Tag Archives: SIR

SIR: ‘নাগরিকত্ব মানুষের জন্মগত অধিকার’: এসআইআর প্রসঙ্গে মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্র

এই দিনকাল: পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে চলছে ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR)। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২০০২ এর ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় একাধিক আত্মহত্যার অভিযোগও সামনে এসেছে। এই আবহে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা নিয়ে সরব হলেন মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্র। শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ধনুরহাটে মানবাধিকার সংগঠন ‘সিপিডিআরএস’-এর সভায় ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি বলেন, ‘নাগরিকত্ব মানুষের জন্মগত অধিকার, তা কোনও প্রশাসনিক পরীক্ষার বিষয় হতে পারে না’। 

শনিবার ‘সিপিডিআরএস’-এর ডায়মন্ড হারবার মহকুমা কমিটির আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ‘এনআরসি না এসআইআর’ শীর্ষক সেই আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখার সময় সুজাত ভদ্র বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের নাগরিকত্ব যাচাইয়ের কোনো সাংবিধানিক ক্ষমতা নেই। একজন নাগরিককে ডেকে তিনি নাগরিক কি না, তার প্রমাণ চাওয়া সম্পূর্ণ বেআইনি এবং অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এটি আইনের পরিপন্থী।’

প্রসঙ্গত, রাজ্যজুড়ে এসআইআর নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ভীতি তৈরি হয়েছে, তা দূর করতেই এই উদ্যোগ বলে জানান আয়োজকরা। সিপিডিআরএস নেতৃত্বের অভিযোগ, নাগরিকত্বের নামে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে সমাজকে বিভাজিত করার চেষ্টা চলছে। এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আগামী দিনে নিচুতলায় গিয়ে গণআলোচনা এবং আইনি সচেতনতা বৃদ্ধির কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এদিনের সভায় শতাধিক মানুষ অংশ নেন এবং বক্তারা স্পষ্টভাবে বার্তা দেন যে, নাগরিকত্ব প্রমাণের দায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। সভায় মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্র। এছাড়াও ছিলেন সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক রাজকুমার বসাক, কোষাধ্যক্ষ জ্ঞানতোষ প্রামাণিক এবং মহকুমা সম্পাদক সেরিফ হোসেন পুরকাইত।

SIR: এসআইআর ফর্ম ভরা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া অবস্থান, না ভরলেও ক্ষতি নেই, বলছে কমিশনের নিয়ম

এই দিনকাল: রাজ্যে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর (SIR)এর কাজ জোর কদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। এসআইআর আতঙ্কের বিরোধিতা করে ইতিমধ্যে সরব হয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাবে ঘোষণা করেছেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেক মানুষ যতক্ষণ না এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনিও ফর্ম ভরবেন না। তবে কমিশনের নিয়ম বলছে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এসআইআর ফর্ম না ভরলেও চলবে। কেন না পদাধিকার বলে তিনি আগে থেকেই নির্বাচন কমিশনের কাছে চিহ্নিত ভোটার।

কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, শুধু মুখ্যমন্ত্রী নন, দেশের প্রধানমন্ত্রীরও এনুমারেশন ফর্ম ভরা আবশ্যিক নয়। সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, দেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীরাও এই তালিকায় থাকেন। কারণ তাঁদের সম্পর্কে তথ্য কমিশনের কাছে আলাদা করে রাখা থাকে। কমিশন সূত্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীদের নাম নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকায় স্বয়ংক্রিয় ভাবেই নথিভুক্ত করা হয়। বিশেষ ভাবে এনুমারেশন ফর্ম পূরণের প্রয়োজন নেই।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সমাজ মাধ্যম ফেসবুকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, ‘গতকাল দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএলও আমাদের পাড়ায় এসেছিলেন তাঁদের নির্দিষ্ট কাজ করতে। কর্মসূত্রে, আমার রেসিডেন্স অফিসে এসে – রেসিডেন্সের ক’জন ভোটার জেনেছেন এবং ফর্ম দিয়ে গেছেন। যতক্ষণ না বাংলার প্রতিটি মানুষ ফর্ম পূরণ করছেন, আমি নিজে কোনও ফর্ম পূরণ করিনি এবং করবও না। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সংবাদপত্র প্রকাশ করেছে যে, ‘আমি বাসভবন থেকে বেরিয়ে এসে নিজের হাতে বিএলও-এর কাছ থেকে এনুমারেশন ফর্ম গ্রহণ করেছি!’ এই খবর সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার।’

কমিশন সূত্রের খবর, বুধবার ভবানীপুরে ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে এনুমারেশন ফর্ম দিয়ে এসেছেন বিএলও। মোট ৪০টি ফর্ম মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক আধিকারিক ফর্মগুলি রিসিভ করে নেন বলে সূত্রের দাবি।

SIR: এসআইআর-এ কোন নথি প্রয়োজন? দেখে নিন সম্পূর্ণ তালিকা

এই দিনকাল: বঙ্গে শুরু হয়ে গিয়েছে স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন বা এসআইআর (SIR)। ভোটার তালিকা স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত করতে নির্বাচন কমিশন দেশজুড়ে ধাপে ধাপে এই বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা শুরু করেছে বলে দাবি। যদিও বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে, প্রকৃত ভোটারের নাম বাদ গেলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার। কোন কোন নথি এসআইআর এর জন্য প্রয়োজন সে বিষয়ে কমিশনের তরফে স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, ২০০২ সালে ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে, তাঁদের আলাদা করে নথি জমা দিতে হবে না। নথি দিতে হবে না যাঁদের বাবা, মায়ের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে তাঁদেরকেও। পাশাপাশি যাঁদের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই বা যাঁদের বাবা, মায়ের নাম ওই তালিকায় নেই তাঁদের জন্য ১১টি নথির একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে। এই তালিকায় থাকা যে কোনও একটি নথি দিলে এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম তোলা যাবে।

এক নজরে ১১ নথি

১) কেন্দ্রীয় সরকার অথবা রাজ্য সরকারের কর্মী হিসাবে কর্মরত ছিলেন বা পেনশন পান এমন নথি।

২) ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস, এলআইসি, স্থানীয় প্রশাসনের তরফে দেওয়া আপনার নামে থাকা যে কোনও নথি। 

৩) জন্ম শংসাপত্র। 

৪) পাসপোর্ট। 

৫) মাধ্যমিক বা তার উর্ধ্বে কোনও শ্রেণীর শিক্ষাগত শংসাপত্র।

৬) রাজ্য সরকারের দেওয়া স্থায়ী বাসিন্দা শংসাপত্র। 

৭) বন অধিকার শংসাপত্র। 

৮) এসসি, এসটি, ওবিসি বা অন্য কোনও জাতিগত শংসাপত্র।

৯) জাতীয় নাগরিকপঞ্জী বা এনআরসি।

১০) রাজ্য সরকার বা স্থানীয় প্রশাসনের দেওয়া ফ্যামিলি রেজিস্ট্রার।

১১) জমি অথবা বাড়ির দলিল।

কমিশন জানিয়েছে, আধার কার্ড যেহেতু নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, তাই আধারের সঙ্গে উপরের যে কোনও একটা নথি দিতে হবে। 

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া চালুর কথা সোমবার ঘোষণা করেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তীসগঢ়, গোয়া, গুজরাট, কেরল, লাক্ষাদীপ, মধ্যপ্রদেশ, পুদুচেরি, আন্দামান ও নিকোবরে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার কাজ ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে। ওই দিন থেকে এই রাজ্যগুলিতে এনুমেরেশন ফর্ম ছাপা এবং বিএলওদের প্রশিক্ষণের কাজ চালু হয়েছে। যা চলবে আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত। 

কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমেরেশন ফর্ম দেওয়া হবে ৪ নভেম্বর থেকে। চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে ৯ ডিসেম্বর। সেই তালিকা নিয়ে যদি কারোর অভিযোগ থাকে তাহলে তা জানাতে হবে ৯ ডিসেম্বর থেকে আগামী বছর ৮ জানুয়ারির মধ্যে। অভিযোগ খতিয়ে দেখার কাজ চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। সবশেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে ৭ ফেব্রুয়ারি।

SIR: এসআইআর নিয়ে ডাকা সর্বদল বৈঠকে প্রশ্নের মুখে কমিশন

এই দিনকাল: ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন (SIR) বা বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা চালু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২ রাজ্যে। সোমবার দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এসআইআর এর নির্ঘন্ট ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিকেল ৪টেয় সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। কলকাতায় কমিশনের রাজ্য দফতরে সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল, বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। সেখানেই বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির প্রশ্নের মুখে পড়ে কমিশন।

রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। কমিশনকে বিঁধে তিনি বলেন, এসআইআর নিয়ে প্রচুর মানুষ আতঙ্কিত। অনেকে আত্মহত্যা করছেন। এই মৃত্যুর দায় কমিশনকেই নিতে হবে বলে সরব হয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, এসআইআর এনআরসি-র পূর্বপরিকল্পিত। কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও বৈঠকে ছিলেন। তিনি হুঁশিয়ারি দেন, বাংলার এক জন বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গেলেই প্রতিবাদ করবে তৃণমূল। 

সর্বদল বৈঠকে সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী প্রশ্ন তোলেন, এসআইআর এর ক্ষেত্রে কমিশন থেকে যে নথিগুলির কথা বলা হচ্ছে, সেগুলি নাগরিকত্বের প্রমাণ, এটা কী ভাবে বলা হচ্ছে? নাগরিকত্ব ঠিক করার অধিকার কমিশনকে কে দিয়েছে? এদিনের বৈঠকে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে তৃণমূল ও বামেদের তরফে প্রশ্ন তোলা হলেও বিজেপির তরফে কমিশনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

অন্য দিকে এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল বলেন, ‘এসআইআর আজ থেকে চালু হয়েছে। ৩ নভেম্বর পর্যন্ত বিএলও প্রশিক্ষণ হবে। প্রত্যেক ভোটারের একটি কিউআর কোড হবে। ওটা নিয়ে ফর্ম প্রিন্টিং হবে। এর পরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ৪ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত গণনা হবে।’ তিনি আরও বলেন, সোমবার মধ্যরাতে ভোটার তালিকা ফ্রিজ হয়েছে। ওই সময়সীমা পর্যন্ত রাজ্যে ভোটার রয়েছেন ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯ জন।

SIR: এসআইআর চালু হয়ে গেল পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২ রাজ্যে, ৪ নভেম্বর থেকে দেওয়া হবে ফর্ম

এই দিনকাল: পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকায় স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া চালু হয়ে গেল। সোমবার মধ্যরাতে এই ১২ রাজ্যের ভোটার তালিকা ফ্রিজ করা হবে। এর পর ২৮ অক্টোবর থেকে এই রাজ্যগুলিতে শুরু হবে এনুমেরেশন ফর্ম ছাপা এবং বিএলওদের প্রশিক্ষণের কাজ। যা চলবে আগামী ৩ নভেম্বর পর্যন্ত। 

সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি ঘোষণা করেন, বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমেরেশন ফর্ম দেওয়া হবে ৪ নভেম্বর থেকে। এই ফর্ম বিতরণ চলবে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এর পর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে আগামী ৯ ডিসেম্বর। সেই তালিকা নিয়ে যদি কারোর অভিযোগ থাকে তাহলে তা জানাতে হবে ৯ ডিসেম্বর থেকে আগামী বছর ৮ জানুয়ারির মধ্যে। অভিযোগ খতিয়ে দেখার কাজ চলবে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। সবশেষে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে ৭ ফেব্রুয়ারি। 

কোন ১২ রাজ্যে এসআইআর? নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, ছত্তীসগঢ়, গোয়া, গুজরাট, কেরল, লাক্ষাদীপ, মধ্যপ্রদেশ, পুদুচেরি, আন্দামান ও নিকোবরে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষার কাজ হবে। এই ১২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মোট ভোটার রয়েছে প্রায় ৫১ কোটি। 

প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, গোয়া, গুজরাট এবং পুদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে। উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন আয়োজিত হবে ২০২৭ সালে। তবে অসমে আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচন থাকলেও সে রাজ্যে এখনই এসআইআর করা হচ্ছে না। কারণ হিসাবে কমিশন জানিয়েছে, অসমে নাগরিকত্বের বিধি দেশের বাকি রাজ্যের থেকে আলাদা। 

Mamata Banerjee: ‘জীবন থাকতে কারোর ভোটাধিকার কাড়তে দেব না’: মমতা

এই দিনকাল: বিহারের পর বাংলায় ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা হতে পারে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এই আবহে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জীবন থাকতে কারোর ভোটাধিকার কাড়তে দেব না বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। বৃহস্পতিবার তৃণমূল কংগ্রেসের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি এর প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে মেয়ো রোডের মঞ্চ থেকে এই মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। 

নিজের ভাষণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা বলছি জীবন থাকতে কারোর ভোটাধিকার কাড়তে দেব না। এক দিকে বিজেপি অন্য দিকে তার বন্ধু বাম। সমস্ত এজেন্সি আর ইলেকশন কমিশনের চেয়ারটাকে সম্মান করি। কিন্তু জানেন তো বাচ্চারা ললিপপ খেলে মানায় কিন্তু বড়রা কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে ললিপপ খেলে সেটা মানায় না।’ তাঁর আরও সংযোজন, ‘মনে রাখবেন, আমরা ললিপপ বাচ্চাদের দিই। ১৮ বছরের নতুন ভোটারদের ললিপপ দিই না। আমরা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রদান করি। তাই আপনাদের জোর জুলুম বাংলা মানছে না, মানবে না।’ বিবেক অগ্নিহোত্রির বেঙ্গল ফাইলস সিনেমা নিয়ে বিতর্ক চলছে। এদিন নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন আবার সিনেমা বানাচ্ছে টাকা দিয়ে। বাংলার বদনাম করার জন্য, বাংলার অসম্মান করার জন্য।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘কিছু হিংসুটে লোক আছে দেখলে জ্বলে আর লুচির মত ফোলে। ১০০ দিনের কাজে আমরা পর পর চার বছর পাঁচ বছর আমরা এক নম্বরে ছিলাম। গ্রামীণ আবাস যোজনায় এক নম্বরে ছিলাম। রাস্তা তৈরিতে এক নম্বরে ছিলাম। তাই সেলফিস জায়ান্টরা যারা হাই লোডেড ভাইরাস তারা হিংসা করে আমাদের টাকা বন্ধ করে দিয়েছে।’ বৃহস্পতিবার ছাত্রদের সমাবেশ মঞ্চের ভাষণে তৃণমূল সরকারের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন মমতা। তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ‘২০১১ সালের পর থেকে রাজ্যের আয় বেড়েছে সাড়ে পাঁচ গুন। ২০১৩ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে ১ কোটি ৭২ লক্ষ মানুষকে দারিদ্রসীমার উপরে নিয়ে এসেছি আমরা।’