান বাহিনী এবং নৌবাহিনী প্রধানরাও এই সুবিধা পেয়ে থাকে। যদি মেয়াদ শেষে প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতিকে তিনি বলেন, তিনি পুনরায় নিযুক্ত হতে চান, তাহলে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সংশোধনী পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর উপর সে দেশের সরকারের প্রভাব কমাবে।  পাকিস্তানি মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, সিডিএফ এখন থেকে সেনাবাহিনীর ভাইস চিফ অফ আর্মি স্টাফ (ভিসিওএএস) পদে নিয়োগের সুপারিশ করার ক্ষমতা পাবে। যদিও পরে তা ফেডারেল সরকারের তরফে অনুমোদন করতে হবে। এর আগে, এই নিয়োগগুলি করার জন্য বিশেষাধিকার ছিল সরকারের।

Humayun Kabir: ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের ঘোষণা করায় তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হুমায়ুন, নতুন দল গড়বেন ২২ ডিসেম্বর

এই দিনকাল: অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রতিবাদে আগামী ৬ ডিসেম্বর বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের ঘোষণা করেছিলেন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)। আর তার জেরে দল থেকে তাঁকে সাসপেন্ড করে দিল জোড়াফুল শিবির। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দলের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। ঘটনাচক্রে এদিনই মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে জনসভা ছিল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই সভায় ডাকও পেয়েছিলেন ভরতপুরের বিতর্কিত বিধায়ক। যখনই জানতে পারেন দল তাঁকে ছেঁটে ফেলেছে, তখনই সভাস্থল ছেড়ে বেরিয়ে আসেন হুমায়ুন কবীর।

তৃণমূল কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবীর সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, আমি দলের তরফে এখনও কোনও চিঠি পাইনি। তবে অপেক্ষা করুন, অনেক কিছু বলার আছে। সেই সঙ্গে তিনি জানান, শুক্রবার কিংবা সোমবার বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেবেন তিনি। তাঁকে সাসপেন্ড করার পিছনে চক্রান্ত রয়েছে বলেও দাবি করেন। ৬ ডিসেম্বর মসজিদ নির্মাণ শুরুর যে কর্মসূচি তা অপরিবর্তিত থাকছে বলে জানান ভরতপুরের বিধায়ক। পাশাপাশি ২২ ডিসেম্বর নতুন দল ঘোষণার কথা জানান। শুধু তাই নয়, তাঁর নবগঠিত দল রাজ্যের ১৩৫ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে বলে জানান সাসপেন্ডেড বিধায়ক।

উল্লেখ্য, এই প্রথম নয়, এর আগেও দল থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন হুমায়ুন কবীর। ২০১৫ সালে তাঁকে ছ’বছরের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে নির্দল প্রার্থী হিসেবে রেজিনগরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। যদিও সেবারে পরাজিত হন। তার পর কংগ্রেসে ফেরেন। পরবর্তীতে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন হুমায়ুন। গেরুয়া শিবির তাঁকে সে বারে মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রে প্রার্থীও করেছিল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফেরেন তিনি। ভরতপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়ে বিধায়ক নির্বাচিত হন।

Maoists: নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যু ৭ মাওবাদীর, নিহত ২ জওয়ানও

এই দিনকাল: নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হল সাত মাওবাদীর (Maoists)। বুধবার ছত্তীসগঢ়ের বিজাপুর জেলায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মাওবাদীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যু হয়েছে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড এর দুই সদস্যের এবং জখম হয়েছেন আরও এক ডিআরজি জওয়ান।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত দুই ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড এর জওয়ানের নাম মনু ভাদাদি এবং দুকারু গোন্ডে। বুধবার বিজাপুর-দান্তেওয়াড়া জেলার সীমান্তবর্তী জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি যৌথ দল অভিযানে বের হয়। সেই দলে ছিলেন মনু এবং দুকারু। অভিযানের সময় মাওবাদীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয় বাহিনীর। বস্তার রেঞ্জ এর ইনস্পেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ সুন্দররাজ পাটিলিঙ্গম জানিয়েছেন, দান্তেওয়াড়া এবং বিজাপুরের ডিআরজি, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং কোবরা মাওবাদী বিরোধী এই অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সংঘর্ষস্থল থেকে সাত মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে তাদের নাম পরিচয় এখনও জানা সম্ভব হয়নি। পুলিশকর্তা জানান, ঘটনাস্থল থেকে একাধিক রাইফেল এবং অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পাটিলিঙ্গম বলেন, ‘এনকাউন্টারে শহীদ হয়েছেন ডিআরজি বিজাপুরের প্রধান কনস্টেবল মনু ভাদাদি এবং কনস্টেবল দুকারু গোন্ডে। আহত হয়েছেন ডিআরজি জওয়ান সোমদেব যাদব।’ আইজিপি আরও বলেন, আহত জওয়ানকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর পরবর্তী চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। তবে তিনি আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। বিজাপুরের পুলিশ সুপার জিতেন্দ্র যাদব বলেন, পশ্চিম বস্তার ডিভিশনে তল্লাশি জারি রয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে ছত্তীসগঢ়ে শুধু মৃত্যু হয়েছে ২৭০ জন মাওবাদীর। এর মধ্যে, বিজাপুর এবং দান্তেওয়াড়া-সহ সাতটি জেলা নিয়ে গঠিত বস্তার বিভাগে ২৪১ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। রায়পুর বিভাগের গড়িয়াবন্দ জেলায় ২৭ জন মাওবাদীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়া দুর্গ ডিভিশনের মোহলা-মানপুর-আম্বাগড় চৌকি জেলায় দুই মাওবাদী নিহত হয়েছেন। প্রসঙ্গত, দেশ মাওবাদী মুক্ত করতে ইতিমধ্যে দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিভিন্ন সভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, আগামী ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত মাওবাদী মুক্ত হবে।

Imran Khan: ‘বেঁচে আছেন ইমরান খান, জেলে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে’: সাক্ষাতের পর জানালেন বোন

এই দিনকাল: পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খাঁন (Imran Khan) বেঁচে রয়েছেন, তবে জেলের নির্জন কক্ষে তাঁকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে। ইমরানের সঙ্গে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে দেখা করার পর সংবাদ মাধ্যমকে এমনটাই জানালেন তাঁর বোন ডাঃ উজমা খান।

প্রাক্তন ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খানের সঙ্গে মঙ্গলবার সাক্ষাৎ করেন উজমা। সেই সাক্ষাতের পর ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) একটি বিবৃতি দিয়েছে।  তাতে বলা হয়েছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে ‘নির্জন কারাগারে রাখা হয়েছে এবং মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, উজমা ইমরানের সঙ্গে জেলে দেখা করে বাইরে এসে নিশ্চিত করেছেন, যে ইমরান খানের স্বাস্থ্য ভালো রয়েছে। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে একাধিক মামলায় ইমরান খানকে জেলের মধ্যে আটকে রাখা হয়েছে। গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে তাঁর সঙ্গে পরিবারের কাউকে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয়নি। যার ফলে নানান জল্পনা তৈরি হয়। ইমরান আদৌ বেঁচে আছেন কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। যদিও সেই জল্পনার মাঝে আদিয়ালা জেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, ইমরান ‘সুস্থ’ আছেন। বৃহস্পতিবার ইমরানের দল পিটিআই এক বিবৃতিতে জানায়, প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর এক বোন ডাঃ উজমা খানকে তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। 

পিটিআই কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভ প্রতিহত করতে সরকার ইতিমধ্যেই রাওয়ালপিন্ডি এবং ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। রাওয়ালপিন্ডির আটটি থানার অফিসার এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আদিয়ালা জেলের বাইরে রয়েছেন। পাকিস্তানের পাঞ্জাব সরকারের একজন কর্মকর্তা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আট কিলোমিটার এলাকা সম্পূর্ণভাবে সিল করে দেওয়া হয়েছে। স্কুল ও কলেজ বন্ধ রয়েছে। এলাকা দিয়ে যাতায়াত করার জন্য বাসিন্দাদের তাদের আইডি কার্ড দেখাতে হচ্ছে।’

এদিকে, ইমরান খানকে নির্জন কক্ষে রাখার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বাইরে বিক্ষোভ করেছেন একদল আইনজীবী। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী বলেছেন, ইসলামাবাদ এবং রাওয়ালপিন্ডিতে যে কোনও মূল্যে ১৪৪ ধারার প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, ‘ইসলামাবাদ হাইকোর্ট বা আদিয়ালা জেল, তারা যেখানেই আসুক না কেন, কোনও বাছবিচার ছাড়া ১৪৪ ধারার অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Sanchar Saathi App: সাইবার সুরক্ষার স্বার্থে অ্যাপল, স্যামসাং, শাওমিকে মোবাইলে বিশেষ অ্যাপ প্রিলোড করার নির্দেশ টেলিকম মন্ত্রকের 

এই দিনকাল: সাইবার সুরক্ষার স্বার্থে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে বিশেষ সরকার পরিচালিত অ্যাপ (Sanchar Saathi App) প্রিলোড (আগে থেকে ফোনে ইনস্টল থাকবে) করার নির্দেশ দিল ভারতের টেলিকম মন্ত্রক। এটি মোবাইল সফটওয়্যারের সঙ্গে এমন ভাবে থাকবে যাতে ব্যবহারকারীরা আর আনইনস্টল করতে না পারেন। গত ২৮ নভেম্বর এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

রিপোর্ট অনুসারে, শাওমি, ভিভো, ওপো, স্যামসাং এর মতো বড় বড় মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে মোদী সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে অ্যাপলের সঙ্গে সংঘাত তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, সংস্থাটি মোবাইল বিক্রির আগে কোনও সরকারি বা তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ তাদের ডিভাইসে প্রিলোডের অনুমতি দেয় না, অ্যাপলের নীতিমালার সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে।

সংস্থাগুলিকে ৯০ দিনের মধ্যে মোবাইলে সঞ্চার সাথী অ্যাপ প্রিলোড করার কথা বলা হয়েছে নির্দেশিকায়। এতে আরও বলা হয়েছে যে ব্যবহারকারীরা অ্যাপটি আনইনস্টল করতে পারবেন না। ইতিমধ্যে সাপ্লাই চেনে থাকা ফোনগুলিতে সফ্টওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে অ্যাপটি যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বের বৃহত্তম টেলিকম বাজারগুলির মধ্যে ভারত অন্যতম। দেশে ১.২ বিলিয়নেরও বেশি গ্রাহক রয়েছে। সূত্রের খবর, জানুয়ারিতে চালু হওয়া সঞ্চার সাথী অ্যাপ ইতিমধ্যেই ৭০০,০০০-এরও বেশি হারানো ফোন ট্র্যাক এবং পুনরুদ্ধারে সহায়তা করেছে। যার মধ্যে কেবল অক্টোবরে এই সংখ্যাটা ৫০,০০০। এই অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের আইএমইআই নম্বর যাচাই করতে, সন্দেহজনক কল রিপোর্ট করতে এবং চুরি হওয়া ডিভাইস ব্লক করতে সাহায্য করে। তবে এই নির্দেশিকা পাবার পর এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি স্যামসাং বা শাওমির কাছ থেকে।

Babri Demolition: বাবরি ধ্বংসের দিনকে শৌর্য দিবস ঘোষণা করে পিছু হঠল বিজেপি শাসিত রাজস্থান সরকার

এই দিনকাল: ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ (Babri Demolition) ধ্বংস করেছিল করসেবকরা। যে ঘটনা গোটা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। পর্যবেক্ষকদের মতে, ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রে ওই দিনটি ছিল একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। গত ৩০ নভেম্বর সেই দিনকেই ‘শৌর্য দিবস’ হিসেবে উদযাপন করার কথা ঘোষণা করেছিল বিজেপি শাসিত রাজস্থান সরকার। যদিও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করে পরে নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নেয় মরু রাজ্যের প্রশাসন।

৩০ নভেম্বর রাজস্থান সরকারের তরফে সমস্ত সরকারি অফিস এবং বেসরকারি স্কুলগুলিকে একটি চিঠি দেওয়া হয়। যেখানে নির্দেশ দেওয়া হয় ‘বাবরি ধ্বংস দিবস’কে ‘শৌর্য দিবস’ হিসেবে উদযাপনের জন্য। এই বিশেষ দিনটিতে বক্তৃতা এবং প্রবন্ধ লেখা আয়োজনের কথা বলা হয়েছিল। প্রস্তাবিত বিষয়গুলির মধ্যে ছিল ‘ভারতীয় মন্দির সংস্কৃতি এবং রাম আন্দোলনের গৌরব’, ‘সাহস ও ত্যাগের ঐতিহ্য’, ‘জাতি গঠনে যুবসমাজের ভূমিকা’। এ ছাড়া ‘অযোধ্যায় রাম মন্দির’ এর মতো বিষয়ের উপর ছবি আঁকা এবং পোস্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

বিকানেরের ডিরেক্টর অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন সীতা রাম জাটের তরফে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলগুলিতে দেশাত্মবোধক গান, নাটক পরিবেশন এবং রাম মন্দির নির্মাণের বিস্তারিত প্রদর্শনী আয়োজন করার কথা বলা হয়েছিল। তাতে আরও বলা হয়, দেশের ঐক্য ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ রক্ষা করার জন্য পড়ুয়াদের শপথ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি অযোধ্যার রাম মন্দিরকে সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ এবং জাতীয় গর্ব পুনরুদ্ধারের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করার জন্য শিক্ষার্থীদের অঙ্গীকার করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ভগবান রামকে স্মরণ করে স্তোত্র ও ভজনের পরিকল্পনাও ছিল।

রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলওয়ার সংবাদ মাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আমরা এটাকে বাবরি ধ্বংস বলব না। এটি মূলত একটি রাম মন্দির ছিল যা ৫০০ বছর আগে বাবর ধ্বংস করেছিলেন। মন্দির পুনর্নির্মাণের জন্য একটি আন্দোলন হয়েছে; এর জন্য প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং অনেক করসেবককেও গুলি ছোঁড়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বহাল রেখেছে, যে এটি রামের জন্মস্থান এবং এখানে একটি রাম মন্দির তৈরি করা উচিত। ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯২ সালে করসেবকরা বিতর্কিত কাঠামো ভেঙে ফেলে। এটি ছিল সাহসিকতার কাজ এবং আমরা এটিকে শৌর্য দিবস হিসেবে উদযাপন করব।’ 

কিন্তু এত তর্জন গর্জন শেষে ভজন লাল সরকার শৌর্য দিবসের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়। নাটকীয়ভাবে সরকারের তরফে বলা হয়, শৌর্য দিবস সংক্রান্ত মিডিয়া রিপোর্টগুলি ভিত্তিহীন। শুধু তাই নয় সীতা রাম জাটের তরফে জারি করা গত ৩০ নভেম্বরের নির্দেশকে ‘ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করা হয়। শিক্ষামন্ত্রীর দফতরের তরফে সংবাদ মাধ্যমকে জানানো হয়, ‘শিশুদের পরীক্ষা থাকায় অনুষ্ঠানটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।’ যদিও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজস্থানে সামনেই পঞ্চায়েত এবং পুরসভার নির্বাচন রয়েছে। সেই কারণে এই শৌর্য দিবস পালন করে বিতর্ক বাড়াতে চাইবে না বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

Dalit: স্কুলের দলিত রাঁধুনির হাতে খেতে আপত্তি! বৈষম্যের অভিযোগে ৬ অভিভাবককে কারাদণ্ড তামিলনাড়ুর আদালতের

এই দিনকাল: স্কুলের দলিত (Dalit) রাঁধুনির হাতে খাবার খেতে আপত্তি! শুধু তাই নয় প্রশাসনের উপর চাপ তৈরি করে সেই মহিলা রাঁধুনিকে বদলি করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে তামিলনাড়ুর একটি সরকারি স্কুলের এই ঘটনায় বৈষম্যের অভিযোগে এসসি এসটি আইনের আওতায় ছয় জনকে দোষী সাব্যস্ত করল বিশেষ আদালত। দোষীদের দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ৪৪ বছর বয়সী ওই দলিত রাঁধুনির নাম পি পাপ্পাল। তিনি তিরুমালাই গৌন্ডম্পালয়ামের সরকারি উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে রাঁধুনি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আইনজীবী জানান, দোষী সাব্যস্ত হওয়া ছয় অভিভাবক – পি পালানিসামি গাউন্ডার, এন শক্তিভেল, আর শানমুগাম, সি ভেলিংগিরি, এ দুরাইসামি এবং ভি সীতা লক্ষ্মী। তাঁরা জাতপাত সংক্রান্ত বৈষম্যের কারণে পড়ুয়াদের জন্য ওই দলিত রাঁধুনির রান্নার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ঘটনা এমনদিকে মোড় নেয় যে পাপ্পালকে বদলি করে দেওয়া হয়। অভিভাবকদের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে তামিলনাড়ু অস্পৃশ্যতা নির্মূল ফ্রন্ট। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়। 

২০১৮ সালের জুলাই মাসে পাপ্পালের তরফে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পেয়ে চেউর পুলিশ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে এসসি/এসটি আইনের আওতায় মামলা দায়ের করে। তদন্তে নেমে আট জনকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সুরেশ অভিযুক্তদের মধ্যে ছয় জনকে দোষী সাব্যস্ত করেন। তাঁদের প্রত্যেককে ৫,০০০ টাকা করে জরিমানা-সহ দুই বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। এই ঘটনায় প্রমাণের অভাবে আরও ২৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়। মামলার বিচার চলাকালীন চার অভিযুক্তের মৃত্যু হয়। দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিদের কোয়েম্বাটুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাপ্পালের আইনজীবী পিপি মোহন সাংবাদিকদের বলেন, ন্যায়বিচার এখনও অসম্পূর্ণ। তিনি বলেন, বিডিও এবং বেশ কয়েক জন পুলিশ কর্মী-সহ আধিকারিক, যাঁরা অভিভাবকদের চাপে রাঁধুনিকে বদলি করেছিলেন, ‘তাঁদেরকেও জবাবদিহি করতে হবে।’

Maoist: ১ জানুয়ারি যৌথভাবে আত্মসমর্পণের ঘোষণা এমএমসি জোনের মাওবাদী নেতৃত্বের

এই দিনকাল: যৌথভাবে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত মহারাষ্ট্র-মধ্যপ্রদেশ-ছত্তিশগড় (Maharashtra–Madhya Pradesh–Chhattisgarh zone) (এমএমসি) জোনের মাওবাদীদের (Maoists)। আগামী ১ জানুয়ারি, ২০২৬ সালে একসঙ্গে তাঁরা আত্মসমর্পণের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন এমএমসি জোনের মুখপাত্র অনন্ত। তাঁর নামে জারি করা একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত ভাবে আত্মসমর্পণের চেয়ে সমাজের সঙ্গে ‘সম্মিলিত ভাবে এবং সম্মানজনক ভাবে মিশতে’ চান তাঁরা।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সিনিয়র নেতা মাল্লোজুলা এবং আশান্নার আত্মসমর্পণ, শীর্ষ কমান্ডার হিডমার নিহত হওয়ার পর মাওবাদী সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়েছে। সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, ‘কেন্দ্রীয় সরকার বারবার আমাদের কাছে আবেদন করার পর ক্যাডাররা আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ ক্যাডাররা অস্ত্র সমর্পণ করে সরকারের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে যোগ দেবেন বলেও বার্তায় জানানো হয়েছে। 

অনন্ত বলেছেন, তিন রাজ্যের সরকার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিলে এবং স্বচ্ছ ভাবে পুনর্বাসন দিলে তবে তাঁরা মূলধারায় ফিরে আসবেন। তিনি অভিযোগ করেন, আগে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা ‘কাগজেই রয়ে গেছে’। পাশাপাশি আত্মসমর্পণকারী সদস্য ও তাঁদের পরিবারের জন্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়নি।

মাওবাদী সংগঠনের তরফে মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড় সরকারকে আগামী ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অভিযান বন্ধ রাখার আর্জি জানানো হয়েছে। বিনিময়ে, তাঁরাও সমস্ত ধরণের সশস্ত্র কার্যকলাপ বন্ধ রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বার্তায় অনন্ত বলেছেন, ‘আমরা সকলেই একইদিনে একসঙ্গে যাব যাতে আমাদের ঐক্য বজায় থাকে।’ তিনি বলেন, আত্মসমর্পণের এই সিদ্ধান্ত ‘সম্মিলিত দলীয় কৌশলের’ অংশ এবং এটি সংগ্রামের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা নয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের লক্ষ্য কেবল আত্মসমর্পণ নয় বরং সমাজের সঙ্গে একটি মর্যাদাপূর্ণ পুনর্মিলন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের লড়াই ছিল সর্বদা জনগণের জন্য, তাঁদের বিরুদ্ধে নয়।’ এতে আরও বলা হয়েছে, পরিবর্তিত জাতীয় ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সংগঠনকে টিকিয়ে রাখতে এবং স্থানীয় গোষ্ঠীর কল্যাণের জন্য নেতৃত্ব এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

মাওবাদী সংগঠনের মুখপাত্র সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ এই প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করার জন্য। সেই সঙ্গে অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি করা এড়াতে আবেদন করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, ক্যাডার এবং তাঁদের পরিবার ‘শান্তি এবং সমাজে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন চান।’