Rape: নার্সকে বন্দি করে একাধিকবার ধর্ষণ, ধর্মান্তকরণের জন্য চাপ, হরিয়ানায় গ্রেফতার ট্রাক চালক




এই দিনকাল: বছর খানেক আগে সমাজ মাধ্যমে আলাপ হয়েছিল। তার পর এগোতে থাকে কথা। কিন্তু সেই ‘বন্ধুর’ বিরুদ্ধে ধর্ষণের (Rape) অভিযোগ এক নার্সের। শুধু তাই নয় নির্যাতিতাকে বন্দি করে ধর্মান্তকরণের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে হরিয়ানার নুহে। ইতিমধ্যে তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতকে আদালতে তোলা হলে তাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।


রবিবার পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতার বয়স ২৫ বছর। তিনি আদতে পাঞ্জাবের বাসিন্দা। হরিয়ানার নুহ জেলার একটি গ্রামে তাঁকে বন্দি করে অভিযুক্ত ট্রাকচালক বেশ কয়েকদিন ধরে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। নির্যাতিতার অভিযোগ, অভিযুক্ত বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁকে ধর্মান্তকরণের জন্য চাপ দেয়। তিনি রাজি না হওয়ায়, খুনের হুমকি দেয় এবং আপত্তিকর ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল করার হুমকি দেয়। পুলিশ কর্তা কুলদীপ সিং এ বিষয়ে জানান, নির্যাতিতা শনিবার রাতে কোনও রকমে পালিয়ে ফিরোজপুর ঝিরকা সিটি থানায় আসতে সক্ষম হন। সেখানে একটি এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত ট্রাকচালক জাহির (২০)-কে গ্রেফতার করেছে। তিনি আরও বলেন, নুহ জেলার ধোন্ধ গ্রামের বাসিন্দা অভিযুক্ত। তাকে রবিবার নুহ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠান। তদন্তে জানা গিয়েছে, পাঞ্জাবের ফিরোজপুরের বাসিন্দা নির্যাতিতা নার্সের সঙ্গে প্রায় এক বছর আগে সমাজ মাধ্যমে আলাপ হয়েছিল জাহিরের। অভিযুক্ত তাকে বিশ্বাস করিয়েছিল যে সে বিবাহিত। এরপর, একটি হোটেলে নিয়ে যায় নির্যাতিতাকে অভিযুক্ত, যেখানে তাকে জোর করে ধর্ষণ করে এবং আপত্তিকর ভিডিও তোলে। পরে সেই ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে থাকে। শুধু একাধিকবার ধর্ষণ নয়। নির্যাতিতার কাছ থেকে প্রায় দেড় লক্ষ টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে অভিযুক্ত।


নিজের বয়ানে তরুণী বলেন, ‘২০ মার্চ, অভিযুক্ত আমাকে তার গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে বন্দী করে ধর্ষণ করা হয়। এই সময়, সে আমাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার জন্য চাপ দেয়। আমি বাধা দিলে, আমাকে মারধর করা হয় এবং খুনের হুমকি দেয়।’ শনিবার রাতে, তিনি কোনও ভাবে অভিযুক্তের কবল থেকে পালাতে সক্ষম হন। পরে ফিরোজপুর ঝিরকা থানায় পৌঁছে অভিযোগ দায়ের করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *