Category Archives: দেশ

Interfaith Relationship: ভিন ধর্মে প্রেম, যোগীরাজ্যে মুসলিম যুবককে ডেকে নিয়ে গিয়ে খুন

এই দিনকাল: ভিন ধর্মের তরুণীর সঙ্গে প্রেম (Interfaith Relationship)। আর তার জেরে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের সাদাতগঞ্জে খুন হতে হল এক যুবককে। অভিযোগ, সোমবার রাতে ‘বিয়ের বিষয় নিয়ে আলোচনা’র জন্য ওই যুবককে ডেকে পাঠিয়েছিলেন তরুণীর ভাই। তার পর তাঁকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত যুবকের নাম আলি আব্বাস। তিনি যে তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন তিনি ভিন্ন সম্প্রদায়ের। ফলে তরুণীর পরিবার তাঁদের সম্পর্ক মেনে নেয়নি। অভিযোগ, ওই তরুণী আলি আব্বাসকে তাঁর বাড়িতে ডেকেছিলেন। সেখানে তাঁর ভাই এবং ভাইয়ের বন্ধুরা মিলে আলিকে মারধর করে।

ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (লখনউ) বিশ্বজিৎ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন, খুনের ঘটনায় ইতিমধ্যে তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এক পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, ধৃতরা হলেন মহিলার ভাই হিমালয় প্রজাপতি (২৭) এবং তাঁর দুই প্রতিবেশী ও বন্ধু সৌরভ (২৪) এবং সোনু কুমার (৩০)। সাদাতগঞ্জ থানার অফিসার সন্তোষ কুমার আর্য বিষয়টি নিয়ে বলেন, অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হয়। বিচারক তাঁদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছেন। অন্য দিকে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। 

পুলিশ আরও জানতে পেরেছে, আলি ডেলিভারি ম্যান হিসেবে কাজ করতেন। সোমবার গভীর রাতে পুলিশ খবর পায়, সাদাতগঞ্জের লাকরমান্ডি হাটা এলাকায় এক যুবককে লাঠি দিয়ে আক্রমণ করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় একটি দল। রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা আলিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে কয়েক মিনিটের মধ্যেই তাঁর মৃত্যু হয়।

AIMIM: ‘বিহার বিধানসভা নির্বাচনে ৬টি আসনে লড়ার সুযোগ দিলে ইন্ডিয়া জোটে যোগ দেব’: ওয়েইসি

এই দিনকাল: বিহারে ‘বিজেপিকে সাহায্য করার’ অভিযোগ ওঠে তাঁর দলের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে এ বার অসন্তোষ প্রকাশ করলেন আইমিম (AIMIM) -এর প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি। বুধবার তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব ভারতের এই রাজ্যের ছয়টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারলে মিম ইন্ডিয়া জোটে যোগ দেবে।

প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মুসলিম জনসংখ্যার উত্তর বিহারের কিষাণগঞ্জে তিন দিনের ‘সীমাঞ্চল ন্যায় যাত্রা’ শুরু করেছেন হায়দরাবাদের সাংসদ। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওয়েইসি বলেন, ‘আমার দলের বিহার ইউনিটের প্রধান বিহার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তেজস্বী যাদবকে একাধিক চিঠি লিখেছেন। শেষ চিঠিতে, ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিধানসভার নির্বাচনে আইমিমকে ছয়টি আসন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বল এখন ইন্ডিয়া জোটের কোর্টে। বিজেপিকে সাহায্য করার অভিযোগ আমাদের বিরুদ্ধে যাতে না আসে, সেকারণে আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি। ইন্ডিয়া ব্লকের পক্ষ থেকে যথাযথ প্রতিক্রিয়া না পাওয়ায় স্পষ্ট হয়ে যাবে কে আসলে পদ্ম শিবিরকে সাহায্য করছে।’

উল্লেখ্য, বিহারে ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আইমিম ২০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল। যার মধ্যে পাঁচটিতে জয়লাভ করেছিল। যদিও, বিহার ইউনিটের সভাপতি আখতারুল ইমান ছাড়া, আইমিম-এর টিকিটে নির্বাচিত সকল বিধায়ক নির্বাচনের দুই বছর পর আরজেডি-তে যোগ দিয়েছিলেন।

Rahul Gandhi: রাহুলকে ‘শহুরে মাওবাদী’ বলে আক্রমণ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ফড়নবিশের

এই দিনকাল: লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) তীব্র আক্রমণ মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের (Maharashtra CM Devendra Fadnavis)। শুক্রবার তিনি বলেন, কংগ্রেস নেতা ‘শহুরে মাওবাদী’র মত কথা বলছেন। শুধু তাই নয়, ফড়নবিশের দাবি, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে রাহুল দেশের তরুণ প্রজন্ম অর্থাৎ জেন জিকে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

বৃহস্পতিবার রাহুল গান্ধী নিজের সমাজ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছিলেন। যেখানে বিরোধী দলনেতা দেশের যুব ও ছাত্রদের ‘সংবিধান রক্ষা, গণতন্ত্র রক্ষা এবং ভোট চুরি বন্ধ’ করার আর্জি জানিয়েছেন।সেটির প্রতিক্রিয়ায় ফড়নবিশ এমন মন্তব্য করেছেন। সাংবাদিকদের ফড়নবিশ বলেন, ‘রাহুল গান্ধী তরুণ প্রজন্মকে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করতে বলেছেন। এটি ‘ভোট চুরি’ নয়, বরং তাঁর মস্তিষ্ক চুরি করা হয়েছে। তিনি শহুরে মাওবাদীদের ভাষা বলেন যাঁরা সংবিধান বা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে বিশ্বাস করেন না।’

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, রাহুল গান্ধীকে যাঁরা পরামর্শ দেন, তাঁরাও একই রকম ভাবে ‘শহুরে মাওবাদী মানসিকতা’র। ফড়নবিশ বলেন, ‘ভারতের জেন জি সংবিধানে বিশ্বাস করেন, গণতন্ত্রকে মূল্য দেন এবং স্টার্ট-আপ এবং প্রযুক্তি বিপ্লবের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।রাহুল গান্ধী না তাঁদের বোঝেন, না এই দেশের তরুণদের, না সিনিয়রদের।’

Rahul Gandhi: কর্নাটকের অলন্দে ৬০০০ এর বেশি ভোট চুরি হয়েছে!’ ‘তথ্য প্রমাণ’ দিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ রাহুলের

এই দিনকাল: ভোট চুরির (Vote Chori) অভিযোগে দেশের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন কংগ্রেস নেতা। সেই মঞ্চ থেকে কমিশনের বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ আনেন তিনি। রাহুল বলেন কর্নাটকের অলন্দ বিধানসভা এলাকায় ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৬,০০০ এরও বেশি ভোট চুরি করা হয়েছে।

রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, অনেক বেশি ভোট চুরি করা হয়েছে, কিন্তু শুধুমাত্র ৬,০১৮টি ভোট চুরির ঘটনা ধরা পড়েছে। কংগ্রেস নেতা নির্বাচন কমিশন, বিশেষ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, গণতন্ত্রকে যারা হরণ করছে, তাদেরকে রক্ষা করছে নির্বাচন কমিশন। একটি নিরপেক্ষ সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হওয়ার পরিবর্তে কমিশন ‘গণতন্ত্রের ধ্বংসকারী’ হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেন রাহুল।

লোকসভার বিরোধী দলনেতার দাবি, কংগ্রেস দলের শক্তি বেশি সেই রকম একাধিক জায়গায় হাত শিবিরকে দুর্বল করার জন্য ভোটার তালিকা থেকে হাজার হাজার ভোটারের নাম ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি এই অভিযানকে ‘পরিকল্পিত’ বলে অভিহিত করেছেন। রাহুল গান্ধীর মতে, এই ভোটার মুছে ফেলার অভিযান প্রযুক্তির সাহায্যে করা হয়েছে। অভিযোগ, ভোটারদের কোনও কিছু না জানিয়ে তাদের অজান্তেই আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছে অন্য ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য।

যদিও রাহুলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন। বৃহস্পতিবার সমাজ মাধ্যমে কমিশনের তরফে লেখা হয়েছে, ‘রাহুল গান্ধীর করা অভিযোগগুলি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন৷ অনলাইনে কোনও সাধারণ নাগরিক ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া যায় না৷’

Muslim: ‘মুসলিম-মুক্ত ভারত স্বপ্ন’: অসম বিজেপির এআই ভিডিও প্রসঙ্গে তীব্র প্রতিক্রিয়া ওয়েইসির

এই দিনকাল: সমাজ মাধ্যমে অসম বিজেপির (BJP) তরফে মুসলিম (Muslim) বিদ্বেষে পূর্ণ এআই ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। অভিযোগ, পদ্ম শিবির মুসলিমদের অপমান করতে এবং সাম্প্রদায়িক ঘৃণা উস্কে দিতে এ কাজ করেছে। বিষয়টি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন আইমিম প্রধান তথা সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়েইসি।

ঠিক কী অভিযোগ? নিজেদের এক্স হ্যান্ডেলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও প্রকাশ করেছে অসম বিজেপি। ‘বিজেপি ছাড়া অসম’ শিরোনামের ভিডিওটিতে রাজ্যের বিভিন্ন অংশের মুসলমানদের অবৈধ অভিবাসী হিসেবে দেখানো হয়েছে। যারা কিনা সরকারি জমি দখল করছে বলে দাবি বিজেপির। ভিডিওটিতে একটি ক্লিপ রয়েছে যেখানে কংগ্রেস নেতা গৌরব গগৈ এবং রাহুল গান্ধীকে দেখানো হয়েছে কংগ্রেস দলের পাকিস্তান যোগ রয়েছে দাবি করে।

এই ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নিন্দায় সরব হয়েছেন রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে নেটাগরিকরা। তাঁদের প্রশ্ন অসমে মুসলিম বিদ্বেষ উস্কে দেওয়ার লক্ষ্যে কি এটা করা হয়েছে? কংগ্রেস নেতা মনসুর খান এটিকে ‘সামাজিক সম্প্রীতির উপর ইচ্ছাকৃত আক্রমণ এবং অংশীদারি মূল্যবোধের অপমান’ বলে অভিহিত করেছেন। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘সাম্প্রদায়িক ঘৃণা উস্কে দেওয়ার জন্য অসমকে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ হিসেবে দেখিয়ে একটি ভুয়ো, এআই-ভিত্তিক ভিডিও ছড়িয়ে রাজনৈতিক প্রচারণার সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছেছে অসম বিজেপি। এটি সামাজিক সম্প্রীতির উপর ইচ্ছাকৃত আক্রমণ, আমাদের অংশীদারি মূল্যবোধের অপমান। অসমের মানুষ এই বিষাক্ত প্রচারণার সঠিক জবাব দেবে।’

আইমিম সভাপতি আসাদউদ্দিন ওয়েইসি ভিডিওটির নিন্দা করে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘বিজেপির স্বপ্ন মুসলিম মুক্ত ভারত।’ তাঁর কথায়, ‘বিজেপি না থাকলে অসম মুসলিম প্রধান হবে এমন একটি জঘন্য এআই ভিডিও পোস্ট করেছে অসম বিজেপি। তারা কেবল ভোটের জন্য ভয় দেখাচ্ছে না, এটিই প্রকৃত রূপে ঘৃণ্য হিন্দুত্ববাদী আদর্শ। ভারতে মুসলমানদের অস্তিত্বই তাদের কাছে একটি সমস্যা, তাদের স্বপ্ন মুসলিম-মুক্ত ভারত। এই ক্রমাগত ঘ্যানঘ্যানানি ছাড়া, ভারতের জন্য তাদের কোনও দৃষ্টিভঙ্গি নেই।’

Stray Dog: বেনজির নির্দেশিকা! মানুষকে দ্বিতীয়বার কামড়ালে পথকুকুরের ‘যাবজ্জীবন কারাদণ্ড’ উত্তরপ্রদেশে

এই দিনকাল: উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh) দুর্বিষহ জীবন হতে চলেছে পথকুকুরদের (Stray Dog)। একটি বেনজির নির্দেশিকা জারি করেছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। রাজ্য সরকারের তরফে বলা হয়েছে, যদি কোনও পথকুকুর প্রথম বার কোনও উস্কানি ছাড়াই মানুষকে কামড়ায়, তাহলে প্রাণীটিকে ১০ দিনের জন্য পশু কেন্দ্রে রাখা হবে। দ্বিতীয় বার যদি সেই কুকুর প্ররোচনা ছাড়া কামড়ায় তাহলে জীবনের বাকি দিনগুলি সেখানেই থাকতে হবে। কার্যত প্রাণীগুলিকে ‘যাবজ্জীবন কারাদণ্ড’ দেওয়া হবে। তবে কেউ যদি দত্তক নিতে রাজি হয় এবং রাস্তায় না ছাড়ার শর্তে রাজি হয়ে একটি হলফনামা জমা দেয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাতে পথকুকুরকে তুলে দেওয়া হবে।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, যে সমস্ত পথকুকুর আক্রমণাত্মক, সেগুলি নিয়ন্ত্রণের জন্য গত ১০ সেপ্টেম্বর সমস্ত গ্রামীণ ও শহুরে নাগরিক সংস্থাগুলিকে নির্দেশিকা পাঠিয়েছেন প্রধান সচিব অমৃত অভিজাত। তাতে বলা হয়েছে, যদি কোনও ব্যক্তি পথকুকুর কামড়ানোর পরে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী টিকা নেন, তাহলে গোটা ঘটনার তদন্ত করা হবে এবং কুকুরটিকে স্থানীয় পশু জন্ম নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হবে।

প্রয়াগরাজ মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের পশুচিকিৎসা আধিকারিক বিজয় অমৃত রাজ এ বিষয়ে বলেন, ‘সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর যদি ইতিমধ্যে না করা হয়ে থাকে, তাহলে পথকুকুরটিকে নির্বীজকরণ করা হবে। ১০ দিনের জন্য পর্যবেক্ষণে রেখে প্রাণীটির আচরণে নজর রাখা হবে। কুকুরটির দেহে মাইক্রোচিপ লাগানো হবে ছেড়ে দেওয়ার আগে, যাতে তার সমস্ত তথ্য থাকবে এবং আমরা তার অবস্থান চিহ্নিত করতে পারব।’ তবে যদি একই কুকুর কোনও মানুষকে – উসকানি ছাড়া দ্বিতীয়বার কামড়ায়, তবে প্রাণীটিকে আজীবন পশুকেন্দ্রে রেখে দেওয়া হবে।

কিন্তু কোনও উস্কানিমূলক আচরণ হয়েছে কিনা তা কীভাবে নির্ধারণ করা হবে? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তিন জনের একটি কমিটি গঠন করা হবে, যার মধ্যে থাকবেন এলাকার এক জন পশুচিকিৎসক, পশুদের বিষয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং তাদের আচরণ বোঝেন এমন এক জন এবং মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের এক জন। তাঁরা যাচাই করবেন যে আক্রমণটি বিনা উস্কানিতে হয়েছে কিনা- যদি কেউ পাথর ছুঁড়ে মারার পরে প্রাণীটি কামড়ায়, তবে তা বিনা উস্কানিতে আক্রমণ হিসাবে বিবেচিত হবে না।’

নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, এই ধরণের কুকুর দত্তক নেওয়া যেতে পারে, তবে যে ব্যক্তি দত্তক নেবেন নাম, ঠিকানা-সহ তাঁকে সমস্ত বিবরণ জানাতে হবে। পাশাপাশি কুকুরটিকে রাস্তায় ছেড়ে দেওয়া হবে না এই মর্মে একটি হলফনামা জমা দিতে হবে। নথিভুক্ত করা হবে কুকুরের মাইক্রোচিপের বিবরণও। যদি ছেড়ে দেওয়া হয়, তবে প্রাণীটিকে দত্তক গ্রহণকারীর বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Waqf Act: ওয়াকফ আইন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশ ও পর্যবেক্ষণ: যা জানা দরকার 

এই দিনকাল: ওয়াকফ (সংশোধন) আইন, ২০২৫-এর কিছু অংশের উপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি এজি মসিহের একটি বেঞ্চ পুরো আইনটি স্থগিত করতে রাজি হয়নি। বিচারপতিদের পর্যবেক্ষণ, সংসদে পাস হওয়া আইনের সাংবিধানিক বৈধতার পক্ষে সর্বদা একটি সম্ভাবনা থাকে এবং কেবলমাত্র বিরলতম ক্ষেত্রেই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়। এদিন অন্তর্বর্তী রায় ঘোষণার সময় প্রধান বিচারপতি জানান, আইনটি সম্পূর্ণভাবে স্থগিত করার জন্য কোনও মামলা দায়ের করা হয়নি ৷

সংশোধিত নয়া ওয়াকফ আইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তিকে ওয়াকফ প্রতিষ্ঠা করতে হলে তাঁকে অন্তত পাঁচ বছর ধরে ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করতে হবে। আইনের এই অংশের উপর এদিন সর্বোচ্চ আদালত স্থগিতাদেশ দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, কোনও ব্যক্তি পাঁচ বছর ধরে ইসলাম ধর্ম পালন করছেন কি না, তা বিচার করার জন্য রাজ্য সরকারগুলিকে একটি নিয়ম তৈরি করতে হবে ৷ যত দিন না সেই নিয়ম তৈরি হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত এই শর্তটিও স্থগিত করা হয়েছে৷ আদালত মনে করে, নিয়ম না-থাকলে এই শর্তের কারণে ক্ষমতার অপব্যবহার হতে পারে৷

ওয়াকফ বোর্ডে অমুসলিম সদস্য রাখা নিয়েও পর্যবেক্ষণ জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ওয়াকফ বোর্ডে সর্বোচ্চ ৪ জন অমুসলিম সদস্য থাকতে পারবেন। তবে রাজ্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ জন৷ সেই সঙ্গে, রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করার যে নিয়ম করা হয়েছে, তাতে হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত।

এ ছাড়া ওয়াকফ সম্পত্তি নির্ধারণ করা প্রসঙ্গে জেলাশাসককে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট৷ আদালতের পর্যবেক্ষণ, জেলাশাসক সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত অধিকার নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।

RSS: ‘সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিষ ওগরাচ্ছে আরএসএস’, অভিযোগ কংগ্রেসের

এই দিনকাল: সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিষ ওগরাচ্ছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘ (RSS), এমনটাই অভিযোগ কংগ্রেসের (Congress)। রবিবার দলটি আরএসএস-এর নিন্দা জানিয়েছে। হাত শিবিরের অভিযোগ, সংগঠনটি তাদের মালায়ালাম ভাষায় প্রকাশিত ম্যাগাজিন ‘কেশরী’তে সংখ্যালঘু খ্রিস্টান (Christian) সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে লেখা প্রকাশ করেছে।

কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কেসি ভেনুগোপালের অভিযোগ, ‘কেশরী’ পত্রিকায় প্রকাশিত সাম্প্রতিক নিবন্ধের পিছনে আরএসএসের গোপন উদ্দেশ্য রয়েছে। সেটি হল সমাজে ঘৃণা ছড়িয়ে দেওয়া এবং ধর্মান্তরের নামে খ্রিস্টানদের দেশের শত্রু হিসাবে তুলে ধরা। কড়া ভাষায় একটি বিবৃতি দিয়ে কংগ্রেস নেতা জানতে চেয়েছেন, আরএসএস সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নিবন্ধে যে অবস্থান নিয়েছে, বিজেপি কি তা প্রত্যাখ্যান করতে প্রস্তুত?

হিন্দুত্ববাদী সংগঠনটির সমালোচনা করে ভেনুগোপাল বলেন, ‘সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বিষ ওগরানোয় অভ্যস্ত আরএসএস (এই নিবন্ধের মাধ্যমে) ঘোষণা করছে যে তারা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত তাদের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাবে।’ তাঁর অভিযোগ, এই নিবন্ধটি ডানপন্থী সংগঠনের ‘খ্রিস্টান-বিরোধী অবস্থান’ আরও খোলাখুলি ভাবে প্রকাশ্যে এনে দিয়েছে। ছত্তিশগড় থেকে দুই ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনীকে সম্প্রতি গ্রেফতার এবং মুক্তি দেওয়ার কথা উল্লেখ করে ভেনুগোপাল বলেন, রাজ্য বিজেপি প্রধান-সহ যারা তাঁদের সঙ্গে ছবি তুলেছিলেন, তাদের আসল চেহারা এই নিবন্ধের মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি রাজ্যের মানুষকে সঙ্ঘ পরিবারের সংগঠনগুলির অন্ধ ‘সংখ্যালঘু-বিরোধী’ মনোভাবের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আবেদন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য ‘কেশরী’ পত্রিকায় ডানপন্থী সংগঠন হিন্দু ঐক্যবেদীর রাজ্য সহ-সভাপতি ই এস বিজু বিতর্কিত নিবন্ধটি লিখেছিলেন। তা প্রকাশ হওয়ার তিন দিনের মধ্যে আরএসএসের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব হল কংগ্রেস। নিবন্ধটির শিরোনাম ছিল, ‘বিশ্বজুড়ে ধর্মান্তরের সময়রেখা’। এই প্রবন্ধে গত কয়েক বছর ধরে দেশে ঘটে যাওয়া ধর্মান্তরের জন্য খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে নিশানা করেছেন লেখক। 

ধর্মান্তর এবং মানব পাচারের অভিযোগে ছত্তিশগড়ে কেরলের দুই ক্যাথলিক সন্ন্যাসিনীকে গ্রেফতারের সাম্প্রতিক ঘটনার কথা উল্লেখ করে প্রবন্ধে অভিযোগ করা হয়, রাজ্যের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতৃত্ব এই ঘটনায় ‘একটি নির্দিষ্ট এজেন্ডার সঙ্গে ধর্মীয় ও মানসিক দ্বন্দ্ব’ উসকে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। দেশের আইন সকলের জন্য সমান উল্লেখ করে নিবন্ধে বলা হয়েছে, ‘এটি ভারতীয় সংবিধানের সারাংশকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি হল সংখ্যালঘু ধর্মের জন্য এক বিচার এবং সংখ্যাগরিষ্ঠদের জন্য অন্য বিচার।’ এতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্মান্তর যদি ধর্মীয় শক্তির অধিকার হয়, তবে এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করা হিন্দুদের অধিকার এবং কর্তব্য। প্রবন্ধে সংবিধান সংশোধনের পক্ষেও সওয়াল করা হয়েছে।

Naxal leader Sujatha surrenders: ৪৩ বছর ছিলেন আন্ডারগ্রাউন্ডে, আত্মসমর্পণ সেই মাওবাদী নেত্রী সুজাতার, আদর্শের টানে বেছে নিয়েছিলেন কঠিন লড়াইয়ের পথ

এই দিনকাল: ৪৩ বছর ধরে তিনি ছিলেন আন্ডারগ্রাউন্ডে। অবশেষে আত্মসমর্পণ করলেন সেই মাওবাদী নেত্রী সুজাতা (Sujatha) ওরফে পোথুলা পদ্মাবতী (Pothula Padmavathi)। ৬২ বছর বয়সী সুজাতার আরও একটি পরিচয় রয়েছে, তিনি নিহত মাওবাদী নেতা কিষেণজির স্ত্রী। শনিবার হায়দরাবাদে তেলঙ্গানার ডিজিপি জিতেন্দ্রের উপস্থিতিতে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। 

পুলিশ সূত্রে খবর, সুজাতা সিপিআই (মাওবাদী) দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য (সিসিএম) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দলের কেন্দ্রীয় কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য। তাঁর মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল ২৫ লক্ষ টাকা। আত্মসমর্পণের পর তাঁকে সেই অর্থ দেওয়া হবে। তাঁর স্বামী কিষেণজি, যিনি সিসিএম এবং পশ্চিমবঙ্গ কমিটির প্রধান ছিলেন, ২০১১ সালে এক এনকাউন্টারে নিহত হন। সুজাতা তেলঙ্গানার জোগুলাম্বা গাদওয়াল জেলার গাট্টু মণ্ডলের পেঞ্চিকালপাডু গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা থিম্মা রেড্ডি ছিলেন কৃষক পরিবারের সন্তান। তাঁর অনেকটাই কৃষিজমি ছিল। গ্রামের পোস্টমাস্টার হিসেবেও কাজ করতেন থিম্মা। সুজাতার বড় ভাই পোথুলা শ্রীনিবাস রেড্ডি ১৯৮২ সালে প্রায় দুই মাস সিপিআই (এমএল) পিপলস ওয়ার গ্রুপের সঙ্গে কাজ করেছিলেন।

সুজাতা মাল্লাজুলা কোটেশ্বর রাও ওরফে কিষেণজির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। যিনি একজন সিনিয়র মাওবাদী নেতা শুধু নন, সিপিআই (মাওবাদী) এর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যও ছিলেন কিষেণজি। ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে বুড়িশোলের জঙ্গলে পুলিশের সঙ্গে গুলি বিনিময়ে তিনি নিহত হন।

গাদোয়ালের সরকারি জুনিয়র কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় সুজাতা তাঁর তুতো ভাই প্যাটেল সুধাকর রেড্ডি ওরফে সূর্যম এবং পোথুলা সুদর্শন রেড্ডি ওরফে আরকে-এর মাধ্যমে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী মতাদর্শে প্রভাবিত হন। সূর্যম নিজেও একজন সিসিএম ছিলেন এবং ২০০৯ সালে গুলি বিনিময়ের সময় নিহত হন। তাঁদের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সুজাতা ১৯৮২ সালের ডিসেম্বরে সিপিআই (এমএল) পিপলস ওয়ার গ্রুপে যোগ দেন।

তেলঙ্গানার ডিজিপি জিতেন্দ্র বলেন, ‘২০২৫ সালের মে মাসে, স্বাস্থ্যের অবনতির কারণে, সুজাতা সংগঠন ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। প্রাক্তন সিসিএম পুল্লুরি প্রসাদ রাও ওরফে চন্দ্রান্নার মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তাঁর অনুরোধ জানান। স্বাস্থ্যগত কারণে সংগঠন ছেড়ে সরকারি সহায়তায় মূলধারার জীবন যাপনে পুনরায় ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর এই সিদ্ধান্ত কয়েক দশক ধরে আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকার পর তাঁর সুস্থতাকে প্রাধান্য দেওয়ার ব্যক্তিগত প্রয়োজনের প্রতিফলন। তিনি ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, সরকারের পুনর্বাসন ব্যবস্থা গ্রহণ করে স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফেরার, স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া এবং পরিবারের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করার।’

Manipur: মোদীর সফরের আগে মণিপুরে ৪০ জনের বেশি বিজেপি কর্মী-সদস্যের দলত্যাগ

এই দিনকাল: আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মণিপুর (Manipur) সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। তার আগে সে রাজ্যের উখরুল জেলার ফুঙ্গিয়ারে অন্তত ৪৩ জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক দলত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে এই ঘটনা পদ্ম শিবিরের কাছে ধাক্কা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

এক বিবৃতিতে বিজেপি-ত্যাগী কর্মী সমর্থকরা বলেছেন, ‘দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’ তাঁরা। সেই সঙ্গে নীচুতলার নেতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধার অভাব’ তাঁদেরকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘দল এবং আদর্শের প্রতি আমাদের আনুগত্য সর্বদা অটল। আমাদের সমাজ এবং মণিপুরের জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ নাগা-অধ্যুষিত জেলার ফুঙ্গিয়ার মণ্ডল থেকে যারা পদত্যাগ করেছেন সেই তালিকায় রয়েছেন মণ্ডল সভাপতি, মহিলা, যুব এবং কিষাণ মোর্চার প্রধান এবং নির্বাচনী এলাকার বুথ সভাপতিরা।

পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায়, বিজেপির মণিপুর প্রদেশের সহ-সভাপতি আউং শিমরে হোপিংসন বলেছেন, এই পদক্ষেপ ‘মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য এবং ব্যক্তিগত লাভের জন্য দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা।’ তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমি আরও স্পষ্ট করে বলতে চাই ফুঙ্গিয়ার বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি মণ্ডল এবং বুথ-স্তরের কার্যকর্তারা সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ… বিজেপি নীচুতলায় অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে, নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি গ্রামে দলের শক্তি জোরদার করছে।’ তিনি আরও বলেন, পদত্যাগের এই ঘটনা কয়েক জন ব্যক্তির ব্যক্তিগত হতাশা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষার স্পষ্ট প্রতিফলন। এই পদক্ষেপ ফুঙ্গিয়ার নির্বাচনী এলাকায় দলের সাংগঠনিক অবস্থার প্রকৃত ছবি তুলে ধরে না।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের মে মাসে মেইতেই এবং কুকিদের মধ্যে জাতিগত হিংসা শুরু হওয়ার পর মণিপুরে এটি প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রথম সফর হতে চলেছে। হিংসায় উত্তপ্ত মণিপুরে কম করে ২৬০ জনের মৃত্যু এবং হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়েছিলেন। অশান্ত মণিপুর সফরে না যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদীকে তীব্র সমালোচনা করেছিল বিরোধীরা।