Author Archives: Ei Dinkal

Sacrifice For Treasure: গুপ্তধনের লোভে এক বছরের শিশুকে বলি দেওয়ার চেষ্টা, হাড়হিম করা ঘটনা কর্নাটকে

এই দিনকাল: গর্ত খোঁড়া সম্পন্ন, আনা হয়েছে ফুল ও ধূপ। উদ্দেশ্য এক বছর বয়সী এক শিশুকে বলি (Sacrifice For Treasure) দেওয়া। ঘটনাটি কর্নাটকের। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে সম্বল করে যে দেশ চাঁদে অভিযান করছে, প্রতিনিয়ত উন্নতিতে আরও এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে সেই ভারতবর্ষে কুসংস্কারের এই অন্ধকারময় ছবি ধরা পড়ল। ভ্রান্ত ও কাল্পনিক ধারণার বশবর্তী হয়ে ওই শিশুকে বলি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এক ব্যক্তি। যদিও শেষ মুহূর্তে প্রশাসনের তৎপরতায় প্রাণ বাঁচে একরত্তির।

রিপোর্ট অনুসারে, ‘গুপ্তধনের’ লোভে ওই শিশুকে বলি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কর্নাটকের বেঙ্গালুরু গ্রামীণ জেলায় একটি বাড়ির ভেতরে সেই কাজ সম্পন্ন করার জন্য গর্ত খোঁড়া হয়েছিল। ধর্মীয় আচারও চলছিল। কিন্তু শিশুটির জীবন বাঁচে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের চেষ্টায়। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানায় তারা। এ খবর পেয়ে আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে চমকে যান। তারা বলি হতে চলা এক বছর বয়সী শিশুকে উদ্ধার করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যে ব্যক্তির বাড়িতে এই ভয়াবহ কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হয়েছিল, সেই বাড়ি মালিকের নাম সৈয়দ ইমরান।

পুলিশের এক কর্তা জানান, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা প্রশাসনকে খবর দিলে জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিটের আধিকারিকরা ওই বাড়িটিতে গিয়ে তল্লাশি চালান। মাঝপথেই গোটা প্রক্রিয়াটি বন্ধ করে দেন তারা। ছোট গর্তটির কাছ থেকে ধূপ ও ফুল পাওয়া গেছে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, শিশুটিকে একটি চাইল্ড কেয়ার সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Homebound: চোখে চোখ রেখে বলতে পারা এক ভারতবর্ষের গল্প 

আকাশ রায়

দূর পাহাড়ের পাথরে লেখা গল্প। একজন থেকেও নেই, আরেকজন ফাঁকি দিয়েছে কয়েকদিন। হোমবাউন্ড (Homebound) আসলে অন্য ভারতবর্ষের গল্প শোনায়। যে ভারতবর্ষে মেনস্ট্রিম মিডিয়ার একজন সাংবাদিক নজরুলের ‘একই বৃন্তে দুটি কুসুম’-কে বিকৃত করেন, যে ভারতবর্ষে শুধুমাত্র ধর্মের কারণে ভাগ হয়ে যায় দুটো মন, দুটো মেরু, এই সিনেমাটি তাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখায়, দেখায় ‘এমন দ্বিধার পৃথিবীতে’ যখন আমাদের চোখের চামড়া পুরু হয়ে ওঠে, তখন বাস্তবতার মহত্ত্ব উদযাপনে একটা হোমবাউন্ড লাগে।

ধর্মের ভিত্তিতে স্বাধীনতা পাওয়া এই ভারতবর্ষের ৭৮ বছর পরও শোয়েবকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের দিন বুলি হতে হয় আর চন্দনকে জেনারেল কাস্টের ছদ্মবেশ নিতে হয় সামাজিক ব্যাধি থেকে বাঁচতে। শুধুমাত্র নিচু জাতের হওয়ার কারণে মিথ্যে হয়ে যায় চন্দনের মায়ের হাতের স্নেহময় রান্না অথবা শিশুদের পরিচ্ছন্নতার পাঠ দেওয়া চন্দনের বোনের শিক্ষা।

কোভিড আসলে দেখিয়েছে অনেককিছুই। ডালগোনা কফি আর বোর হওয়ার স্মৃতিটুকু সরিয়ে দিলে চোখের সামনে ভেসে ওঠে হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিকের পায়ের সম্মিলিত আওয়াজ, মুখে গামছা বেঁধে হেঁটে চলা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে। সামাজিক অবক্ষয়, নিয়মিত শোষিতের পরিচয় নিয়ে বেঁচে থাকা চন্দনের স্বপ্ন ছিল একটা লাঠি, একটা চেয়ার। দুনিয়া বদলে দিতে চাওয়া এক তরুণের নিদারুণ স্বপ্ন, অন্য দিকে অসুস্থ বাবার চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতে করতে নিজেকে নিয়ে চলে আসা ধর্মের চটুল রসিকতায় চিৎকার করে ওঠা শোয়েব। সে জানে তার এই চিৎকারে পাল্টাবে না কিছুই। এ পৃথিবী চিরকালই ক্ষমতার আস্ফালন দেখেছে, কিছুটা অসহায় হয়ে মেনেও নিয়েছে। এসব কিছুর পরেও হোম্বাউন্ড আপনাকে ভাবাবে, নিজের ভেতরের শোয়েব অথবা চন্দনকে একবার হলেও খোঁচা দেবে। এই জাগরণের কথাই আগাগোড়া বলে গেল হোমবাউন্ড। শিল্প দুনিয়া বদলাতে পারুক অথবা না পারুক, নিজেকে বদলে নেওয়ার একটা হাতছানি দিচ্ছে সিনেমাটি, আপনি প্রস্তুত?

India Pakistan: দেশে কতগুলি পরমাণু কেন্দ্র রয়েছে? পরস্পরকে হিসেব দিল ভারত ও পাকিস্তান

এই দিনকাল: পহেলগাঁও কাণ্ড এবং তার পর অপারেশন সিঁদুর অভিযানের পর ভারত ও পাকিস্তানের (India Pakistan) মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। তবে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা থাকলেও নিয়ম মেনে পরস্পরকে পরমাণুকেন্দ্রের (nuclear installations) হিসেব দিল নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ। পাশাপাশি নিজেদের হেফাজতে পড়শি দেশের কত জন বন্দী রয়েছে সেই সংক্রান্ত তালিকাও বিনিময় করা হয়েছে উভয়ের মধ্যে। বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি এই তালিকা বিনিময় করা হয়েছে বলে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর। 

বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তান নিজেদের দেশে থাকা পারমাণবিক কেন্দ্রগুলির তালিকা পরস্পরকে দিয়েছে। ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত হওয়া একটি চুক্তির আওতায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে এই নিয়ম চলে আসছে। ওই চুক্তি অনুসারে, উভয় দেশ প্রতি বছর ১ জানুয়ারি পারমাণবিক কেন্দ্র সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় করে।

এর পাশাপাশি ২০০৮ সালের কনস্যুলার অ্যাক্সেস সংক্রান্ত চুক্তি অনুসারে ভারত নিজেদের হেফাজতে থাকা পাক বেসামরিক বন্দী ও জেলেদের তালিকাও ইসলামাবাদকে দিয়েছে। পাকিস্তানও সে দেশে বন্দী থাকা সাধারণ ভারতীয় নাগরিক ও মৎস্যজীবীদের তালিকা নয়াদিল্লিকে দিয়েছে। সূত্রের খবর, ভারতের হেফাজতে পাকিস্তানের ৩৯১ জন বেসামরিক বন্দী এবং ৩৩ জন জেলে রয়েছেন। পাশাপাশি পাকিস্তানে বন্দী রয়েছেন ৫৮ জন ভারতীয় বেসামরিক বন্দী এবং ১৯৯ জন জেলে।

Gang Rape: চলন্ত গাড়িতে ২ ঘন্টা ধরে মহিলাকে গণধর্ষণ, হাড়হিম করা ঘটনা ফরিদাবাদে

এই দিনকাল: গাড়িতে তুলে দু ঘন্টা ধরে গণধর্ষণ (Gang Rape) মহিলাকে। ভয়াবহ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের ফরিদাবাদে। বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ২৮ বছর বয়সী ওই মহিলার উপর শারীরিক অত্যাচার করা হয় বলে অভিযোগ। ধর্ষণ করার পর তাঁকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবারে ভোরে এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রিপোর্ট অনুসারে, নির্যাতিতা মহিলা বিবাহিত। সোমবার রাতে বাড়ি ফেরার জন্য রাস্তায় গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। সেই সময় একটি গাড়ি এসে দাঁড়ায় তাঁর কাছে। গাড়ির ভিতর থেকে দুই যুবক তাঁকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। এর পর মহিলাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে তারা গুরগাঁও রোডের দিকে যায়। অভিযোগ, চলন্ত গাড়ির মধ্যে দু ঘন্টা ধরে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়। নির্যাতিতা বাধা দিলেও অভিযুক্তরা অত্যাচার চালিয়ে যেতে থাকে। মহিলাকে হুমকি দেয় বলেও অভিযোগ। রাত ৩টে নাগাদ এসজিএম নগরের রাজা চকের কাছে মহিলাকে চলন্ত গাড়ি থেকে ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। মহিলার মুখে গুরুতর আঘাত হয় এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

ঘটনার পর নির্যাতিতার সঙ্গে ফোনে কথা হয় তাঁর বোনের। ঘটনাটি জানতে পেরে তাঁর বোন পরিবারের লোকজনকে জানান। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাঁর মুখে ১০ থেকে ১২টি সেলাই করেছেন চিকিৎসক। জানা গিয়েছে, নির্যাতিতার অবস্থা স্থিতিশীল। তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন। যদিও তাঁর বয়ান এখনও রেকর্ড করা হয়নি। নির্যাতিতার বোন অভিযোগ করেছেন, ঘটনার আগের রাত ৮.৩০ নাগাদ ওই মহিলা তাঁকে ফোন করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন মায়ের সঙ্গে ঝগড়া হওয়ার কারণে তিনি তাঁর বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছেন। তবে তিন ঘন্টার মধ্যে তিনি বাড়ি ফিরে আসবেন। জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা মহিলার তিন সন্তান রয়েছে। পারিবারিক ঝামেলার কারণে তিনি স্বামীর থেকে আলাদা থাকেন। তবে অভিযোগ পাওয়ার পর ইতিমধ্যে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

CPDRS: ক্যানিংয়ে মহিলা হোমগার্ডের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি সিপিডিআরএস-এর

এই দিনকাল: গত শনিবার ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয় মহিলা হোমগার্ড গুলজান পারভিন মোল্লা ওরফে রেশমি মোল্লার ঝুলন্ত দেহ। তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। ক্যানিং থানারই একজন সাব ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। এই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে ক্যানিং থানায় ডেপুটেশন দিল মানবাধিকার সংগঠন সিপিডিআরএস (CPDRS)।

মঙ্গলবার সিপিডিআরএস রাজ্য কমিটির সদস্য সেরিফ হোসেন পুরকাইতের নেতৃত্বে সংগঠনের একটি দল ক্যানিং থানার আইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এদিন সেরিফ হোসেন এই দিনকালকে বলেন, ‘পুলিশ ব্যারাকে পুলিশ কর্মীর দ্বারা যদি আরেক জন পুলিশ কর্মীকে নির্যাতন ও খুনের অভিযোগ আসে, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? অবিলম্বে দোষীকে গ্রেফতার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’

উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয় পারভিনের দেহ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন ওই পুলিশ কর্মী। শুক্রবার তাঁকে ফোন করেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু ফোনে না পেয়ে কোয়ার্টারে গিয়েছিলেন পারভিনের বোন রুকসানা। তিনিই দিদির ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে বাড়ির লোককে জানান। পরে পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। মৃত হোমগার্ডের পরিবারের দাবি, রেশমি আত্মহত্যা করেননি। তাঁকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ক্যানিং থানারই সাব-ইনস্পেক্টরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে পরিবার। অভিযুক্ত সাব-ইনস্পেক্টরের সঙ্গে পারভিনের প্রেমঘটিত সম্পর্ক ছিল বলে দাবি মৃতের পরিবারের।

Pollution: বায়ু দূষণে বিষাক্ত দিল্লি! পড়ুয়াদের স্কুলমুখী হতে নিষেধ, সমস্ত অফিসের অর্ধেক কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ

এই দিনকাল: বিষাক্ত (Pollution) বায়ুতে ঢেকেছে রাজধানী শহর দিল্লি। আর সে কারণে দিল্লির সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়াদের শিক্ষাঙ্গনে আসতে নিষেধ করা হল। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। পাশাপাশি সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিসের ৫০ শতাংশ কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দিল্লির শিক্ষা অধিদফতরের তরফে ১৫ ডিসেম্বর জারি করা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্কুলগুলি এখন কেবল পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য অনলাইনে ক্লাস নিতে পারবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দিল্লিতে বায়ুর গুণগত সূচক (AQI) উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সে কারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়াদের শ্রেণীকক্ষে এসে ক্লাসের বন্দোবস্ত বন্ধ থাকবে। শহরের সমস্ত সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং বেসরকারি স্কুলের জন্য পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ বহাল থাকবে। সমস্ত স্কুল প্রধানদের এই শ্রেণীর পড়ুয়াদের জন্য অনলাইনে ক্লাস নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যায় দিল্লি সরকার স্কুলগুলিকে হাইব্রিড ক্লাসের বন্দোবস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল। অর্থাৎ অফলাইনে অথবা অনলাইনে পড়ুয়ারা যাতে ক্লাসে অংশ নিতে পারে সেই ব্যবস্থা করার। দূষণ রুখতে দিল্লি সরকার গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান (GRAP) পর্যায় ৪ বাস্তবায়নের ঘোষণা করার পর এই নির্দেশ দেওয়া হয়। তার কয়েক ঘন্টা আগে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান ৩ (GRAP 3) বাস্তবায়নের ঘোষণা করেছিল রেখা গুপ্তের সরকার। দূষণ রোধে এই বিধিমালার আওতায় সমস্ত বেসরকারি এবং সরকারি স্কুলকে একাদশ শ্রেণী পর্যন্ত (দশম শ্রেণী ছাড়া) হাইব্রিড মোডে ক্লাস পরিচালনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে, বায়ুর গুণগত সূচক (AQI) আরও খারাপ হতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি বিবেচনা করে, দিল্লি সরকার পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য সমস্ত অফলাইন ক্লাস স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘দিল্লির সমস্ত সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং বেসরকারি স্কুলগুলির প্রধানকে এই নির্দেশ অনুসরণ করার এবং অবিলম্বে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের কাছে এই তথ্য পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ আরও বলা হয়েছে, ‘সমস্ত জোন ও জেলাকে (DDE) উপরোক্ত নির্দেশগুলি সুষ্ঠুভাবে পালন সুনিশ্চিত করার জন্যও অনুরোধ করা হচ্ছে।’ স্কুলের পাশাপাশি সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলিকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, কেবলমাত্র ৫০ শতাংশ কর্মীকে অফিসে ডাকতে হবে এবং বাকি ৫০ শতাংশ কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজের সুযোগ (WFH) করে দিতে হবে।

Lionel Messi: রবি সন্ধ্যার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম মাতালেন মেসি, সচিনের সঙ্গে করলেন স্মারক বিনিময়

এই দিনকাল: কলকাতা পারেনি। হায়দরাবাদ পেরেছে, মুম্বইও সফল। ফুটবলের রাজপুত্র লিয়োনেল মেসিকে (Lionel Messi) কোনও ঝঞ্জাট ছাড়াই বরণ করে নিল রবিবারের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস থেকে শুরু করে ‘ক্রিকেটের ঈশ্বর’ সচিন তেন্দুলকর (Sachin Tendulkar)। ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হিসেবে সচিন এদিন মেসির হাতে তুলে দেন নিজের ১০ নম্বর জার্সি। মেসিও শচিনকে দেন একটি ফুটবল। দুই কিংবদন্তি যখন উপহার বিনিময় করছেন, তখন ভরা স্টেডিয়াম ফুটছে অকল্পনীয় উন্মাদনায়।

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন মেসির সঙ্গে ছিলেন লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো ডি’পল। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের তারকার সঙ্গে সাক্ষাতের পর মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে সচিন বলেন, ‘আমি এখানে কিছু অবিশ্বাস্য মুহূর্ত কাটিয়েছি। আমরা মুম্বইকে স্বপ্নের শহর বলি, এই ভেন্যুতে অনেক স্বপ্নই শেষ রেখা দেখেছে। আপনাদের সমর্থন ছাড়া, ২০১১ সালে এই মাঠে আমরা কখনও সেই সোনালী মুহূর্তগুলি দেখতে পেতাম না। এবং আজ, তাঁদের তিন জনকেই এখানে পাওয়া মুম্বই, মুম্বইবাসী এবং ভারতের জন্য একটি সোনালী মুহূর্ত। তিন জনকেই যেভাবে স্বাগত জানানো হয়েছে তা অসাধারণ। যদি আমাকে তাঁর খেলার কথা বলতে হয়, তবে এটি সঠিক জায়গা নয়। কিন্তু কেউ তাঁর সম্পর্কে কী বলবে, তিনি সবকিছু অর্জন করেছেন। আমরা তাঁর নিষ্ঠা, দৃঢ়তা, প্রতিশ্রুতি এবং সর্বোপরি, তার নম্রতা এবং তাঁর ব্যক্তিত্বের জন্য এত ভালবাসা জানাই। সমস্ত মুম্বইবাসীর পক্ষ থেকে, তাঁকে এবং তাঁর পরিবারের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। আপনাদের সকলকে, এখানে উপস্থিত থাকার এবং আমাদের তরুণদের উৎসাহিত করার জন্য আবারও ধন্যবাদ। আমি আশা করি ফুটবলও আমাদের সকলের আকাঙ্ক্ষার উচ্চতায় পৌঁছাবে।’

রবিবার গোট কনসার্টের শুরুতে একটি প্রীতি ম্যাচ হয়। ইন্ডিয়া স্টার্স বনাম মিত্রা স্টার্সের মধ্যে হওয়া সেই ম্যাচে ভারতীয় ফুটবলার সুনীল ছেত্রী হেডে গোল করেন।মেসিও পেনাল্টিতে গোল করেন। মাঠে এদিন বেশ খোশ মেজাজে দেখা যায় আর্জেন্টিনার কিংবদন্তিকে। অনেকবার তাঁকে দেখা যায় দর্শকদের দিকে হাত নাড়িয়ে অভিবাদন কুড়াতে।

Lionel Messi: মেসির কলকাতা সফরে কলঙ্ক: মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষমা প্রার্থনা, উদ্যোক্তা গ্রেফতার, সারা দিনে কী কী ঘটল?

এই দিনকাল: বিশ্বের প্রথমসারির ফুটবল তারকা, যাঁকে ‘গোট’ নামে অভিহিত করেন ভক্তরা। সেই লিয়োনেল মেসির (Lionel Messi) কলকাতা সফর ঘিরে যে উন্মাদনা আগে থেকেই তৈরি হয়েছিল, তা ক্ষোভে রূপান্তরিত হল শনিবার সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে। বহু মূল্যে টিকিট কেটেও এদিন প্রিয় তারকাকে ভাল করে দর্শন না করতে পেরে মাঠের মধ্যে চেয়ার, জলের বোতল ছুঁড়ে দিলেন ভক্তরা। তৈরি হল তুমুল বিশৃঙ্খলা। এদিন নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ছাড়েন মেসি। গোটা ঘটনায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন বিশৃঙ্খলার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন মেসি এবং তাঁর ভক্তদের কাছে। পাশাপাশি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে মেসিকে কলকাতায় নিয়ে আসার উদ্যোগ নিয়েছিলেন যিনি, সেই শতদ্রু দত্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবারের বিশৃঙ্খলা নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছে বিজেপি। বিশ্বমঞ্চে বাংলা হেয় প্রতিপন্ন হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছে পদ্ম শিবির। যদিও মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমা চেয়ে এক জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। ঘটনায় বিবৃতি দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও। তিনি আয়োজককে গ্রেফতার এবং ফুটবলপ্রেমীদের টিকিটের টাকা ফেরতের নির্দেশ দিয়েছেন।

সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ঠিক কী ঘটেছিল

বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ ফুটবলপ্রেমীর আইকন লিয়োনেল মেসি তিন দিনের ভারত সফরের প্রথম পর্যায়ে শনিবার ভোরে কলকাতায় পৌঁছন। শহরে নিজের একটি মূর্তি উন্মোচন করেন তারকা। এর পর, সল্টলেক স্টেডিয়ামে পৌঁছন। যেখানে তাঁর হাজার হাজার ভক্ত টিকিট কেটে জড়ো হয়েছিলেন প্রিয় ফুটবলারকে এক ঝলক দেখার জন্য। তবে সেই আনন্দ ছিল ক্ষণস্থায়ী। কারণ মাঠের মধ্যে মেসিকে ঘিরে ছিলেন নেতা মন্ত্রী থেকে শুরু করে টলিউডের অভিনেত্রী। সেই ভিড়ের কারণে ফুটবল আইকনকে দেখতে পাননি ভক্তরা। সেই অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ ঘটে মাঠের মধ্যে চেয়ার এবং জলের বোতল ছুঁড়ে দেওয়ার মাধ্যমে। অনেকেই মাঠে ঢুকে পড়েন। কেউ কেউ স্টেডিয়ামে ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় দ্রুত। এর পর মাঠে নামানো হয় র‍্যাফ, পুলিশ। মেসিকে তড়িঘড়ি সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কলকাতার পর মেসির পরবর্তী গন্তব্য ছিল এদিন হায়দরাবাদ। প্রসঙ্গত, এদিনই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় ক্রীড়া উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে।

Census 2027: ২০২৬ ও ২৭ সালে ভারতজুড়ে জনগণনা, ১১৭১৮ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

এই দিনকাল: আগামী ২০২৬ ও ২০২৭ (Census 2027) সালে ভারতজুড়ে জনগণার কাজ হবে। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে জনগণনার জন্য বাজেটে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, জনগণনার জন্য খরচ হবে ১১,৭১৮.২৪ কোটি টাকা। 

ভারতের জনগণনা হল বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রশাসনিক ও পরিসংখ্যানগত প্রক্রিয়া। রিপোর্ট অনুসারে, দুটি পর্যায়ে এই গণনা হবে। প্রথমত, ২০২৬-এর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বাড়ি এবং আবাসনগুলিতে গিয়ে গণনা চালানো হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জনগণনা বা পপুলেশন এন্যুমারেশন (পিই) এর কাজ হবে। তবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখ, জম্মুকাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখন্ডে প্রবল শীতের কারণে সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এ জনগণনা করা হবে।

সূত্রের খবর, বিশ্বের জনবহুল দেশের জনগণনার কাজে প্রায় ৩০ লক্ষ কর্মী অংশ নেবেন। পরিসংখ্যানের কাজ নির্ভুল করার লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহের জন্য মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করা হবে। এরপর, একটি স্বচ্ছ তালিকা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের হাতে তুলে দেওয়া হবে। ২০২৬ সালে শুরু হওয়া এই জনগণনার কাজে অংশ নেবেন রাজ্য সরকারের নিয়োগ করা শিক্ষকরা। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রথম দেশে জনগণনার ক্ষেত্রে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে কাজে লাগানো হচ্ছে। এ ছাড়া জনগণনার কাজ তদারকি ও পরিচালনার জন্য সেন্সাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (সিএমএমএস) পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে। দেশজুড়ে ব্যাপক প্রচারাভিযান চালানো হবে। ৩০ লক্ষ কর্মীর মধ্যে থাকবেন এন্যুমারেটর, সুপার ভাইজার, মাস্টার ট্রেনার, চার্জ অফিসার এবং প্রিন্সিপাল/জেলা সেন্সাস অফিসার। জনগণনার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের উপযুক্ত সাম্মানিক ভাতাও দেওয়া হবে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। 

রিপোর্ট অনুসারে, আসন্ন জনগণনার কাজে স্থানীয় স্তরে প্রায় ৫৫০ দিন ধরে ১৮,৬০০ জন কারিগরি কর্মীকে নিযুক্ত করা হবে। অর্থাৎ, ১.০২ কোটি মনুষ্য-দিবস তৈরি হবে। প্রসঙ্গত, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এটি অষ্টম জনগণনা হতে চলেছে।

Bangladesh General Election: বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি, নির্ঘন্ট ঘোষণা কমিশনের, ভোটে অংশ নিতে পারবে না আওয়ামী লীগ

এই দিনকাল: বহু প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের (Bangladesh General Election) দিনক্ষণ ঘোষণা করল সে দেশের নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীন জাতির উদ্দেশে ভাষণে ত্রয়োদশ সাধারণ নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে ৩০০ আসনে ভোট গ্রহণ হবে। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নেও গণভোট আয়োজিত হবে। নাসির উদ্দীন জানান, সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া চলবে।

বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ২৯ ডিসেম্বর। এর পর মনোনয়নপত্র বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং আধিকারিকের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে হবে ১১ জানুয়ারি। এর পর ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি আপিলের নিষ্পত্তি হবে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। সাধারণ নির্বাচনের জন্য চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ২১ জানুয়ারি। ওই দিনেই প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। কমিশন জানিয়েছে, ২২ জানুয়ারি থেকে রাজনৈতিক দলগুলি নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবে। যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত।

বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বর্তমানে সে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৬ লক্ষের বেশি। প্রবাসী বাংলাদেশিরাও পোস্টাল ব্যলটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। নাসির উদ্দীন জানান, ইতিমধ্যে তিন লক্ষের বেশি প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন করেছেন ভোট দেওয়ার জন্য। উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে পড়ে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে পালান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই বছরেই ৮ আগস্ট মুহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়। ইউনুস দায়িত্ব নেওয়ার ১৬ মাসের মাথায় বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন জাতীয় নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা করল।

অন্যদিকে, আসন্ন এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগ (Awami League)। কারণ দলটির নিবন্ধন স্থগিত করেছে সে দেশের নির্বাচন কমিশন। কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলিই কেবল দলীয় প্রতীকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে। বর্তমানে বাংলাদেশে নিবন্ধিত দল রয়েছে বিএনপি-সহ ৫৬টি। তবে কেউ চাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারবেন।