Category Archives: দেশ

Narendra Modi: দিল্লিতে মিশরের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদীর, গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সিসির ভূমিকার প্রশংসা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

এই দিনকাল: ভারত সফরে এসেছেন মিশরের বিদেশমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি (Egypt’s Foreign Minister Dr Badr Abdelatty)। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। গাজায় শান্তি চুক্তিতে সহায়তা করার জন্য এদিন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির ভূমিকার প্রশংসা করেছেন মোদী।

দীর্ঘ দিন ধরে প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে সংঘাত চলেছে ইজরায়েলের। বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে এর ফলে। অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। যদিও এই শান্তিচুক্তিতে উভয় পক্ষকে রাজি করানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল মিশরের। এদিন তাই প্রধানমন্ত্রী মোদী যুদ্ধবিরতিতে মিশরের ‘গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’ পালনের জন্য প্রেসিডেন্ট সিসিকে অভিনন্দন জানান। সেই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই চুক্তি এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার পথ প্রশস্ত করবে। মিশরের বিদেশমন্ত্রী আবদেলাত্তি তাঁর সফরকালে অনুষ্ঠিত প্রথম ভারত-মিশর কৌশলগত আলোচনার ফলাফল সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে জানান।

ভারত-মিশর অংশীদারিত্বের মজবুতিকরণকে স্বাগত জানান মোদী। পাশাপাশি বাণিজ্য, প্রযুক্তি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক-সহ সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী মোদী লেখেন, ‘মিশরের বিদেশমন্ত্রী ডঃ বদর আবদেলাত্তিকে স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত। গাজা শান্তি চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য আমার বন্ধু প্রেসিডেন্ট সিসির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমাদের জনগণ, আমাদের ভাগ করা অঞ্চল এবং মানবতার কল্যাণে ভারত-মিশর কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।’

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে মিশরের শার্ম এল শেখে অনুষ্ঠিত হয় গাজা শান্তি সম্মেলন। এই সম্মেলনে যোগদানের জন্য মিশরের প্রেসিডেন্ট সিসি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। যদিও মোদী ওই সম্মেলনে অংশ নেননি। তাঁর জায়গায় নয়াদিল্লির তরফে পাঠানো হয়েছিল প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিংকে। শান্তি সম্মেলনে আঞ্চলিক ও বিশ্ব নেতারা মিলিত হয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, গাজায় কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতের পর ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও পর্যবেক্ষণের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা।

Maoists: ছত্তিসগড়ে আত্মসমর্পণ ১৭০ মাওবাদীর, দু’দিনে অস্ত্র ছেড়ে মূল স্রোতে ২৫৮ জন, ‘যুগান্তকারী দিন’ বললেন শাহ!

এই দিনকাল: কেন্দ্রীয় সরকারের কঠোর মাওবাদী বিরোধী অভিযানের মধ্যে ছত্তিশগড়ে আত্মসমর্পণ করলেন ১৭০ জন মাওবাদী (Maoists)। অস্ত্র ছেড়ে মূল স্রোতে ফিরে আসাদের মধ্যে রয়েছেন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সাব-জোনাল ইনচার্জ এবং মাওবাদী সামরিক শাখার গোয়েন্দা প্রধান রূপেশ। গত দুই দিনে দেশে মোট ২৫৮ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Home Minister Amit Shah) জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অমিত শাহ লিখেছেন, ‘নকশালবাদের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধে একটি যুগান্তকারী দিন। আজ, ছত্তিসগড়ে ১৭০ জন নকশাল আত্মসমর্পণ করেছেন। গতকাল রাজ্যে ২৭ জন তাঁদের অস্ত্র সমর্পণ করেছেন। মহারাষ্ট্রে, গতকাল, ৬১ জন মূলধারায় ফিরে এসেছেন। গত দুই দিনে মোট ২৫৮ জন চরম বামপন্থী সহিংসতা ত্যাগ করেছেন।’

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, রূপেশ এবং তাঁর সহযোগীরা উসপারি ঘাট দিয়ে ইন্দ্রাবতী নদী পার হওয়ার পর ভৈরামগড়ের দিকে গিয়েছেন। তাঁরা বিজাপুরে পৌঁছানোর পর, জগদলপুরে আনুষ্ঠানিক ভাবে আত্মসমর্পণের কথা ঘোষণা করা হয়। এদিন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও লেখেন, ‘আমাদের নীতি স্পষ্ট: যাঁরা আত্মসমর্পণ করতে চান তাঁদের স্বাগত, এবং যাঁরা বন্দুক চালিয়ে যাবে তাঁদেরকে আমাদের বাহিনীর রোষের মুখোমুখি হতে হবে। এখনও যাঁরা নকশালবাদের পথে আছেন তাঁদের কাছে আমি আবারও আর্জি জানাচ্ছি, তাঁরা অস্ত্র ছেড়ে মূলধারায় যোগ দিন। আমরা ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের আগে নকশালবাদকে উপড়ে ফেলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

এদিন নিরাপত্তা বাহিনী, বিশেষ করে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) ভৈরামগড়কে একটি ভার্চুয়াল দুর্গে পরিণত করেছিল। উসপারি ঘাট থেকে ভৈরামগড় পর্যন্ত রাস্তাগুলিতে সর্বক্ষণ নজরদারি চালানো হয়। অভিযান তদারকি করার জন্য পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিজাপুরে মোতায়েন ছিলেন। সূত্রের খবর, রূপেশ প্রায় ১৩০ জন শীর্ষ নকশাল ক্যাডারকে নিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন। যাঁদের মধ্যে একজন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (সিসিএম), দুজন ডিকেএসজেডসি সদস্য এবং ১৫ জন ডিভিসিএম ক্যাডার ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত মাদ ডিভিশনের বেশ কয়েকজন সদস্য আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে ছিলেন।আত্মসমর্পণের ফলে প্রচুর পরিমাণে অত্যাধুনিক অস্ত্র উদ্ধার হয়। বহু একে ৪৭, ইনসাস রাইফেল, এসএলআর এবং কার্বাইন উদ্ধার করে পুলিশ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দেড় শতাধিক মাওবাদীর আত্মসমর্পণ দক্ষিণ ছত্তিশগড়ে মাওবাদীদের যুদ্ধশক্তিতে বিরাট ক্ষত তৈরি করেছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরেকটি পোস্টে লিখেছেন, ‘এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয় যে ছত্তিশগড়ের অবুঝমাড় এবং উত্তর বস্তার, যা একদা সন্ত্রাসের শক্ত ঘাঁটি ছিল, আজ নকশাল সহিংসতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এখন, দক্ষিণ বস্তারে কেবল বিক্ষিপ্ত নকশালরাই রয়ে গেছেন, যাঁদেরকে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী শীঘ্রই নির্মূল করবে।’ পলিটব্যুরো সদস্য সোনু ওরফে ভেনুগোপাল আগেই আত্মসমর্পণ করেছিলেন। যা মাওবাদী সংগঠনটির কাছে একটা বড় ধাক্কা ছিল। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পাওয়া রূপেশ সংঘর্ষ বিরতির পক্ষে ছিলেন। এপ্রিল মাসে, তিনি শান্তি প্রক্রিয়াকে সমর্থন করে একটি প্রেস নোটও জারি করেছিলেন।

ছত্তিসগড়ের উপ-মুখ্যমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিজয় শর্মা বলেন, ‘আমরা মূল স্রোতে ফিরে আসা নকশালদের লাল গালিচা দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছি। বস্তারের মানুষ লাল সন্ত্রাসকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। বিজাপুর বা কাঁকেরে যেকোনো আত্মসমর্পণ শান্তির দিকে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া, এবং আমরা তাঁদের সকলকে স্বাগত জানাব।’

উল্লেখ্য, বাম চরমপন্থার বিরুদ্ধে ছত্তিসগড়ে কয়েক দশক ধরে লড়াই চালাচ্ছে সরকার। চলতি বছরটি ঐতিহাসিক বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল। সিপিআই (মাওবাদী) এর আট শীর্ষ নেতা-সহ ৩১২ জন মাওবাদী এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন। ৮৩৬ জন ক্যাডারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১,৬৩৯ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছেন, যা ছত্তিশগড়ের জন্য একটি রেকর্ড। কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য অনুসারে, মাওবাদী সহিংসতায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলার সংখ্যা ১২৬ থেকে কমে মাত্র তিনটিতে দাঁড়িয়েছে – বিজাপুর, সুকমা এবং নারায়ণপুর, সব কটিই ছত্তিসগড়ে।

RSS: সরকারি পরিসরে আরএসএস নিষিদ্ধ করার দাবি তোলায় কর্নাটকের মন্ত্রীকে খুনের হুমকি

এই দিনকাল: সরকারি পরিসরে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আরএসএসকে (RSS) নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছিলেন। আর তার জেরে কর্নাটকের গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রিয়ঙ্ক খাড়গে (Priyank Kharge) এবং তাঁর পরিবারকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ। বুধবার খাড়গে এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। যেখানে শোনা যাচ্ছে, এক জন ব্যক্তি মন্ত্রীকে কঠোর এবং অবমাননাকর ভাষায় গালিগালাজ করছে।

প্রিয়ঙ্ক খাড়গে বলেন তিনি একাধিক হুমকি ফোন পেয়েছেন, এই ক্লিপটি তারই একটি নমুনা। প্রিয়ঙ্ক লিখেছেন, ‘যে ধরণের নোংরামি আরএসএস তরুণদের মনে ভরে দেওয়ার চেষ্টা করছে তার একটি ছোট উদাহরণ এটি।’ তিনি প্রশ্ন করেন, ‘মা-বোনদের নাম ধরে ডাকা এবং তাদের অপমান করা কি শাখায় শেখানো সবচেয়ে ঘৃণ্য সংস্কৃতি? বিওয়াই বিজয়েন্দ্র, আর অশোক, সিটি রবি, সুনীল কুমার, প্রতাপ সিংহ, চালবাদী নারায়ণস্বামীর মতো বিজেপি নেতারা কি মোদী এবং মোহন ভাগবতের মায়েদের এভাবে নির্যাতন করা অনুমোদন করেন?’ খাড়গে বলেন, বিজেপি নেতাদের সন্তানরা যখন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছে, তখন দরিদ্র মানুষের সন্তানদের এইভাবে নির্যাতন ও ভয় দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে তিনি এই বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে চান না বলে জানিয়েছেন। কারণ হিসেবে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের পুত্র বলেন, ‘আমি যদি অভিযোগ দায়ের করি, তাহলে সেই ব্যক্তির জীবনের ক্ষতি হবে, কিন্তু যারা তাকে এমন মানসিক অবস্থার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে তাদের কিছু হবে না।’

তাঁর কথায়, ‘আমাদের লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং আরএসএস-এর ছড়িয়ে দেওয়া এই নোংরা মানসিকতার বিরুদ্ধে, সেই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে যারা নিরীহদের মগজ ধোলাই করছে এবং তাদের চিন্তাভাবনাকে কলুষিত করছে।’ ‘বিভেদমূলক মতাদর্শ’ মোকাবিলা করার জন্য আরএসএসের কর্মীদের বুদ্ধ, বাসব এবং আম্বেদকরের শিক্ষার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমি লড়াই করব এবং নিরীহ শিশু এবং যুবকদের এই কলুষিত ব্যবস্থার শিকার হওয়া থেকে রুখতে দৃঢ় পদক্ষেপ নেব।’

Muslim: গো হত্যাকারী সন্দেহে ৭ মুসলিম ব্যক্তিকে বেধড়ক মার মহারাষ্ট্রে

এই দিনকাল: গাড়িতে গরু নিয়ে যাওয়ার সময় গো হত্যাকারী সন্দেহে সাত মুসলিম (Muslim) ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের জালনা জেলায়। আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন ৬২ বছর বয়সী এক বৃদ্ধও। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, দুষ্কৃতীদের একটি দল কাঠ দিয়ে নির্মমভাবে মারধর করে ওই ব্যক্তিদের। আক্রান্তদের দাবি, ৬ অক্টোবর, সোমবার, ২১টি ষাঁড় নিয়ে তাঁরা লাতুরে যাচ্ছিলেন, তখন এই হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরের দিন পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁরা।

আক্রান্তদের নাম নিসার প্যাটেল, আসিফ শেখ, রিয়াজ কুরেশি, সাজিদ পাশা, আসিফ সাদিক, জাভেদ কুরেশি এবং সৈয়দ পারভেজ। নিসার প্যাটেলের দায়ের করা অভিযোগ অনুসারে, তাঁরা ছত্রপতি সম্ভাজিনগর জেলার ওয়াদোদ বাজার থেকে বৈধ ভাবে গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। মূলত কৃষিকাজের জন্য তাঁরা প্রাণীগুলিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। 

অভিযোগ, জালনা তহসিলের লোন্ডেওয়াড়ি গ্রামের কাছে তাঁদের দুটি গাড়ি পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে প্রায় ২০ জন অচেনা হামলাকারী তাঁদের উপর আক্রমণ করে।প্যাটেল বলেন, ‘আমরা তাঁদের সমস্ত নথি দেখিয়েছিলাম, ষাঁড়গুলি কৃষিকাজের জন্য আনা হচ্ছিল, কিন্তু হামলাকারীরা আমাদের গো হত্যার অভিযোগ এনে নির্মমভাবে মারধর শুরু করে।’ তিনি আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ আসার পরেও হামলাকারীরা তাঁদের উপর আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছিল। সংবাদ মাধ্যমকে প্যাটেল বলেন, ‘পুলিশ কীভাবে ‘অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি’ হিসেবে উল্লেখ করতে পারে যখন তাঁদের সামনেই আমাদেরকে আক্রমণ করা হয়েছিল?’ তিনি আরও বলেন, পুলিশ আধিকারিকরা প্রথমে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। শুধু তাই নয়, অভিযোগ রিপোর্ট দায়ের করার আগে প্রায় ১২ ঘন্টা ধরে আক্রান্তদের আটকে রেখেছিল পুলিশ। অন্য দিকে প্যাটেলের অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে ঘটনাটি ‘অভ্যন্তরীণ দলীয় বিরোধ’। এক ঊর্ধ্বতন কর্তা এই ঘটনা নিয়ে বলেন, ‘আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।’

Bihar Assembly Election: বিহারে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করল এনডিএ, বিজেপি এবং জেডিইউ লড়বে ১০১টি করে আসনে

এই দিনকাল: বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Assembly Election) আর এক মাসও বাকি নেই। গত ৬ অক্টোবর নির্বাচন কমিশনের তরফে ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা করার পর রাজনীতির ময়দানে জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে শাসক ও বিরোধী পক্ষ। এই আবহে রবিবার চূড়ান্ত আসন সমঝোতায় পৌঁছল ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট। ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভায় বিজেপি এবং জনতা দল (ইউনাইটেড) ১০১টি করে আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে জানানো হল। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এ কথা জানিয়েছেন। 

এনডিএ এর আসন সমঝোতার মধ্যে সামিল রয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী চিরাগ পাসওয়ানের লোক জনশক্তি পার্টি (রাম বিলাস)। লোক জনশক্তি পার্টি ২৯টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে জানানো হয়েছে। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চা (আরএলএম) এবং হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (এইচএএম) আসন্ন নির্বাচনে ছয়টি করে আসনে লড়াই করবে। গত বছর হরিয়ানায় বিজেপিকে টানা তৃতীয় জয় এনে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন প্রধান। বিহারের নির্বাচনের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। এই রাজনীতিবিদ বলেন, বিহারের এনডিএ জোটের সদস্যরা আসন বণ্টনকে স্বাগত জানিয়েছে এবং আলোচনা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘এনডিএ জোটের সদস্যরা সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আসন বণ্টন সম্পন্ন করেছে। এনডিএ দলের সকল কর্মী এবং নেতারা এটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। বিহার প্রস্তুত এবং আবারও এনডিএ সরকার তৈরি হবে।’

প্রধানের এই ঘোষণা আপাতত এনডিএ-র শরিক দলগুলির মধ্যে আসন নিয়ে যে দ্বন্দ্ব চলছিল তার অবসান ঘটিয়েছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জিতন রাম মাঝির নেতৃত্বাধীন এইচএএম এবং আরএলএম-এর মধ্যে আসন বণ্টন সংক্রান্ত সংঘাতের সমাপ্তি ঘোষণা করেছে। আরএলএম বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার হুমকি দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, বিহারের ২৪৩টি বিধানসভা আসনে দু দফায় হবে নির্বাচন। আগামী ৬ নভেম্বর প্রথম দফা এবং ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফার ভোট গ্রহণ হবে। ভোট গণনা এবং ফল ঘোষণা হবে ১৪ নভেম্বর।

Mallikarjun Kharge: ‘দলিত ও আদিবাসীদের বিরুদ্ধে অপরাধ বৃদ্ধি সংবিধানের জন্য হুমকি’, আরএসএস-বিজেপিকে বিঁধে বললেন খাড়গে

এই দিনকাল: দেশে মহিলা, দলিত, আদিবাসীদের উপর অত্যাচার বৃদ্ধির জন্য বিজেপি (BJP) ও সঙ্ঘপরিবারকে নিশানা করলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে (Mallikarjun Kharge)। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা বিজেপি এবং দলটির মেন্টর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘকে তীব্র সমালোচনা করেছেন।

ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরোর ২০১৩ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তথ্য উল্লেখ করে খাড়গে লেখেন, দলিতদের বিরুদ্ধে অপরাধ ৪৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। যেখানে একই সময়ে আদিবাসীদের বিরুদ্ধে অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে ৯১%। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে কংগ্রেস নেতা অভিযোগ করেন, সমাজের প্রান্তিক সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সহিংস ও বৈষম্যমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকাশিত সামন্ততান্ত্রিক ও বর্ণবাদী মানসিকতাকে বিজেপি সক্রিয় করছে এবং বৈধতা দিচ্ছে।

সম্প্রতি উত্তর প্রদেশের রায়বেরেলিতে দলিত ব্যক্তি হরিওম বাল্মীকিকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে, ভারতের প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাইয়ের উপর জুতো ছুঁড়ে মারার চেষ্টা হয়েছে, হরিয়ানার এক জন দলিত আইপিএস অফিসার মানসিক হেনস্থার শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছেন, এই সমস্ত ঘটনার কথা খাড়গে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, ‘এগুলি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়’। বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘এগুলি আরএসএস-বিজেপির সামন্ততান্ত্রিক মানসিকতার একটি বিপজ্জনক প্রকাশ এবং সংবিধান, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং সাম্যের নীতির উপর সরাসরি আঘাত।’

দলিত, আদিবাসী, অনগ্রসর শ্রেণী, সংখ্যালঘু এবং অন্যান্য প্রান্তিক গোষ্ঠীকে দমন করার লক্ষ্যে ভীতি প্রদর্শনের রাজনীতিতে শাসক দল লিপ্ত বলে অভিযোগ করেন খাড়গে। তিনি বলেন, এই ধরনের রাজনীতি ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য মারাত্মক হুমকি। তাঁর কথায়, ‘ভারত সংবিধান দ্বারা পরিচালিত হবে, কোনও চরমপন্থী মতাদর্শের ডিক্রি দ্বারা নয়।’

Muslim: হায়দরাবাদে ধর্ম জিজ্ঞেস করে ডেলিভারি বয়কে মার, দায়ের অভিযোগ

এই দিনকাল: ধর্ম পরিচয় জিজ্ঞেস করে এক ডেলিভারি বয়কে মারধরের অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে হায়দরাবাদের পুরাতন শহরে। মঙ্গলবার রাতে মোগলপুরায় একটি পার্সেল পৌঁছে দেওয়ার সময় তাঁর উপর আক্রমণ করা হয়।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, আক্রান্ত ডেলিভারি বয়ের নাম মহম্মদ নাদিম। তালাব কাট্টার বাসিন্দা তিনি। অভিযোগ, আক্রমণকারীরা তাঁর নাম এবং ধর্মীয় পরিচয় জিজ্ঞেস করে, এর পর তাঁকে মারধর করে। তবে যারা এই আক্রমণ করেছে তাদেরকে এখনও চিহ্নিত করতে পারেনি পুলিশ। মারধরের পর গুরুতর আহত হন ওই ডেলিভারি বয়। তাঁর চিকিৎসার জন্য প্রাথমিকভাবে ওসমানিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এর পর তিনি অভিযোগ দায়ের করতে মোগলপুরা থানায় যাওয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু তাঁর জখম শারীরিক অবস্থার কারণে তিনি পড়ে যান এবং তাঁকে পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অন্য দিকে হায়দরাবাদের মতো শহরে এমন ঘটনায় সরব হয়েছেন মজলিস বাঁচাও তেহরিক। সংঠনের মুখপাত্র আমজাদুল্লাহ খান আক্রান্ত ডেলিভারি বয় নাদিমকে দেখতে যান। সেই সঙ্গে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। এই ঘটনায় মোগলপুরা পুলিশ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা (বিএনএস) আইনের ১১৭(২) এবং ৩(৫) ধারার অধীনে মামলা দায়ের করেছে।

Muslim: উত্তর প্রদেশে মুসলিম রোগীর প্রতি ‘বৈষম্য’ প্রকাশ্যে আনা সেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর যোগীর পুলিশের

এই দিনকাল: উত্তর প্রদেশের জৌনপুরে মুসলিম (Muslim) রোগীকে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে অস্বীকার করায় চিকিৎসকের সংকীর্ণ ও ঘৃণ্য মানসিকতা সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছিল। যা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়, কী ভাবে এক জন চিকিৎসক ধর্মীয় কারণে রোগীর পরিষেবা দিতে অস্বীকার করেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এ বার সেই খবর প্রকাশ্যে আনায় দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল যোগী আদিত্যনাথের পুলিশ।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ভিডিওটি প্রচার করার কারণে দুই স্থানীয় সাংবাদিক মায়াঙ্ক শ্রীবাস্তব এবং মহম্মদ উসমানের বিরুদ্ধে উত্তর প্রদেশের পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছে। চিফ মেডিকেল সুপারিন্টেন্ডেন্ট মহেন্দ্র গুপ্ত কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, সাংবাদিকরা ‘জোর করে’ লেবার রুমে প্রবেশ করে ভিডিও করেছেন এবং হাসপাতালের সম্পত্তির ক্ষতি করেছেন।

উল্লেখ্য, শামা পারভিন (Shama Parveen) নামে এক মুসলিম মহিলা অভিযোগ করেন, জৌনপুরের জেলা হাসপাতালের এক জন ডাক্তার ধর্মীয় কারণে প্রসবকালীন সময়ে তাঁর চিকিৎসা করতে অস্বীকার করেছেন। ১ অক্টোবর, সমাজ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে যেখানে শামা দাবি করেন, ডাক্তার তাঁকে বলেছেন, ‘আমি এক জন মুসলিম মহিলার চিকিৎসা করব না।’ অভিযোগ, শুধু তাই নয়, উপস্থিত নার্সকে তাঁকে অপারেশন থিয়েটারে না নিয়ে যাওয়ারও নির্দেশ দেন ওই চিকিৎসক। শামার পরিবারকে অন্য কোথাও চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে যেতে বলেন অভিযুক্ত ডাক্তার।

বিষয়টি নিয়ে চিফ মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট মহেন্দ্র গুপ্ত বলেন, তিনি অভিযোগ শুনে বিস্মিত হয়েছেন এবং ডাক্তারের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চেয়েছেন। তাঁর কথায়, ‘ডাক্তার ধর্মের ভিত্তিতে এমন কোনও মন্তব্য করার কথা অস্বীকার করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করা হয়েছে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’

অন্য দিকে, এই ঘটনা তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। উত্তর প্রদেশে সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক রাগিনী সোনকার এই ঘটনাকে লজ্জাজনক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটি রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার ফল। প্রসববেদনায় ভোগা কোনও মহিলা চিকিৎসা না পাওয়ার কথা মিথ্যা বলবেন না।’ ডাক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়েরের পরিবর্তে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা করায় তিনি যোগী আদিত্যনাথ সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। ওই বিধায়ক বলেন, তিনি জেলা শাসকের সঙ্গে দেখা করবেন। প্রয়োজনে বিধানসভায় বিষয়টি তুলবেন।

কংগ্রেস নেতা বিকাশ উপাধ্যায় ভিক্কি এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক যে একজন চিকিৎসক, যিনি সমাজের সকল শ্রেণীর সেবা করার শপথ নিয়েছেন, তিনি ধর্মীয় কারণে চিকিৎসা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগীর কোনও জাতি বা ধর্ম নেই। কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।’ 

তবে বিজেপি মুখপাত্র অবনীশ ত্যাগী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, এগুলো ভিত্তিহীন অভিযোগ এবং সমাজে বিভেদ ছড়ানোর জন্য। বিজেপি নেতার কথায়, ‘সরকারের ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ নীতির আদলে সমাজের সকল শ্রেণীর মধ্যে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন সরকারে কোনও বৈষম্য নেই।’

Suicide: চণ্ডীগড়ে নিজেকে গুলি করে আত্মঘাতী আইপিএস অফিসার

এই দিনকাল: স্ত্রী আইএএস অফিসার, সরকারি কাজে তিনি গিয়েছেন জাপানে। সেই ফাঁকে নিজেকে গুলি (Suicide) করে শেষ করে দিলেন আইপিএস অফিসার। ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানার চণ্ডীগড়ের সেক্টর ১১-এর একটি বাড়িতে। গোটা বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, আত্মঘাতী সিনিয়র আইপিএস অফিসারের নাম পূরণ কুমার। কেন তিনি নিজেকে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিষয়টি নিয়ে চণ্ডীগড়ের সিনিয়র পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট কণওয়ারদীপ কৌর সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রায় ১.৩০ মিনিটে, আমরা সেক্টর ১১ থানায় খবর পাই। সেক্টর ১১-এর এসএইচও এবং তাঁর দল নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আত্মহত্যার খবর মিলেছে… মৃতদেহটি আইপিএস অফিসার পূরণ কুমারের বলে শনাক্ত করা হয়েছে।’ কোনও সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে এ বিষয়ে তিনি বলেন,  ‘সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি এর একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে এবং তদন্ত চলছে।’

প্রসঙ্গত, ২০০১ ব্যাচের অফিসার পূরণ কুমার। ভারতীয় পুলিশ সার্ভিসের একটি উচ্চ পদমর্যাদার অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল পদে তিনি ছিলেন। ২৯ সেপ্টেম্বর রোহতকের সুনারিয়ায় পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে নিযুক্ত ছিলেন পূরণ। নিহত পুলিশ কর্তার স্ত্রী, আমান পি কুমার, একজন আইএএস অফিসার। তিনি বর্তমানে জাপানে একটি সরকারি সফরে রয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় তাঁর ভারতে ফিরে আসার কথা।

Bihar Assembly Election: ৬ এবং ১১ নভেম্বর দু দফায় বিহারে বিধানসভা ভোট, ঘোষণা কমিশনের

এই দিনকাল: বেজে গেল বিহার বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Assembly Election) দামামা। আগামী ৬ নভেম্বর এবং ১১ নভেম্বর দু দফায় সে রাজ্যে হবে ভোট গ্রহণ, সোমবার নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হল এমনটাই। এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সাংবাদিক বৈঠক করে বিহারের নির্বাচনের নির্ঘন্ট প্রকাশ করেন।

সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে জ্ঞানেশ কুমার জানান, আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচন হবে দু দফায়। আগামী ৬ নভেম্বর এবং ১১ নভেম্বর ভোট গ্রহণ হবে। ২৪৩ আসনের মধ্যে প্রথম দফায় ভোট হবে ১২১টিতে, বাকিগুলিতে ভোট গ্রহণ হবে দ্বিতীয় দফায়। ভোট গণনা এবং ফল ঘোষণা হবে ১৪ নভেম্বর। প্রথম দফার ভোটের জন্য নমিনেশন জমা দেওয়া যাবে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রথম দফায় প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ অক্টোবর। অন্য দিকে, দ্বিতীয় দফার জন্য নমিনেশন জমা দেওয়া যাবে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত। দ্বিতীয় দফার ক্ষেত্রে প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৩ অক্টোবর।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপি গত শনিবার দাবি জানিয়েছিল বিহারে বিধানসভা নির্বাচন এক বা দু দফায় সম্পন্ন করার জন্য। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মত, পদ্ম শিবিরের সেই দাবি কার্যত মেনে নিল কমিশন। অন্য দিকে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার আগেই জানিয়েছিলেন বিহারের ২৪৩টি বিধানসভা আসনের ভোটগ্রহণ আগামী ২২ নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। কারণ ওই সময়ে বর্তমান বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে। 

গত বিধানসভা নির্বাচন অর্থাৎ ২০২০ সালে বিহারে ভোট হয়েছিল তিন দফায়। যদিও সে সময় করোনা মহামারী চলছিল। বিজেপি-সহ এনডিএ জোট ১২৫ আসন পেয়ে খুব কম ব্যবধানে জয়ী হয়েছিল সে বার। (২৪৩ আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছিল ৭৪, জেডিইউ জয়ী হয়েছিল ৪৩ এবং অন্যান্যরা পেয়েছিল ৮টি আসন)। অন্য দিকে বিরোধী শিবির পেয়েছিল ১১০ আসন (আরজেডি ৭৫, কংগ্রেস ১৯, অন্যান্যরা ১৬)।