Category Archives: বিশ্ব

India Pakistan: দেশে কতগুলি পরমাণু কেন্দ্র রয়েছে? পরস্পরকে হিসেব দিল ভারত ও পাকিস্তান

এই দিনকাল: পহেলগাঁও কাণ্ড এবং তার পর অপারেশন সিঁদুর অভিযানের পর ভারত ও পাকিস্তানের (India Pakistan) মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। তবে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা থাকলেও নিয়ম মেনে পরস্পরকে পরমাণুকেন্দ্রের (nuclear installations) হিসেব দিল নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ। পাশাপাশি নিজেদের হেফাজতে পড়শি দেশের কত জন বন্দী রয়েছে সেই সংক্রান্ত তালিকাও বিনিময় করা হয়েছে উভয়ের মধ্যে। বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি এই তালিকা বিনিময় করা হয়েছে বলে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর। 

বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তান নিজেদের দেশে থাকা পারমাণবিক কেন্দ্রগুলির তালিকা পরস্পরকে দিয়েছে। ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত হওয়া একটি চুক্তির আওতায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে এই নিয়ম চলে আসছে। ওই চুক্তি অনুসারে, উভয় দেশ প্রতি বছর ১ জানুয়ারি পারমাণবিক কেন্দ্র সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় করে।

এর পাশাপাশি ২০০৮ সালের কনস্যুলার অ্যাক্সেস সংক্রান্ত চুক্তি অনুসারে ভারত নিজেদের হেফাজতে থাকা পাক বেসামরিক বন্দী ও জেলেদের তালিকাও ইসলামাবাদকে দিয়েছে। পাকিস্তানও সে দেশে বন্দী থাকা সাধারণ ভারতীয় নাগরিক ও মৎস্যজীবীদের তালিকা নয়াদিল্লিকে দিয়েছে। সূত্রের খবর, ভারতের হেফাজতে পাকিস্তানের ৩৯১ জন বেসামরিক বন্দী এবং ৩৩ জন জেলে রয়েছেন। পাশাপাশি পাকিস্তানে বন্দী রয়েছেন ৫৮ জন ভারতীয় বেসামরিক বন্দী এবং ১৯৯ জন জেলে।

Asim Munir: পাকিস্তানের পারমাণবিক বোমার নিয়ন্ত্রণ ভারত বিদ্বেষী আসিম মুনিরের হাতে

এই দিনকাল: ভারত বিদ্বেষী আসিম মুনিরকে বড় দায়িত্ব দিল পাকিস্তান (Pakistan)। শাহবাজ শরিফ সরকার (Shehbaz Sharif government) আনুষ্ঠানিকভাবে ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে পাকিস্তানের প্রথম প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান বা চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্স (সিডিএফ) হিসেবে নিযুক্ত করেছে। এটি পারমাণবিক ক্ষমতা সম্পন্ন দেশের শক্তিশালী সামরিক পদ। শরিফ সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে পাঁচ বছরের জন্য মুনির তিন বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আসিফ আলি জারদারির অফিসের তরফে সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মুনিরকে সেনাবাহিনীর প্রধান (সিওএএস) এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান (সিডিএফ) উভয় পদের জন্য সুপারিশ করেছিলেন। রাষ্ট্রপতি তা অনুমোদন করেছেন।

চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস পদটি কেবল তিন শাখার (সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী) প্রধান নয়, বরং ন্যাশনাল স্ট্র‍্যাটেজিক কম্যান্ডের দেখভালেরও দায়িত্ব এই পদাধিকারীর। যা দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র এবং ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পরিচালনা করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কারণে মুনির একাই দেশটির সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক ব্যক্তিত্ব। রিপোর্ট অনুসারে, নতুন পদটি মুনিরকে দেশের রাষ্ট্রপতির সমতুল্য আইনি সুরক্ষাও দিয়েছে। রাষ্ট্রপতির মতো ফিল্ড মার্শালকেও যেকোনও আইনি মামলা থেকে আজীবন দায়মুক্তি দেবে। বিমান বাহিনী এবং নৌবাহিনী প্রধানরাও এই সুবিধা পেয়ে থাকে। যদি মেয়াদ শেষে প্রধানমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রপতিকে তিনি বলেন, তিনি পুনরায় নিযুক্ত হতে চান, তাহলে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, এই সংশোধনী পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর উপর সে দেশের সরকারের প্রভাব কমাবে।  পাকিস্তানি মিডিয়া রিপোর্ট অনুসারে, সিডিএফ এখন থেকে সেনাবাহিনীর ভাইস চিফ অফ আর্মি স্টাফ (ভিসিওএএস) পদে নিয়োগের সুপারিশ করার ক্ষমতা পাবে। যদিও পরে তা ফেডারেল সরকারের তরফে অনুমোদন করতে হবে। এর আগে, এই নিয়োগগুলি করার জন্য বিশেষাধিকার ছিল সরকারের।

Imran Khan: ‘বেঁচে আছেন ইমরান খান, জেলে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে’: সাক্ষাতের পর জানালেন বোন

এই দিনকাল: পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খাঁন (Imran Khan) বেঁচে রয়েছেন, তবে জেলের নির্জন কক্ষে তাঁকে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে। ইমরানের সঙ্গে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে দেখা করার পর সংবাদ মাধ্যমকে এমনটাই জানালেন তাঁর বোন ডাঃ উজমা খান।

প্রাক্তন ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খানের সঙ্গে মঙ্গলবার সাক্ষাৎ করেন উজমা। সেই সাক্ষাতের পর ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) একটি বিবৃতি দিয়েছে।  তাতে বলা হয়েছে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে ‘নির্জন কারাগারে রাখা হয়েছে এবং মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, উজমা ইমরানের সঙ্গে জেলে দেখা করে বাইরে এসে নিশ্চিত করেছেন, যে ইমরান খানের স্বাস্থ্য ভালো রয়েছে। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে একাধিক মামলায় ইমরান খানকে জেলের মধ্যে আটকে রাখা হয়েছে। গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে তাঁর সঙ্গে পরিবারের কাউকে সাক্ষাৎ করতে দেওয়া হয়নি। যার ফলে নানান জল্পনা তৈরি হয়। ইমরান আদৌ বেঁচে আছেন কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। যদিও সেই জল্পনার মাঝে আদিয়ালা জেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, ইমরান ‘সুস্থ’ আছেন। বৃহস্পতিবার ইমরানের দল পিটিআই এক বিবৃতিতে জানায়, প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর এক বোন ডাঃ উজমা খানকে তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। 

পিটিআই কর্মী সমর্থকদের বিক্ষোভ প্রতিহত করতে সরকার ইতিমধ্যেই রাওয়ালপিন্ডি এবং ইসলামাবাদে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। রাওয়ালপিন্ডির আটটি থানার অফিসার এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আদিয়ালা জেলের বাইরে রয়েছেন। পাকিস্তানের পাঞ্জাব সরকারের একজন কর্মকর্তা সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আট কিলোমিটার এলাকা সম্পূর্ণভাবে সিল করে দেওয়া হয়েছে। স্কুল ও কলেজ বন্ধ রয়েছে। এলাকা দিয়ে যাতায়াত করার জন্য বাসিন্দাদের তাদের আইডি কার্ড দেখাতে হচ্ছে।’

এদিকে, ইমরান খানকে নির্জন কক্ষে রাখার জন্য সরকারের বিরুদ্ধে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বাইরে বিক্ষোভ করেছেন একদল আইনজীবী। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তালাল চৌধুরী বলেছেন, ইসলামাবাদ এবং রাওয়ালপিন্ডিতে যে কোনও মূল্যে ১৪৪ ধারার প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, ‘ইসলামাবাদ হাইকোর্ট বা আদিয়ালা জেল, তারা যেখানেই আসুক না কেন, কোনও বাছবিচার ছাড়া ১৪৪ ধারার অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Islam: তীর্থযাত্রায় পাকিস্তানে গিয়ে ইসলাম গ্রহণ, সে দেশের নাগরিককে বিয়ে ভারতীয় শিখ মহিলার

এই দিনকাল: গুরু নানকের (Guru Nanak) জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পাকিস্তানে গিয়েছিল ভারতীয় শিখ সম্প্রদায়ের একটি দল। প্রতিবেশী দেশে সেই তীর্থযাত্রায় গিয়ে ইসলাম (Islam) ধর্ম গ্রহণ করলেন এক ভারতীয় শিখ মহিলা। শুধু তাই নয় ধর্মান্তরিত হওয়ার পাশাপাশি এক পাক নাগরিকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের ওই দলটির সকলে দেশে ফিরলেও ওই মহিলা ভারতে ফেরেননি। আর যা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল তাঁর পরিজনদের মধ্যে।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ভিন দেশে গিয়ে ধর্মান্তরিত হওয়া ওই মহিলার নাম সরবজিৎ কৌর। তিনি পাঞ্জাবের কাপুরথালার বাসিন্দা। ৫২ বছর বয়সী সরবজিৎ অন্যান্য শিখ তীর্থযাত্রীর সঙ্গে দুই দেশের সরকারের অনুমতিতে গত ৪ নভেম্বর ওয়াঘা-আটারি সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। চলতি বছরে গুরু নানক দেবের ৫৫৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সামিল হতে তাঁরা সীমান্তের ওপারে গিয়েছিলেন। পাকিস্তানে প্রায় ১০ দিন কাটানোর পর ১৩ নভেম্বর ১৯৯২ জন শিখ তীর্থযাত্রীর দল ভারতে ফিরে আসে। কিন্তু সেই দলে ছিলেন না সরবজিৎ।

সম্প্রতি উর্দুতে একটি ‘নিকাহনামা’ (ইসলামিক বিয়ের চুক্তি) প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও তার সত্যতা এই দিনকাল যাচাই করেনি। সেখানে দাবি করা হয়েছে সরবজিৎ পাক নাগরিক নাসির হুসেনকে বিয়ে করেছেন। নাসির লাহোর থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দূরে শেখুপুরার বাসিন্দা। রিপোর্ট অনুসারে, ভারতীয় ওই মহিলা বিয়ের আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি তাঁর নামও পরিবর্তন করেছেন। তিনি নতুন নাম নিয়েছেন নূর। সূত্রের খবর, সরবজিৎ বিবাহবিচ্ছিন্না ছিলেন। তাঁর প্রাক্তন স্বামী কর্নাইল সিং ৩০ বছর ধরে ইংল্যান্ডে বসবাস করছেন। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে।

পুলিশ সূত্রের দাবি, সরবজিতের পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছিল পাঞ্জাবের মুক্তসর জেলায়। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি পাকিস্তানে নিখোঁজ হয়েছিলেন।পাকিস্তান থেকে ভারতে প্রবেশের জন্য ইমিগ্রেশন রেকর্ডেও তাঁর নাম পাওয়া যায়নি। সবাই ফিরে এলেও তিনি পাকিস্তান থেকে না ফেরায় ভারতের ইমিগ্রেশন বিভাগ দ্রুততার সঙ্গে পাঞ্জাব পুলিশকে বিষয়টি জানায়।  এর পর ভারতের তরফে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

উল্লেখ্য শিখদের শীর্ষ সংস্থা শিরোমণি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটি (এসজিপিসি) প্রতি বছর ঐতিহাসিক গুরুদ্বারগুলিতে শ্রদ্ধা জানাতে, বিশেষ করে গুরু নানকের প্রকাশ পর্বে তীর্থযাত্রীদের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে পাঠায়। গত মাসে, সরকার নিরাপত্তাজনিত কারণে ভ্রমণের অনুমতি প্রত্যাখ্যান করার প্রায় দুই সপ্তাহ পরে, সীমান্তের ওপারে নানকানা সাহিব গুরুদ্বারে শিখ ভক্তদের ১০ দিনের তীর্থযাত্রা করার অনুমতি দেয়।

Suicide Blast: পাকিস্তানে আদালত চত্বরে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, মৃত্যু ১২ জনের, আহত অন্তত ২৫

এই দিনকাল: আত্মঘাতী বিস্ফোরণে (Suicide Blast) কেঁপে উঠল পাকিস্তানের ইসলামাবাদ। প্রাণঘাতী বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২ জনের। জখম হয়েছেন ২৫ জনের বেশি। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, মঙ্গলবার বিকেলে ইসলামাবাদে আদালত চত্বরে পার্ক করা একটি গাড়িতে শক্তিশালী এই বিস্ফোরণ ঘটে। আহত এবং নিহতদের মধ্যে বেশিরভাগই আইনজীবী বলে জানা গিয়েছে। 

সূত্রের খবর, আর পাঁচটা দিনের মত মঙ্গলবার দুপুরেও ব্যস্ততা ছিল ইসলামাবাদ জেলা আদালত চত্বরে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আদালতের প্রবেশপথের কাছে পার্ক করা একটি গাড়ির ভিতরে এই বিস্ফোরণ ঘটে। তদন্তকারীদের অনুমান এটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ। বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় এলাকায়। ছোটাছুটি শুরু করেন স্থানীয়রা। বিস্ফোরণের শব্দ এতটা তীব্র ছিল যে, ছয় কিলোমিটার দূর পর্যন্ত তার আওয়াজ শোনা গেছে।

এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই হামলার পর দেশ ‘যুদ্ধাবস্থার’ মধ্যে রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত এলাকাটি ঘিরে দেয় এবং তড়িঘড়ি আহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিস্ফোরণের পর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। মানুষ জন চিৎকার করতে শুরু করেন। প্রাণ বাঁচাতে অনেকেই দৌড়াতে শুরু করেন। পুলিশ আত্মঘাতী হামলার তদন্ত শুরু করেছে। এর পেছনে কারা রয়েছে তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে তদন্তকারীরা। তবে এখনও কোনও গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি।

Zohran Mamdani: নিউইয়র্ক সিটির মেয়র নির্বাচিত ভারতীয় বংশোদ্ভূত জোহরান মামদানি, ইতিহাসে এই প্রথম ওই পদে কোনও মুসলিম

এই দিনকাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ১১১তম মেয়র নির্বাচিত হলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জোহরান মামদানি (Zohran Mamdani)। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি শহরটির মেয়র হিসেবে শপথ নেবেন জোহরান। নিউইয়র্কের নব নির্বাচিত মেয়রের ভারতের সঙ্গেও রয়েছে নাড়ির যোগ। জোহরানের মা প্রখ্যাত ভারতীয় ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা মীরা নায়ার। মঙ্গলবার নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ইতিহাস গড়েছেন জোহরান। কারণ এই প্রথম নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হলেন কোনও ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম ব্যক্তি।

নিউইয়র্কের প্রাক্তন গভর্নর ও স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যান্ড্রু কুমো জোহরানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন রিপাবলিকান প্রার্থী কার্টিস স্লিওয়াও। কিন্তু দুজনকেই পরাজিত করে ইতিহাস লিখেছেন জোহরান। গত ১০০ বছরের ইতিহাসে নিউইয়র্কের সবচেয়ে কম বয়সী মেয়র মীরা পুত্র। উল্লেখ্য নিউইয়র্ক সিটির বর্তমান মেয়র এরিক অ্যাডামসও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রথমে নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছিলেন। যদিও গত সেপ্টেম্বরে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি।

নিউইয়র্কের মেয়র নির্বাচনে ভোটদান করেছেন প্রায় ১৭ লক্ষ মানুষ। যা গত ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ভোটদান।সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত (ভারতীয় সময় বুধবার ভোর সাড়ে ৪টে) এই বিপুল সংখ্যক মানুষ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। প্রসঙ্গত, মামদানির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছিলেন খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি মামদানিকে ‘কমিউনিস্ট’ আখ্যা দিয়েছিলেন। হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, যদি মামদানি জেতে, তাহলে তিনি নিউইয়র্কের নিয়ন্ত্রণ নেবেন।

Museum: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খেলনা নিয়ে ইরানে গড়ে উঠেছে আস্ত একটি মিউজিয়াম

এই দিনকাল: ছেলেবেলার শখের খেলনা দেখে স্মৃতির সাগরে ডুব দেন অনেকে। প্রিয় সেই বস্তু দেখে মনের আঙিনায় ফিরে আসে ফেলে আসা শৈশবের নানান মুহূর্ত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের শৈশবের এমন খেলনা জমিয়ে আস্ত একটি জাদুঘর (Museum) গড়ে তুলেছেন ৪৬ বছর বয়সী আজাদেহ বায়াত। ইরানের রাজধানী তেহরানে একটি বাড়ি সংস্কার করে সেটিকে খেলনার জাদুঘরে পরিণত করেছেন তিনি।

সংবাদ মাধ্যমকে আজাদেহ বায়াত জানিয়েছেন, তাঁর নির্মিত জাদুঘরে যেমন রয়েছে প্রাচীন পারস্যের খেলনা, তেমনই জায়গা করে নিয়েছে সোভিয়েত রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সময়ের শিশুদের খেলনা। মিউজিয়ামটি গড়ে তুলতে ছয় বছর ধরে সংস্কারের কাজ হয়েছে। ২০২৪ সালে জাদুঘরটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। আজাদেহের কথায়, ‘সর্বদা আমার মনে হত, হয়ত শিশু ও কিশোররা জাদুঘর দেখতে আসবে। কিন্তু বর্তমানে বড়রাও নিয়মিত ঢুঁ মারেন।’

মিউজিয়ামটির প্রতিষ্ঠাতা আজাদেহ শিশুশিক্ষাবিষয়ক গবেষক। এই জাদুঘরের জন্য তিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে দুই হাজারের বেশি খেলনা সংগ্রহ করেছেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু কেন এমন সিদ্ধান্ত? এই প্রশ্নের জবাবে আজাদেহ বলেন, ‘নিজেদের মা–বাবা ও ঠাকুমা, ঠাকুরদার খেলনা দেখে শিশুরা প্রবীণদের সম্পর্কে আরও ভাল ভাবে বুঝতে পারবে। পাশাপাশি তাঁদের জগতের সঙ্গে নিজেদের জগৎকে আরও ভাল ভাবে যুক্ত করতে শিখতে পারবে।’

জাদুঘরে ঢুকে দেখা যায় পারস্যের প্রাচীন একটি মাটির খেলনা, যেটা কিনা একটা পশুমূর্তি, সেটি প্রদর্শিত হচ্ছে কাচের বাক্সের মধ্যে রেখে। কাছেই একটি জায়গায় কাঠের ‘ম্যাট্রিওশকা’ পুতুলের একটি দল সাজানো রয়েছে। পুতুলগুলোকে রাশিয়ার ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরানো রয়েছে। মিউজিয়ামে রয়েছে মার্কিন বার্বি ডল, সেই সঙ্গে রাখা হয়েছে ২০০০–এর দশকে ইরানের বাজারে আসা ‘সারা ও দারা’ নামের দুই পুতুলকেও। প্রসঙ্গত, ইরানে বার্বি ডল নিষিদ্ধ ছিল সে সময়। এই পুতুলের বিকল্প হিসেবে ‘সারা ও দারা’কে বাজারে আনা হয়েছিল।

Narendra Modi: দিল্লিতে মিশরের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদীর, গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সিসির ভূমিকার প্রশংসা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর

এই দিনকাল: ভারত সফরে এসেছেন মিশরের বিদেশমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি (Egypt’s Foreign Minister Dr Badr Abdelatty)। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। গাজায় শান্তি চুক্তিতে সহায়তা করার জন্য এদিন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির ভূমিকার প্রশংসা করেছেন মোদী।

দীর্ঘ দিন ধরে প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে সংঘাত চলেছে ইজরায়েলের। বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে এর ফলে। অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইজরায়েল যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছে। যদিও এই শান্তিচুক্তিতে উভয় পক্ষকে রাজি করানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল মিশরের। এদিন তাই প্রধানমন্ত্রী মোদী যুদ্ধবিরতিতে মিশরের ‘গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা’ পালনের জন্য প্রেসিডেন্ট সিসিকে অভিনন্দন জানান। সেই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই চুক্তি এই অঞ্চলে স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতার পথ প্রশস্ত করবে। মিশরের বিদেশমন্ত্রী আবদেলাত্তি তাঁর সফরকালে অনুষ্ঠিত প্রথম ভারত-মিশর কৌশলগত আলোচনার ফলাফল সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে জানান।

ভারত-মিশর অংশীদারিত্বের মজবুতিকরণকে স্বাগত জানান মোদী। পাশাপাশি বাণিজ্য, প্রযুক্তি, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা এবং দুই দেশের মানুষের মধ্যে সম্পর্ক-সহ সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী মোদী লেখেন, ‘মিশরের বিদেশমন্ত্রী ডঃ বদর আবদেলাত্তিকে স্বাগত জানাতে পেরে আমি আনন্দিত। গাজা শান্তি চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য আমার বন্ধু প্রেসিডেন্ট সিসির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমাদের জনগণ, আমাদের ভাগ করা অঞ্চল এবং মানবতার কল্যাণে ভারত-মিশর কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।’

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে মিশরের শার্ম এল শেখে অনুষ্ঠিত হয় গাজা শান্তি সম্মেলন। এই সম্মেলনে যোগদানের জন্য মিশরের প্রেসিডেন্ট সিসি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। যদিও মোদী ওই সম্মেলনে অংশ নেননি। তাঁর জায়গায় নয়াদিল্লির তরফে পাঠানো হয়েছিল প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিংকে। শান্তি সম্মেলনে আঞ্চলিক ও বিশ্ব নেতারা মিলিত হয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, গাজায় কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সংঘাতের পর ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও পর্যবেক্ষণের পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা।

Nobel Prize: সাহিত্যে নোবেল পেলেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই

এই দিনকাল: ২০২৫ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার (Nobel Prize) ঘোষিত হল। এ বছরে সাহিত্যে অনবদ্য অবদানের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হল হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাইকে (Laszlo Krasznahorkai)। ‘তাঁর সুনিশ্চিত ও দিব‍্যদৃষ্টিপূর্ণ সাহিত্য সম্ভারের কারণে’ এই সম্মান দেওয়া হয়েছে। ক্রাসনাহোরকাই এর সৃষ্টি ‘এই মহাবিপর্যয়ময় আতঙ্কের কালে শিল্পের শক্তির কথা শোনায়।’

১৯৫৪ সালে রোমানিয়ার সীমান্তের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব হাঙ্গেরির ছোট শহর জিউলাতে জন্ম হয় লেখক লাসলো ক্রাসনাহোরকাই এর। তাঁর প্রথম উপন্যাস ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত ‘সাতানটাঙ্গো’। যেটি কিনা জিউলার মতোই একটি প্রত্যন্ত গ্রামীণ অঞ্চলের প্রেক্ষাপটে রচিত।হাঙ্গেরির একটি গ্রামীণ পরিত্যক্ত সমবায় খামারে বাস করা দরিদ্র কিছু মানুষের জীবন আলেখ্য তাঁর এই উপন্যাসে উঠে এসেছে। সমাজতন্ত্রের পতনের ঠিক প্রাক্কালে যাঁরা অনিশ্চয়তা ও নিরাশার মধ্যে দিন অতিবাহিত করেছেন। প্রসঙ্গত, এই উপন্যাসটি খ্যাতি এনে দিয়েছে ক্রাসনাহোরকাইকে। হাঙ্গেরির সাহিত্য জগতে উপন্যাসটি যথেষ্ট আলোড়ন তৈরি করে।

১৯৮৯ সালে প্রকাশিত ‘দ্য মেলানকোলি অব রেজিসট্যান্স’ উপন্যাসটি লাসলো ক্রাসনাহোরকাইয়ের দ্বিতীয় উপন্যাস। এটি পড়ে মার্কিন সমালোচক সুসান সোনট্যাগ তাঁকে সমসাময়িক সাহিত্যের ‘অ্যাপোক্যালিপসের মাস্টার’ বলে অভিহিত করেছিলেন। দ্য মেলানকোলি অব রেজিসট্যান্স-এ ভয়াবহ এক দুঃস্বপ্নের ছবি তুলে ধরেছেন ঔপন্যাসিক। ১৯৯৯ সালে প্রকাশিত হয় তৃতীয় উপন্যাস ‘ওয়ার অ্যান্ড ওয়ার’। এর পর ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয় ‘ব্যারন ভেঙ্কহেইম’স হোমকামিং’। সাম্প্রতিক কালে অর্থাৎ ২০২১ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর ‘হেরস্ট ০৭৭৬৯’ বইটি। নোবেল কমিটি লাসলো ক্রাসনাহোরকাইয়ের লেখা সম্পর্কে বলেছেন ‘চিন্তাশীল, সূক্ষ্মভাবে পরিমিত স্বর গ্রহণকারী’।

Israel-Gaza War: প্যালেস্টাইনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে যে দেশগুলি, ভারত কবে দিয়েছে?

এই দিনকাল: (Israel-Gaza War) প্যালেস্টাইনকে রবিবার রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে ব্রিটেন, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া। এরপর একই পথে হেঁটেছে পর্তুগালও। এই আবহে চর্চায় রয়েছে ফ্রান্স। খুব শীঘ্রই দেশটি প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দিতে চলেছে। তার আগে গত ২০ মার্চ মেক্সিকো প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এখনও পর্যন্ত জাতিসঙ্ঘের ১৯৩ সদস্যের মধ্যে ১৫১টি দেশ প্যালেস্টাইনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। 

২০২৫ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

পর্তুগাল, ব্রিটেন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, মেক্সিকো।

২০২৪ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

আর্মেনিয়া, স্লোভেনিয়া, আয়ারল্যান্ড, নরওয়ে, স্পেন, বাহামা, ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, জ্যামাইকা, বার্বাডোজ।

২০১৯ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস।

২০১৮ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

কলম্বিয়া।

২০১৫ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

সেন্ট লুসিয়া, হলি সি।

২০১৪ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

সুইডেন।

২০১৩ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

হাইতি, গুয়াতেমালা।

২০১২ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

থাইল্যান্ড।

২০১১ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

আইসল্যান্ড, ব্রাজিল, গ্রেনাডা, এন্টিগুয়া অ্যান্ড বারবুডা, ডমিনিকা, বেলিজ, সেন্ট ভিনসেন্ট, হন্ডুরাস, এল সালভাদর, সিরিয়া, দক্ষিণ সুদান, লাইবেরিয়া, লেসোথো, উরুগুয়ে, প্যারাগুয়ে, সুরিনাম, পেরু, গায়ানা, চিলি।

২০১০ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

ইকুয়েডর, বলিভিয়া, আর্জেন্টিনা।

২০০৯ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

ডমিনিকান প্রজাতন্ত্র, ভেনেজুয়েলা।

২০০৮ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

আইভরি কোস্ট, লেবানন, কোস্টারিকা।

২০০৬ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

মন্টেনেগ্রো।

২০০৪ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

পূর্ব তিমুর।

১৯৯৮ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

মালাউয়ি।

১৯৯৫ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

কিরগিজস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাপুয়া নিউগিনি।

১৯৯৪ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান।

১৯৯২ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, জর্জিয়া, তুর্কমেনিস্তান, আজারবাইজান, কাজাখস্তান।

১৯৯১ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

ইসওয়াতিনি

১৯৮৯ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

ফিলিপাইন, ভানুয়াতু, বেনিন, ইকুয়েটরিয়াল গিনি, কেনিয়া, ইথিওপিয়া, রুয়ান্ডা।

১৯৮৮ সালে যে দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে

বাংলাদেশ, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, ভুটান, বুরুন্ডি, বতসোয়ানা, নেপাল, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো, পোল্যান্ড, ওমান, গ্যাবন, সাও তোমে অ্যান্ড প্রিন্সেপ, মোজাম্বিক, অ্যাঙ্গোলা, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, সিয়েরা লিওন, উগান্ডা, লাওস, চাদ, ঘানা, টোগো, জিম্বাবুয়ে, মালদ্বীপ, বুলগেরিয়া, কেপ ভার্দে, উত্তর কোরিয়া, নাইজার, রোমানিয়া, তানজানিয়া, হাঙ্গেরি, মঙ্গোলিয়া, সেনেগাল, বুরকিনা ফাসো, কম্বোডিয়া, কমোরোস, গিনি, মালি, গিনি বিসাউ, চীন, বেলারুশ, নামিবিয়া, রাশিয়া, ইউক্রেন, ভিয়েতনাম।

একই বছর প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয় সাইপ্রাস, চেক প্রজাতন্ত্র, মিশর, গাম্বিয়া, নাইজেরিয়া, সিশেলস, স্লোভাকিয়া, শ্রীলঙ্কা, আলবেনিয়া, ব্রুনেই, জিবুতি, মরিশাস, সুদান, আফগানিস্তান, কিউবা, জর্ডান, মাদাগাস্কার, নিকারাগুয়া, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সার্বিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জাম্বিয়া, আলজেরিয়া, বাহরাইন, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, মালয়েশিয়া, মৌরিতানিয়া, সোমালিয়া, তিউনিসিয়া, তুরস্ক, ইয়েমেন, মরক্কো, ইরান।

উল্লেখ্য, জি-৭-গোষ্ঠীর সদস্যভুক্ত দেশগুলির মধ্যে প্রথম প্যালেস্টাইনকে স্বীকৃতি দিল ব্রিটেন ও কানাডা।

প্যালেস্টাইনকে রাষ্ট্র হিসেবে ভারত কবে স্বীকৃতি দিয়েছে?

১৯৮৮ সালে প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নেওয়ার পর প্রথম যে দেশগুলি স্বীকৃতি দিয়েছিল ভারত তার মধ্যে অন্যতম। ১৯৮৮ সালেই নয়াদিল্লি প্যালেস্টাইন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়। এর আগে, ১৯৭৪ সালে, ভারত প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনকে প্যালেস্টাইনবাসীর একমাত্র বৈধ প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

প্যালেস্টাইন সমস্যার শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি এবং দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের উপর জাতিসঙ্ঘে উচ্চ-পর্যায়ের সম্মেলন হতে চলেছে। ভারত সেই সম্মেলনে অংশ নিতে চলেছে বলে খবর। সোমবার থেকে শুরু হওয়া তিন দিনের এই সম্মেলনে এখনও পর্যন্ত ১২৩টি দেশ এবং সংস্থা স্বাক্ষর করেছে। এই অনুষ্ঠানে যৌথ ভাবে সভাপতিত্ব করবে ফ্রান্স এবং সৌদি আরব।

উল্লেখ্য, গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে জাতিগত নিধন চালাচ্ছে ইজরায়েল। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় নতুন করে নির্বিচার হামলা শুরু করে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বাহিনী। প্যালেস্টাইনে নিহতের সংখ্যা ইতিমধ্যে ৬৫ হাজার ছাড়িয়েছে।