এই দিনকাল: কলকাতা পারেনি। হায়দরাবাদ পেরেছে, মুম্বইও সফল। ফুটবলের রাজপুত্র লিয়োনেল মেসিকে (Lionel Messi) কোনও ঝঞ্জাট ছাড়াই বরণ করে নিল রবিবারের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস থেকে শুরু করে ‘ক্রিকেটের ঈশ্বর’ সচিন তেন্দুলকর (Sachin Tendulkar)। ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হিসেবে সচিন এদিন মেসির হাতে তুলে দেন নিজের ১০ নম্বর জার্সি। মেসিও শচিনকে দেন একটি ফুটবল। দুই কিংবদন্তি যখন উপহার বিনিময় করছেন, তখন ভরা স্টেডিয়াম ফুটছে অকল্পনীয় উন্মাদনায়।
ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন মেসির সঙ্গে ছিলেন লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো ডি’পল। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের তারকার সঙ্গে সাক্ষাতের পর মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে সচিন বলেন, ‘আমি এখানে কিছু অবিশ্বাস্য মুহূর্ত কাটিয়েছি। আমরা মুম্বইকে স্বপ্নের শহর বলি, এই ভেন্যুতে অনেক স্বপ্নই শেষ রেখা দেখেছে। আপনাদের সমর্থন ছাড়া, ২০১১ সালে এই মাঠে আমরা কখনও সেই সোনালী মুহূর্তগুলি দেখতে পেতাম না। এবং আজ, তাঁদের তিন জনকেই এখানে পাওয়া মুম্বই, মুম্বইবাসী এবং ভারতের জন্য একটি সোনালী মুহূর্ত। তিন জনকেই যেভাবে স্বাগত জানানো হয়েছে তা অসাধারণ। যদি আমাকে তাঁর খেলার কথা বলতে হয়, তবে এটি সঠিক জায়গা নয়। কিন্তু কেউ তাঁর সম্পর্কে কী বলবে, তিনি সবকিছু অর্জন করেছেন। আমরা তাঁর নিষ্ঠা, দৃঢ়তা, প্রতিশ্রুতি এবং সর্বোপরি, তার নম্রতা এবং তাঁর ব্যক্তিত্বের জন্য এত ভালবাসা জানাই। সমস্ত মুম্বইবাসীর পক্ষ থেকে, তাঁকে এবং তাঁর পরিবারের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। আপনাদের সকলকে, এখানে উপস্থিত থাকার এবং আমাদের তরুণদের উৎসাহিত করার জন্য আবারও ধন্যবাদ। আমি আশা করি ফুটবলও আমাদের সকলের আকাঙ্ক্ষার উচ্চতায় পৌঁছাবে।’
রবিবার গোট কনসার্টের শুরুতে একটি প্রীতি ম্যাচ হয়। ইন্ডিয়া স্টার্স বনাম মিত্রা স্টার্সের মধ্যে হওয়া সেই ম্যাচে ভারতীয় ফুটবলার সুনীল ছেত্রী হেডে গোল করেন।মেসিও পেনাল্টিতে গোল করেন। মাঠে এদিন বেশ খোশ মেজাজে দেখা যায় আর্জেন্টিনার কিংবদন্তিকে। অনেকবার তাঁকে দেখা যায় দর্শকদের দিকে হাত নাড়িয়ে অভিবাদন কুড়াতে।
