Maoist: ১ জানুয়ারি যৌথভাবে আত্মসমর্পণের ঘোষণা এমএমসি জোনের মাওবাদী নেতৃত্বের

এই দিনকাল: যৌথভাবে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত মহারাষ্ট্র-মধ্যপ্রদেশ-ছত্তিশগড় (Maharashtra–Madhya Pradesh–Chhattisgarh zone) (এমএমসি) জোনের মাওবাদীদের (Maoists)। আগামী ১ জানুয়ারি, ২০২৬ সালে একসঙ্গে তাঁরা আত্মসমর্পণের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন এমএমসি জোনের মুখপাত্র অনন্ত। তাঁর নামে জারি করা একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, ব্যক্তিগত ভাবে আত্মসমর্পণের চেয়ে সমাজের সঙ্গে ‘সম্মিলিত ভাবে এবং সম্মানজনক ভাবে মিশতে’ চান তাঁরা।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সিনিয়র নেতা মাল্লোজুলা এবং আশান্নার আত্মসমর্পণ, শীর্ষ কমান্ডার হিডমার নিহত হওয়ার পর মাওবাদী সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়েছে। সংগঠনের তরফে বলা হয়েছে, ‘কেন্দ্রীয় সরকার বারবার আমাদের কাছে আবেদন করার পর ক্যাডাররা আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’ ক্যাডাররা অস্ত্র সমর্পণ করে সরকারের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে যোগ দেবেন বলেও বার্তায় জানানো হয়েছে। 

অনন্ত বলেছেন, তিন রাজ্যের সরকার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিলে এবং স্বচ্ছ ভাবে পুনর্বাসন দিলে তবে তাঁরা মূলধারায় ফিরে আসবেন। তিনি অভিযোগ করেন, আগে পুনর্বাসনের প্রচেষ্টা ‘কাগজেই রয়ে গেছে’। পাশাপাশি আত্মসমর্পণকারী সদস্য ও তাঁদের পরিবারের জন্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হয়নি।

মাওবাদী সংগঠনের তরফে মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ এবং ছত্তিশগড় সরকারকে আগামী ১ জানুয়ারি পর্যন্ত অভিযান বন্ধ রাখার আর্জি জানানো হয়েছে। বিনিময়ে, তাঁরাও সমস্ত ধরণের সশস্ত্র কার্যকলাপ বন্ধ রাখবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বার্তায় অনন্ত বলেছেন, ‘আমরা সকলেই একইদিনে একসঙ্গে যাব যাতে আমাদের ঐক্য বজায় থাকে।’ তিনি বলেন, আত্মসমর্পণের এই সিদ্ধান্ত ‘সম্মিলিত দলীয় কৌশলের’ অংশ এবং এটি সংগ্রামের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা নয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের লক্ষ্য কেবল আত্মসমর্পণ নয় বরং সমাজের সঙ্গে একটি মর্যাদাপূর্ণ পুনর্মিলন। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের লড়াই ছিল সর্বদা জনগণের জন্য, তাঁদের বিরুদ্ধে নয়।’ এতে আরও বলা হয়েছে, পরিবর্তিত জাতীয় ও বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সংগঠনকে টিকিয়ে রাখতে এবং স্থানীয় গোষ্ঠীর কল্যাণের জন্য নেতৃত্ব এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

মাওবাদী সংগঠনের মুখপাত্র সাংবাদিক এবং সাধারণ মানুষের কাছে আর্জি জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ এই প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়াকে সমর্থন করার জন্য। সেই সঙ্গে অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি করা এড়াতে আবেদন করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, ক্যাডার এবং তাঁদের পরিবার ‘শান্তি এবং সমাজে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তন চান।’

Polygamy: বহু বিবাহ বন্ধে বিল পাশ অসম বিধানসভায়, লুকিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড

এই দিনকাল: বহু বিবাহ (Polygamy) বন্ধ করতে রাজ্য বিধানসভায় বিল পাশ করল অসমের হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার। গোপনে দ্বিতীয় করলে ১০ বছরের কারাদণ্ডের প্রস্তাব রাখা হয়েছে বিলে। ‘অসম বহুবিবাহ নিষিদ্ধকরণ বিল, ২০২৫’ নামে এই বিলটি বৃহস্পতিবার পাশ হয়েছে।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেছেন, উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় পাস হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) বিলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্যে নতুন আইন আনার যে ভাবনা রয়েছে এই বিল সেই ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ। শুধু তাই নয়, তিনি বলেন, আগামী বছরে নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিজেপি ক্ষমতায় এলে, বিধানসভার প্রথম অধিবেশনেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পাশ করা হবে।

‘অসম বহুবিবাহ নিষিদ্ধকরণ বিল’ এ কী রয়েছে?

বিজেপি সরকারের তরফে পাশ করা এই বিলে বলা হয়েছে, প্রথম বিয়ে টিকে রয়েছে, তা সত্ত্বেও বেআইনিভাবে দ্বিতীয় বিয়ে করে দোষী সাব্যস্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হবে। কেউ যদি পূর্বের বিয়ে গোপন করে পুনরায় বিয়ে করেন, সেক্ষেত্রে দোষী ব্যক্তির ১০ বছরের জেল এবং জরিমানা হবে। তবে, এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না তফসিলি উপজাতি এবং সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলের আওতাধীন এলাকাতে। ‘বহুবিবাহ’ বলতে বিলটিতে বোঝানো হয়েছে, কোনও ব্যক্তির একবার বিয়ে হয়েছে এবং তাঁর স্বামী বা স্ত্রী জীবিত রয়েছে কিংবা তাঁদের আইনত বিচ্ছেদ হয়নি, এমতাবস্থায় যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আবার বিয়ে করেন তাহলে সেটিকে বহুবিবাহ হিসেবে ধরা হবে। বহুবিবাহের ফলে বঞ্চনার শিকার হওয়া ভুক্তভোগী মহিলাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও বিলে বলা হয়েছে। বিলে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, শাস্তি পাওয়ার পর যদি কেউ অপরাধ করে, তাহলে প্রতিটি নতুন অপরাধের জন্য তাকে স্বাভাবিক শাস্তির দ্বিগুণ সাজা দেওয়া হবে।

গ্রামের প্রধান, কাজী, বাবা-মা বা আইনি অভিভাবক যদি অসৎ ভাবে তথ্য গোপন করে বা ইচ্ছাকৃতভাবে বহুবিবাহ পরিচালনায় অংশ নেন তাদেরকেও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এ ক্ষেত্রে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। যদি কোনও ব্যক্তি প্রস্তাবিত আইন লঙ্ঘন করে জেনেশুনে বিয়ে সম্পন্ন করেন, তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড বা ১.৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।

Bangladesh Pakistan Relations: ঢাকা ও করাচির মধ্যে বিমান পরিষেবা, বাংলাদেশিদের পাক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ, দু’দেশের মধ্যে দৃঢ় হচ্ছে সংযোগ

এই দিনকাল: বদলের বাংলাদেশে আরও দৃঢ় হচ্ছে ঢাকা ও পাকিস্তানের (Bangladesh Pakistan Relations) মধ্যে সম্পর্ক। আগামী ডিসেম্বর থেকে দুই দেশের মধ্যে চালু হতে চলেছে বিমান পরিষেবা। এর ফলে ঢাকা ও ইসলামাবাদের মধ্যে বাণিজ্য আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি পড়ুয়াদের পড়ার সুযোগ বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। 

বেশ কয়েক বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল বন্ধ ছিল। সূত্রের খবর, আগামী ডিসেম্বর থেকে ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি এই বিমান চলাচল শুরু হতে চলেছে। সপ্তাহে তিনটি করে বিমান চালানো হবে বলে সূত্রের দাবি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানে নিয়োজিত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ইকবাল হুসেইন খান। বুধবার লাহোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এলসিসিআই) এক অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বিমান চলার বিষয়টি জানান। হাইকমিশনার ইকবাল হুসেইন খান বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান– উভয় দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সহজ করা হয়েছে। তিন থেকে চার দিনের মধ্যে ভিসা দেওয়া হবে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে মানুষের আসা-যাওয়া সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, হাইকমিশনার আরও বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি মালবাহী জাহাজ চলবে। খুব শীঘ্রই সেই পরিষেবা শুরু হবে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি মালবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। তার পরেও বাণিজ্যিক চাহিদা মেটাতে তা নিয়মিত করার পরিকল্পনা চলছে। এ ছাড়া শিক্ষা ক্ষেত্রে উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন ইকবাল হুসেইন। তিনি জানান, পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা কমিশন বাংলাদেশে শীঘ্রই একটি প্রতিনিধিদল পাঠাবে। যে টিমে থাকবেন ১২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি। এই প্রতিনিধিদলের উদ্দেশ্য, আরও বেশি বাংলাদেশি পড়ুয়াকে পাকিস্তানে পড়াশোনা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করা।

Supreme Court: গুরুদ্বারে না প্রবেশ করায় বরখাস্ত হয়েছিলেন খ্রিস্টান সেনা আধিকারিক, বাহিনীর নির্দেশ বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

এই দিনকাল: ধর্মীয় বিশ্বাসে তিনি খ্রিস্টান। কিন্তু সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্তাদের নির্দেশ অমান্য করে গুরুদ্বারে প্রবেশ করতে অস্বীকার করেছিলেন। আর সে কারণেই তাঁকে বাহিনী বরখাস্ত করেছিল। অবশেষে সুপ্রিম কোর্টেও (Supreme Court) ভর্ৎসিত হলেন ওই অফিসার। শীর্ষ আদালত ওই অফিসারকে ‘ঝগড়াটে ব্যক্তি’ এবং ‘অযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেছে।

রিপোর্ট অনুসারে, শিখ সেনা জওয়ানদের বিশ্বাসের প্রতি সম্মান না দেখানোয় তাঁকে অপসারণ করেছিল সেনাবাহিনী। বাহিনীর সেই সিদ্ধান্তকে বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। বরখাস্ত হওয়া ওই প্রাক্তন খ্রিস্টান সেনা অফিসারের নাম স্যামুয়েল কমলেসন। তাঁর আচরণ সামরিক শৃঙ্খলার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে অভিহিত করেছে সর্বোচ্চ আদালত। আদালত এদিন বলেছে, ‘তিনি কী ধরণের বার্তা দিচ্ছেন? কেবল এই কারণেই তাঁকে বহিষ্কার করা উচিত ছিল। এটি একজন সেনা কর্মকর্তার দ্বারা সবচেয়ে জঘন্য ধরণের শৃঙ্খলাভঙ্গ।’

আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ,’নেতাদের দৃষ্টান্ত হতে হবে। আপনি আপনার সৈন্যদের অপমান করছেন। ‘রিপোর্ট অনুসারে, একটি শিখ স্কোয়াড্রনে নিযুক্ত ছিলেন লেফটেন্যান্ট স্যামুয়েল কমলেসান। তিনি বাধ্যতামূলক রেজিমেন্টাল কুচকাওয়াজের সময় ধর্মীয় উপাসনা স্থলের অভ্যন্তরীণ গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে অস্বীকার করেন। এর পর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হন। 

নিজের অবস্থানের পক্ষে কমলেসানের সাফাই, তাঁর খ্রিস্টীয় বিশ্বাসের প্রতি আনুগত্যের কারণে শুধু নয়, বরং তাঁর সৈন্যদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না করার ইচ্ছা থেকে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। দায়িত্ব পালন করলে ধর্মীয় নীতি লঙ্ঘিত হবে না, কমলেসানকে খ্রিস্টান ধর্মযাজকরা আশ্বাস দিয়েছিলেন। অভিযোগ, তার পরেও নিজের অবস্থানে অটল ছিলেন তিনি। সেনাবাহিনীর তরফে বলা হয়েছে, তাঁর আচরণ বাহিনীর সংহতি এবং সৈন্যদের মনোবলকে হুমকির মুখে ফেলেছিল। ২০২১ সালে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। মে মাসে, দিল্লি হাইকোর্ট সেই বরখাস্তের নির্দেশ বহাল রাখে। আদালত জানায়, কমান্ডিং অফিসার হিসেবে কমলেসানের দায়িত্ব বেশি ছিল। ধর্মীয় স্বাধীনতার চেয়ে আইনত আদেশ মেনে চলার বিষয় ছিল এটি। এরপর কমলেসন সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। সেখানে মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, গুরুদ্বারে প্রবেশে তাঁর অস্বীকৃতি কি তাঁর অধস্তনদের ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি অসম্মান করে না?

৫ ডিসেম্বর বিয়ে, তার আগে গুয়াহাটিতে অফিসের ভিতর থেকে উদ্ধার সংবাদ সঞ্চালিকার দেহ

এই দিনকাল: বিয়ে করে নতুন জীবন আর শুরু করা হল না। আগামী ৫ ডিসেম্বর বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা থাকলেও তার কয়েক সপ্তাহ আগে গুয়াহাটির অফিসের ভিতর থেকে উদ্ধার হল সংবাদ সঞ্চালিকার মৃতদেহ (Death)। ওই  সংবাদ কর্মী আত্মঘাতী হয়েছেন বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত সংবাদ সঞ্চালিকার নাম ঋতুমণি রায়। তিনি স্থানীয় একটি নিউজ পোর্টালে কর্মরত ছিলেন। সোমবার সকালে সেই সংস্থার গুয়াহাটির অফিসের ভিতর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। সূত্রের খবর, আগামী ৫ ডিসেম্বর ঋতুমণি রায়ের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। ইতিমধ্যেই বিয়ের আমন্ত্রণপত্র ছাপাও হয়ে গিয়েছে। ঘটনা যে সময় ঘটে সেই রাতে তিনি এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রি ওয়েডিং অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ওই সংবাদ সঞ্চালিকা। পরে তিনি অফিসে ফিরে আসেন এবং রাতেই আত্মহত্যা করেন বলে অভিযোগ।

রিপোর্ট অনুসারে, গত ২৩ নভেম্বর অফিসে এসেছিলেন ঋতুমণি। কিন্তু সেই রাতে তাঁর শিফট শেষ হওয়ার পরও বাড়ি ফেরেননি। পরে সোমবার সকালে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করেন সহকর্মীরা। এই ঘটনা জানিয়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় তদন্তকারীরা। পুলিশ মৃতদেহের কাছ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে। যাতে লেখা, ‘সকলের ভালোর জন্য। দুঃখিত।’ পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমান অফিসে কাজে যোগদানের আগে ঋতুমণি অন্যান্য ডিজিটাল মিডিয়া সংস্থায়ও কাজ করেছেন। নিকটাত্মীয়দের দাবি, আত্মহত্যার পিছনে আর্থিক কারণ থাকতে পারে। গোটা ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

The Family Man: ‘ফ্যামিলি ম্যান সিজন ৩’, যত গর্জালো ততটা বর্ষালো কই!

আকাশ রায়

ভারতীয় ওয়েব সিরিজ মানে মেন স্ট্রিম ওয়েব সিরিজ নাকি আজকাল প্রচুর মাত্রায় থ্রিলারপ্রেমী হয়ে উঠেছে, ব্যতিক্রম হিসেবে পঞ্চায়েত(Panchayet) অবশ্যই আসতে পারে তবে এটা মেনে নিতে তেমন অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। সেক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে মির্জাপুর(Mirzapur), স্পেশাল ওপস(Special Opps) আর ফ্যামিলি ম্যান একেবারে প্রথম সারিতে অবস্থান করতে বাধ্য। মির্জাপুর আর স্পেশাল ওপস যদি পঙ্কজ ত্রিপাঠী আর কে কে মেননের জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকে তবে ফ্যামিলি ম্যান নিঃসন্দেহে মনোজ বাজপেয়ীর স্বমহিমায় বিচরণ ক্ষেত্র। 

অস্বীকার করার উপায় নেই প্রথম দুটো সিজনে ফ্যামিলি ম্যান আদতেই চোখের মণি হয়ে উঠেছিল দর্শকদের। দ্বিতীয় সিজনে সামান্থা প্রভুর সেই অনবদ্য অভিনয়, মনোজ বাজপেয়ীর সাথে স্কিন টু স্কিন ফাইট আলাদা করে চিনে নিতে বাধ্য করায়। রাজ এন্ড ডি’কের চেনা গন্ডিতে মুগ্ধ হতে হতে আমরা পেরিয়ে এসেছি বিগত কয়েকটি বছর। এবার পালা সিজন ৩ এর। অপেক্ষার অবসান ঘটাতে শীতের সন্ধ্যায় চা আর পকোড়ার সাথে দেখতে বসলাম ফ্যামিলি ম্যান সিজন ৩। দ্বিতীয় সিজন যেখানে শেষ করেছিল সেটা থেকে আশা ছিল পরবর্তীতে হয়তো কোভিডের রেফারেন্স এনে বয়ে যাবে সিজনটি, তা যে আমাদের ভুল প্রমাণিত করবে তার আভাস ট্রেলারেই পেয়েছিলাম, যাইহোক এই সিজনের প্রথম থেকেই মনোজ বাজপেয়ী যেন ইডেনের ব্যাটিং পিচে রোহিত শর্মা অথবা স্পিন সহায়ক পিচে মুরলিধরণ। 

তবে সিজনের শেষে কয়েকটা বাঞ্ছিত অথবা অবাঞ্ছিত কথা মাথায় ঘুরছে। আচ্ছা ফ্যামিলি ম্যান সিরিজটির এমন নামকরণের কারণ কী? আমার মনে হয় মনোজ বাজপেয়ীর ক্যারেক্টারের কথা মাথায় রেখেই। তার কারণ একজন লোক, যার ব্যক্তিগত জীবন হতাশায় দোদুল্যমান, স্ত্রীর সাথে মতান্তর ও পরে মনান্তর, ছেলে-মেয়েদের নিয়ে চিন্তা আদতে সবক্ষেত্রেই জর্জরিত একটা মানুষ। আর অন্যদিকে কাজের ক্ষেত্রে মসীহা, সিক্রেট এজেন্সির জায়গায় পরিচিত নাম। ভাবনা ও স্ট্যাটেজির মুন্সিয়ানায় পেছনে ফেলে দিতে পারে সবকিছু। এমন মানুষের জন্যই সিরিজটির নামকরণ যথাযথ। এই সিজনে অ্যাকশনের প্রসঙ্গ এলে বলতে হয় দুটো এপিসোড (দ্বিতীয় আর শেষ) বাদ দিয়ে তার গন্ধটুকু নেই। কিছু ক্ষেত্রে কয়েকটি আলটপকা সিচুয়েশন আর ক্যারেক্টার এসে ভিড় করে, যাদের কোনও পরিণতি নেই। বিশেষ কয়েকটি ক্ষেত্রে কী হচ্ছে অথবা কেন হচ্ছে ভাবতে ভাবতে সিরিজটি শেষ হয়ে যায়। 

এবার আসি কাহিনীর কথায়, কাহিনী অত্যন্ত সেনসিটিভ ও আকর্ষক, যা দর্শকদের মন জয় করতে বাধ্য। মনোজ বাজপেয়ীর নিজের কাজের প্রতি ইমোশন ও ডেডিকেশন চোখে পড়ার মতো। এছাড়া শারীব হাজমি (জে কে) চরিত্রটি এই সিরিজে আরো ডেভেলভ করেছে। বাকি চরিত্রদের মধ্যে জয়দীপ অহলওয়াট নেগেটিভ চরিত্রে দারুণ কাজ করেছেন। পুরো সিরিজ জুড়ে এই চরিত্রটির ডায়মেনশন চোখে পড়ার মতো। বাকি ক্ষেত্রে এই সিরিজটি শেষের দিকে দর্শকদের প্রত্যাশিত পরিখা অক্ষুন্ন রাখার ব্যাপারে ঠিক জমেনি। অনেক ঘটনার শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই,তবে কি তা পরের সিজনের জন্য রাখার পরিকল্পনা আছে? মনে কিন্তু হয়না কারণ প্রতিটি সিজনে আলাদা গল্পের দিকে প্রতিবার এগিয়েছে ফ্যামিলি ম্যান। তাই এই সিজনকে টেনে পরের সিজনে যাওয়ার মতো কিছু ঘটনা ঘটলে তা অবাক হওয়ার মতো ব্যাপার। এছাড়া শেষের দিকে একটা অদ্ভুত টুইস্ট বা মুভমেন্টের সাক্ষী থাকার ইচ্ছে থাকলেও, তাতে যে নিরাশ হয়েছেন দর্শকরা তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ফ্যামিলি ম্যান সিজন ৩, রিলিজ হল, দেখতে বাধ্য করল, কিন্তু শীতের মরসুমে জমলো কই?

SIR: ‘নাগরিকত্ব মানুষের জন্মগত অধিকার’: এসআইআর প্রসঙ্গে মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্র

এই দিনকাল: পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলছে ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR)। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২০০২ এর ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় একাধিক আত্মহত্যার অভিযোগও সামনে এসেছে। এই আবহে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা নিয়ে সরব হলেন মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্র। শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ধনুরহাটে মানবাধিকার সংগঠন ‘সিপিডিআরএস’-এর সভায় ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি বলেন, ‘নাগরিকত্ব মানুষের জন্মগত অধিকার, তা কোনও প্রশাসনিক পরীক্ষার বিষয় হতে পারে না’। 

শনিবার ‘সিপিডিআরএস’-এর ডায়মন্ড হারবার মহকুমা কমিটির আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ‘এনআরসি না এসআইআর’ শীর্ষক সেই আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখার সময় সুজাত ভদ্র বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কোনো সাংবিধানিক ক্ষমতা নেই। একজন নাগরিককে ডেকে তিনি নাগরিক কি না, তার প্রমাণ চাওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এটি আইনের পরিপন্থী।’

প্রসঙ্গত, রাজ্যজুড়ে এসআইআর নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ভীতি তৈরি হয়েছে, তা দূর করতেই এই উদ্যোগ বলে জানান আয়োজকরা। সিপিডিআরএস নেতৃত্বের অভিযোগ, নাগরিকত্বের নামে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সমাজকে বিভাজিত করার চেষ্টা চলছে। এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আগামী দিনে নিচুতলায় গিয়ে গণআলোচনা এবং আইনি সচেতনতা বৃদ্ধির কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এদিনের সভায় শতাধিক মানুষ অংশ নেন এবং বক্তারা স্পষ্টভাবে বার্তা দেন যে, নাগরিকত্ব প্রমাণের দায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। সভায় মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্র। এছাড়াও ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক রাজকুমার বসাক, কোষাধ্যক্ষ জ্ঞানতোষ প্রামাণিক এবং মহকুমা সম্পাদক সেরিফ হোসেন পুরকাইত।

Earthquake: বাংলাদেশে নরসিংদীতে ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৫

এই দিনকাল: জোরালো ভূমিকম্পের (Earthquake) জেরে বাংলাদেশের নরসিংদী সদর, পলাশ ও শিবপুর উপজেলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল পাঁচ। শুক্রবার সকালে হওয়া এই ভূমিকম্পের জেরে জখম হয়েছে শতাধিক। প্রসঙ্গত, এদিনের ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল নরসিংদী। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে ছিল কম্পনের উৎস। 

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, মৃত ব্যক্তিদের নাম দেলোয়ার হোসেন (৩৭) ও তাঁর ছেলে ওমর ফারুক (৯), তাঁরা সদর উপজেলার চিনিশপুর ইউনিয়নের গাবতলী এলাকার বাসিন্দা। মৃত্যু হয়েছে নাসির উদ্দীন (৬৫) নামের এক ব্যক্তির। তিনি পলাশের ডাঙ্গা ইউনিয়নের কাজীরচর গ্রামের নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা।নিহতদের মধ্যে রয়েছেন চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা গ্রামের পশ্চিমপাড়া এলাকার কাজম আলী ভূঁইয়া (৭৫) এবং শিবপুর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের আজকিতলা গ্রামের ফোরকান মিয়া (৩৫)।

ভূমিকম্পের ফলে বাড়ির ছাদ ভেঙে পড়ে গুরুতর জখম হন দেলোয়ার ও ওমর ফারুক। পরে তাঁদের মৃত্যু হয়। নাসির উদ্দীন ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। জোরালো কম্পনের ফলে মাটির ঘরের দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত্যু হয় কাজম আলীর।

উল্লেখ্য শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট নাগাদ প্রথম কম্পন অনুভূত হয়। বাংলাদেশের পাশাপাশি কম্পন অনুভূত হয় পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায়। বাংলাদেশের আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদীর মাধবদী। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫.৭। তবে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) এর তরফে দাবি করা হয়েছে, এদিনের ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৫।

Nitish Kumar: মোদী-শাহের উপস্থিতিতে দশম বারের মতো বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন নীতীশ

এই দিনকাল: বিহারে ২০২ আসনে জয়লাভের পর এনডিএ শিবির নীতীশকেই (Nitish Kumar) মুখ্যমন্ত্রী করতে চলেছে বলে একাধিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মত প্রকাশ করেছিলেন। অবশেষে পাটনার কুর্সিতে সেই পোড় খাওয়া রাজনীতিবিদের প্রত্যাবর্তন হল। বৃহস্পতিবার দশম বারের জন্য বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ৭৪ বছর বয়সি জেডিইউ নেতা।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ পটনার গান্ধী ময়দানে নীতীশ কুমারকে শপথবাক্য পাঠ করান বিহারের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ এনডিএ শিবিরের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা টিডিপি নেতা চন্দ্রবাবু নায়ডু, এলজেপি (আর) নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ান, হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (হাম)-র নেতা জিতনরাম মাঝি উপস্থিত ছিলেন। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তও ছিলেন শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। 

এদিন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিজেপির বিজয় সিনহা এবং সম্রাট চৌধুরি। নীতীশ ছাড়া মোট ২৬ জন বিধায়ক মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন বৃহস্পতিবার। মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন জেডিইউ-র বিজয়কুমার চৌধুরি, বিজেন্দ্রপ্রসাদ যাদব, শ্রোয়ান কুমার, অশোক চৌধুরি, লেসি সিংহ, মদন সাহনি, সুনীল কুমার এবং মহম্মদ জামা খান। বিজেপির দিলীপ জয়সওয়াল, মঙ্গল পান্ডে, সঞ্জয় সিংহ টাইগার, রমা নিষাদ, অরুণশঙ্কর প্রসাদ, রামকৃপাল যাদব, নীতিন নবীন এবং সুরেন্দ্রপ্রসাদ মেহতা মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে ৬ এবং ১১ নভেম্বর, ভোটগণনা এবং ফলপ্রকাশ হয়েছে ১৪ নভেম্বর।

Partha Chatterjee: বেহালা পশ্চিমে শোভন নয়, প্রার্থী পার্থ! খবর সূত্রের

এই দিনকাল: জেলমুক্তির পর বড় ‘পুরস্কার’ পেতে চলেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। আগামী ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে বেহালা পশ্চিম কেন্দ্রে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে প্রার্থী করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস, এমনটাই খবর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে। সম্প্রতি তৃণমূলে যোগ দেওয়া শোভন চট্টোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল যে তাঁকে জোড়াফুল শিবির বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী করতে পারে বলে। কিন্তু দলীয় সূত্রের খবর, ওই আসনে পার্থের নামে সিলমোহর দিতে চলেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সম্প্রতি জামিন পেয়ে জেলমুক্তি হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। ২০২২ সালের ২৩ জুলাই ইডি তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। যে ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় রাজ্য রাজনীতিতে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল কোটি কোটি নগদ টাকা। গ্রেফতার হওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেস মহাসচিব পদ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে দেয় শীর্ষ নেতৃত্ব।

পার্থ গ্রেফতার হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা করেন। ২০২২ সালের ২৮ জুলাই অভিষেক মন্তব্য করেছিলেন, ‘তদন্ত যতদিন না শেষ হবে, ততদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় দল থেকে সাসপেন্ড থাকবেন। উনি আইনের চোখে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণিত করতে পারলে তখন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ প্রসঙ্গত, জেলের বাইরে আসার পরে সরকারি পদ পেয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, দলীয় পদ পেয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলও, ফলে পার্থ চট্টোপাধ্যায় সংশোধনাগার থেকে বেরিয়ে যে তৃণমূলে আবার গুরুত্ব পেতে চলেছেন, তা খুব স্বাভাবিক বলে মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।