Category Archives: দেশ

Sacrifice For Treasure: গুপ্তধনের লোভে এক বছরের শিশুকে বলি দেওয়ার চেষ্টা, হাড়হিম করা ঘটনা কর্নাটকে

এই দিনকাল: গর্ত খোঁড়া সম্পন্ন, আনা হয়েছে ফুল ও ধূপ। উদ্দেশ্য এক বছর বয়সী এক শিশুকে বলি (Sacrifice For Treasure) দেওয়া। ঘটনাটি কর্নাটকের। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে সম্বল করে যে দেশ চাঁদে অভিযান করছে, প্রতিনিয়ত উন্নতিতে আরও এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে সেই ভারতবর্ষে কুসংস্কারের এই অন্ধকারময় ছবি ধরা পড়ল। ভ্রান্ত ও কাল্পনিক ধারণার বশবর্তী হয়ে ওই শিশুকে বলি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এক ব্যক্তি। যদিও শেষ মুহূর্তে প্রশাসনের তৎপরতায় প্রাণ বাঁচে একরত্তির।

রিপোর্ট অনুসারে, ‘গুপ্তধনের’ লোভে ওই শিশুকে বলি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কর্নাটকের বেঙ্গালুরু গ্রামীণ জেলায় একটি বাড়ির ভেতরে সেই কাজ সম্পন্ন করার জন্য গর্ত খোঁড়া হয়েছিল। ধর্মীয় আচারও চলছিল। কিন্তু শিশুটির জীবন বাঁচে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের চেষ্টায়। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানায় তারা। এ খবর পেয়ে আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে চমকে যান। তারা বলি হতে চলা এক বছর বয়সী শিশুকে উদ্ধার করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যে ব্যক্তির বাড়িতে এই ভয়াবহ কর্মকাণ্ডের আয়োজন করা হয়েছিল, সেই বাড়ি মালিকের নাম সৈয়দ ইমরান।

পুলিশের এক কর্তা জানান, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা প্রশাসনকে খবর দিলে জেলা শিশু সুরক্ষা ইউনিটের আধিকারিকরা ওই বাড়িটিতে গিয়ে তল্লাশি চালান। মাঝপথেই গোটা প্রক্রিয়াটি বন্ধ করে দেন তারা। ছোট গর্তটির কাছ থেকে ধূপ ও ফুল পাওয়া গেছে। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, শিশুটিকে একটি চাইল্ড কেয়ার সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

India Pakistan: দেশে কতগুলি পরমাণু কেন্দ্র রয়েছে? পরস্পরকে হিসেব দিল ভারত ও পাকিস্তান

এই দিনকাল: পহেলগাঁও কাণ্ড এবং তার পর অপারেশন সিঁদুর অভিযানের পর ভারত ও পাকিস্তানের (India Pakistan) মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। তবে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে উত্তেজনা থাকলেও নিয়ম মেনে পরস্পরকে পরমাণুকেন্দ্রের (nuclear installations) হিসেব দিল নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদ। পাশাপাশি নিজেদের হেফাজতে পড়শি দেশের কত জন বন্দী রয়েছে সেই সংক্রান্ত তালিকাও বিনিময় করা হয়েছে উভয়ের মধ্যে। বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি এই তালিকা বিনিময় করা হয়েছে বলে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর। 

বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তান নিজেদের দেশে থাকা পারমাণবিক কেন্দ্রগুলির তালিকা পরস্পরকে দিয়েছে। ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত হওয়া একটি চুক্তির আওতায় এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ১৯৯১ সালের জানুয়ারি থেকে এই নিয়ম চলে আসছে। ওই চুক্তি অনুসারে, উভয় দেশ প্রতি বছর ১ জানুয়ারি পারমাণবিক কেন্দ্র সংক্রান্ত তথ্য বিনিময় করে।

এর পাশাপাশি ২০০৮ সালের কনস্যুলার অ্যাক্সেস সংক্রান্ত চুক্তি অনুসারে ভারত নিজেদের হেফাজতে থাকা পাক বেসামরিক বন্দী ও জেলেদের তালিকাও ইসলামাবাদকে দিয়েছে। পাকিস্তানও সে দেশে বন্দী থাকা সাধারণ ভারতীয় নাগরিক ও মৎস্যজীবীদের তালিকা নয়াদিল্লিকে দিয়েছে। সূত্রের খবর, ভারতের হেফাজতে পাকিস্তানের ৩৯১ জন বেসামরিক বন্দী এবং ৩৩ জন জেলে রয়েছেন। পাশাপাশি পাকিস্তানে বন্দী রয়েছেন ৫৮ জন ভারতীয় বেসামরিক বন্দী এবং ১৯৯ জন জেলে।

Pollution: বায়ু দূষণে বিষাক্ত দিল্লি! পড়ুয়াদের স্কুলমুখী হতে নিষেধ, সমস্ত অফিসের অর্ধেক কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ

এই দিনকাল: বিষাক্ত (Pollution) বায়ুতে ঢেকেছে রাজধানী শহর দিল্লি। আর সে কারণে দিল্লির সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়াদের শিক্ষাঙ্গনে আসতে নিষেধ করা হল। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। পাশাপাশি সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিসের ৫০ শতাংশ কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দিল্লির শিক্ষা অধিদফতরের তরফে ১৫ ডিসেম্বর জারি করা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্কুলগুলি এখন কেবল পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য অনলাইনে ক্লাস নিতে পারবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দিল্লিতে বায়ুর গুণগত সূচক (AQI) উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সে কারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়াদের শ্রেণীকক্ষে এসে ক্লাসের বন্দোবস্ত বন্ধ থাকবে। শহরের সমস্ত সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং বেসরকারি স্কুলের জন্য পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ বহাল থাকবে। সমস্ত স্কুল প্রধানদের এই শ্রেণীর পড়ুয়াদের জন্য অনলাইনে ক্লাস নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যায় দিল্লি সরকার স্কুলগুলিকে হাইব্রিড ক্লাসের বন্দোবস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল। অর্থাৎ অফলাইনে অথবা অনলাইনে পড়ুয়ারা যাতে ক্লাসে অংশ নিতে পারে সেই ব্যবস্থা করার। দূষণ রুখতে দিল্লি সরকার গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান (GRAP) পর্যায় ৪ বাস্তবায়নের ঘোষণা করার পর এই নির্দেশ দেওয়া হয়। তার কয়েক ঘন্টা আগে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান ৩ (GRAP 3) বাস্তবায়নের ঘোষণা করেছিল রেখা গুপ্তের সরকার। দূষণ রোধে এই বিধিমালার আওতায় সমস্ত বেসরকারি এবং সরকারি স্কুলকে একাদশ শ্রেণী পর্যন্ত (দশম শ্রেণী ছাড়া) হাইব্রিড মোডে ক্লাস পরিচালনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে, বায়ুর গুণগত সূচক (AQI) আরও খারাপ হতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি বিবেচনা করে, দিল্লি সরকার পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য সমস্ত অফলাইন ক্লাস স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘দিল্লির সমস্ত সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং বেসরকারি স্কুলগুলির প্রধানকে এই নির্দেশ অনুসরণ করার এবং অবিলম্বে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের কাছে এই তথ্য পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ আরও বলা হয়েছে, ‘সমস্ত জোন ও জেলাকে (DDE) উপরোক্ত নির্দেশগুলি সুষ্ঠুভাবে পালন সুনিশ্চিত করার জন্যও অনুরোধ করা হচ্ছে।’ স্কুলের পাশাপাশি সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলিকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, কেবলমাত্র ৫০ শতাংশ কর্মীকে অফিসে ডাকতে হবে এবং বাকি ৫০ শতাংশ কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজের সুযোগ (WFH) করে দিতে হবে।

Lionel Messi: রবি সন্ধ্যার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম মাতালেন মেসি, সচিনের সঙ্গে করলেন স্মারক বিনিময়

এই দিনকাল: কলকাতা পারেনি। হায়দরাবাদ পেরেছে, মুম্বইও সফল। ফুটবলের রাজপুত্র লিয়োনেল মেসিকে (Lionel Messi) কোনও ঝঞ্জাট ছাড়াই বরণ করে নিল রবিবারের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস থেকে শুরু করে ‘ক্রিকেটের ঈশ্বর’ সচিন তেন্দুলকর (Sachin Tendulkar)। ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হিসেবে সচিন এদিন মেসির হাতে তুলে দেন নিজের ১০ নম্বর জার্সি। মেসিও শচিনকে দেন একটি ফুটবল। দুই কিংবদন্তি যখন উপহার বিনিময় করছেন, তখন ভরা স্টেডিয়াম ফুটছে অকল্পনীয় উন্মাদনায়।

ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন মেসির সঙ্গে ছিলেন লুইস সুয়ারেজ এবং রদ্রিগো ডি’পল। আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের তারকার সঙ্গে সাক্ষাতের পর মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে সচিন বলেন, ‘আমি এখানে কিছু অবিশ্বাস্য মুহূর্ত কাটিয়েছি। আমরা মুম্বইকে স্বপ্নের শহর বলি, এই ভেন্যুতে অনেক স্বপ্নই শেষ রেখা দেখেছে। আপনাদের সমর্থন ছাড়া, ২০১১ সালে এই মাঠে আমরা কখনও সেই সোনালী মুহূর্তগুলি দেখতে পেতাম না। এবং আজ, তাঁদের তিন জনকেই এখানে পাওয়া মুম্বই, মুম্বইবাসী এবং ভারতের জন্য একটি সোনালী মুহূর্ত। তিন জনকেই যেভাবে স্বাগত জানানো হয়েছে তা অসাধারণ। যদি আমাকে তাঁর খেলার কথা বলতে হয়, তবে এটি সঠিক জায়গা নয়। কিন্তু কেউ তাঁর সম্পর্কে কী বলবে, তিনি সবকিছু অর্জন করেছেন। আমরা তাঁর নিষ্ঠা, দৃঢ়তা, প্রতিশ্রুতি এবং সর্বোপরি, তার নম্রতা এবং তাঁর ব্যক্তিত্বের জন্য এত ভালবাসা জানাই। সমস্ত মুম্বইবাসীর পক্ষ থেকে, তাঁকে এবং তাঁর পরিবারের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। আপনাদের সকলকে, এখানে উপস্থিত থাকার এবং আমাদের তরুণদের উৎসাহিত করার জন্য আবারও ধন্যবাদ। আমি আশা করি ফুটবলও আমাদের সকলের আকাঙ্ক্ষার উচ্চতায় পৌঁছাবে।’

রবিবার গোট কনসার্টের শুরুতে একটি প্রীতি ম্যাচ হয়। ইন্ডিয়া স্টার্স বনাম মিত্রা স্টার্সের মধ্যে হওয়া সেই ম্যাচে ভারতীয় ফুটবলার সুনীল ছেত্রী হেডে গোল করেন।মেসিও পেনাল্টিতে গোল করেন। মাঠে এদিন বেশ খোশ মেজাজে দেখা যায় আর্জেন্টিনার কিংবদন্তিকে। অনেকবার তাঁকে দেখা যায় দর্শকদের দিকে হাত নাড়িয়ে অভিবাদন কুড়াতে।

Census 2027: ২০২৬ ও ২৭ সালে ভারতজুড়ে জনগণনা, ১১৭১৮ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার

এই দিনকাল: আগামী ২০২৬ ও ২০২৭ (Census 2027) সালে ভারতজুড়ে জনগণার কাজ হবে। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে জনগণনার জন্য বাজেটে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, জনগণনার জন্য খরচ হবে ১১,৭১৮.২৪ কোটি টাকা। 

ভারতের জনগণনা হল বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রশাসনিক ও পরিসংখ্যানগত প্রক্রিয়া। রিপোর্ট অনুসারে, দুটি পর্যায়ে এই গণনা হবে। প্রথমত, ২০২৬-এর এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বাড়ি এবং আবাসনগুলিতে গিয়ে গণনা চালানো হবে। দ্বিতীয় পর্যায়ে, ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জনগণনা বা পপুলেশন এন্যুমারেশন (পিই) এর কাজ হবে। তবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখ, জম্মুকাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরাখন্ডে প্রবল শীতের কারণে সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এ জনগণনা করা হবে।

সূত্রের খবর, বিশ্বের জনবহুল দেশের জনগণনার কাজে প্রায় ৩০ লক্ষ কর্মী অংশ নেবেন। পরিসংখ্যানের কাজ নির্ভুল করার লক্ষ্যে তথ্য সংগ্রহের জন্য মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করা হবে। এরপর, একটি স্বচ্ছ তালিকা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের হাতে তুলে দেওয়া হবে। ২০২৬ সালে শুরু হওয়া এই জনগণনার কাজে অংশ নেবেন রাজ্য সরকারের নিয়োগ করা শিক্ষকরা। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রথম দেশে জনগণনার ক্ষেত্রে ডিজিটাল ব্যবস্থাকে কাজে লাগানো হচ্ছে। এ ছাড়া জনগণনার কাজ তদারকি ও পরিচালনার জন্য সেন্সাস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড মনিটরিং সিস্টেম (সিএমএমএস) পোর্টাল তৈরি করা হয়েছে। দেশজুড়ে ব্যাপক প্রচারাভিযান চালানো হবে। ৩০ লক্ষ কর্মীর মধ্যে থাকবেন এন্যুমারেটর, সুপার ভাইজার, মাস্টার ট্রেনার, চার্জ অফিসার এবং প্রিন্সিপাল/জেলা সেন্সাস অফিসার। জনগণনার কাজে নিযুক্ত কর্মীদের উপযুক্ত সাম্মানিক ভাতাও দেওয়া হবে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। 

রিপোর্ট অনুসারে, আসন্ন জনগণনার কাজে স্থানীয় স্তরে প্রায় ৫৫০ দিন ধরে ১৮,৬০০ জন কারিগরি কর্মীকে নিযুক্ত করা হবে। অর্থাৎ, ১.০২ কোটি মনুষ্য-দিবস তৈরি হবে। প্রসঙ্গত, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এটি অষ্টম জনগণনা হতে চলেছে।

Donald Trump: মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সম্মান জানিয়ে হায়দরাবাদে রাস্তার নাম ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’

এই দিনকাল: ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) নামে নামকরণ করা হবে রাস্তার। তেলেঙ্গানার (Telangana) হায়দরাবাদে মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেল সংলগ্ন রাস্তার নাম বদে রাখা হবে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’। বিষয়টি নিয়ে তেলেঙ্গানা সরকার সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছে বলে খবর।

রিপোর্ট অনুসারে, ৪৫তম এবং ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্টের নামে রাস্তার নামকরণের পরিকল্পনার কথা রাজ্য সরকারের তরফে কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রক এবং মার্কিন দূতাবাসকে চিঠি লিখে জানানো হবে। চলতি বছরের শুরুতে, দিল্লিতে ইউএস-ইন্ডিয়া স্ট্র‍্যাটেজিক পার্টনারশিপ ফোরামের (US-India Strategic Partnership Forum) বার্ষিক সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময়, মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি (Chief Minister Revanth Reddy) বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় একাধিক সংস্থার নামে হায়দরাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলির নামকরণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। উদ্ভাবনী ক্ষেত্রে রাজ্যটিকে ভারতের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরতে তেলেঙ্গানা সরকারের এই উদ্যোগ। এছাড়াও, রাজ্য সরকার বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সংস্থাকে সম্মান জানাতে এবং স্বীকৃতি দিতে আরও বেশ কিছু রাস্তার নামকরণের কথা বিবেচনা করছে। উদাহরণস্বরূপ, আসন্ন গ্রিনফিল্ড রেডিয়াল রোড, যা শহরের রাভিরিয়ালায় নেহেরু আউটার রিং রোড এবং নতুন প্রস্তাবিত রেডিয়াল রিং রোডের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করবে, সেটির নামকরণ করা হবে প্রয়াত শিল্পপতি পদ্মশ্রী রতন টাটার নামে। এর আগে রাভিরিয়ালায় ইন্টারচেঞ্জের নাম পরিবর্তন করে ‘টাটা ইন্টারচেঞ্জ’ করেছে রাজ্য সরকার।

এছাড়াও, গুগল ম্যাপ এবং সংস্থাটির বিশ্বব্যাপী প্রভাব এবং অবদানকে মাথায় রেখে, একটি অংশের নাম ‘গুগল স্ট্রিট’ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে হায়দরাবাদে নির্মিত হচ্ছে গুগলের সুবিশাল ক্যাম্পাস। সূত্রের খবর, মাইক্রোসফ্ট এবং উইপ্রোকেও স্বীকৃতি জানানো হবে। এই দুই সংস্থার জন্য শহরটিতে মাইক্রোসফ্ট রোড এবং উইপ্রো জংশন নামে দুটি রাস্তার নামকরণ করা হতে পারে।

Maoists: নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যু ৭ মাওবাদীর, নিহত ২ জওয়ানও

এই দিনকাল: নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হল সাত মাওবাদীর (Maoists)। বুধবার ছত্তীসগঢ়ের বিজাপুর জেলায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মাওবাদীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যু হয়েছে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড এর দুই সদস্যের এবং জখম হয়েছেন আরও এক ডিআরজি জওয়ান।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত দুই ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড এর জওয়ানের নাম মনু ভাদাদি এবং দুকারু গোন্ডে। বুধবার বিজাপুর-দান্তেওয়াড়া জেলার সীমান্তবর্তী জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি যৌথ দল অভিযানে বের হয়। সেই দলে ছিলেন মনু এবং দুকারু। অভিযানের সময় মাওবাদীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয় বাহিনীর। বস্তার রেঞ্জ এর ইনস্পেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ সুন্দররাজ পাটিলিঙ্গম জানিয়েছেন, দান্তেওয়াড়া এবং বিজাপুরের ডিআরজি, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং কোবরা মাওবাদী বিরোধী এই অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সংঘর্ষস্থল থেকে সাত মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে তাদের নাম পরিচয় এখনও জানা সম্ভব হয়নি। পুলিশকর্তা জানান, ঘটনাস্থল থেকে একাধিক রাইফেল এবং অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পাটিলিঙ্গম বলেন, ‘এনকাউন্টারে শহীদ হয়েছেন ডিআরজি বিজাপুরের প্রধান কনস্টেবল মনু ভাদাদি এবং কনস্টেবল দুকারু গোন্ডে। আহত হয়েছেন ডিআরজি জওয়ান সোমদেব যাদব।’ আইজিপি আরও বলেন, আহত জওয়ানকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর পরবর্তী চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। তবে তিনি আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। বিজাপুরের পুলিশ সুপার জিতেন্দ্র যাদব বলেন, পশ্চিম বস্তার ডিভিশনে তল্লাশি জারি রয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে ছত্তীসগঢ়ে শুধু মৃত্যু হয়েছে ২৭০ জন মাওবাদীর। এর মধ্যে, বিজাপুর এবং দান্তেওয়াড়া-সহ সাতটি জেলা নিয়ে গঠিত বস্তার বিভাগে ২৪১ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। রায়পুর বিভাগের গড়িয়াবন্দ জেলায় ২৭ জন মাওবাদীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়া দুর্গ ডিভিশনের মোহলা-মানপুর-আম্বাগড় চৌকি জেলায় দুই মাওবাদী নিহত হয়েছেন। প্রসঙ্গত, দেশ মাওবাদী মুক্ত করতে ইতিমধ্যে দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিভিন্ন সভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, আগামী ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত মাওবাদী মুক্ত হবে।

Sanchar Saathi App: সাইবার সুরক্ষার স্বার্থে অ্যাপল, স্যামসাং, শাওমিকে মোবাইলে বিশেষ অ্যাপ প্রিলোড করার নির্দেশ টেলিকম মন্ত্রকের 

এই দিনকাল: সাইবার সুরক্ষার স্বার্থে মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে বিশেষ সরকার পরিচালিত অ্যাপ (Sanchar Saathi App) প্রিলোড (আগে থেকে ফোনে ইনস্টল থাকবে) করার নির্দেশ দিল ভারতের টেলিকম মন্ত্রক। এটি মোবাইল সফটওয়্যারের সঙ্গে এমন ভাবে থাকবে যাতে ব্যবহারকারীরা আর আনইনস্টল করতে না পারেন। গত ২৮ নভেম্বর এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

রিপোর্ট অনুসারে, শাওমি, ভিভো, ওপো, স্যামসাং এর মতো বড় বড় মোবাইল প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলিকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে মোদী সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে অ্যাপলের সঙ্গে সংঘাত তৈরি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, সংস্থাটি মোবাইল বিক্রির আগে কোনও সরকারি বা তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ তাদের ডিভাইসে প্রিলোডের অনুমতি দেয় না, অ্যাপলের নীতিমালার সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে।

সংস্থাগুলিকে ৯০ দিনের মধ্যে মোবাইলে সঞ্চার সাথী অ্যাপ প্রিলোড করার কথা বলা হয়েছে নির্দেশিকায়। এতে আরও বলা হয়েছে যে ব্যবহারকারীরা অ্যাপটি আনইনস্টল করতে পারবেন না। ইতিমধ্যে সাপ্লাই চেনে থাকা ফোনগুলিতে সফ্টওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে অ্যাপটি যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বের বৃহত্তম টেলিকম বাজারগুলির মধ্যে ভারত অন্যতম। দেশে ১.২ বিলিয়নেরও বেশি গ্রাহক রয়েছে। সূত্রের খবর, জানুয়ারিতে চালু হওয়া সঞ্চার সাথী অ্যাপ ইতিমধ্যেই ৭০০,০০০-এরও বেশি হারানো ফোন ট্র্যাক এবং পুনরুদ্ধারে সহায়তা করেছে। যার মধ্যে কেবল অক্টোবরে এই সংখ্যাটা ৫০,০০০। এই অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের আইএমইআই নম্বর যাচাই করতে, সন্দেহজনক কল রিপোর্ট করতে এবং চুরি হওয়া ডিভাইস ব্লক করতে সাহায্য করে। তবে এই নির্দেশিকা পাবার পর এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি স্যামসাং বা শাওমির কাছ থেকে।

Babri Demolition: বাবরি ধ্বংসের দিনকে শৌর্য দিবস ঘোষণা করে পিছু হঠল বিজেপি শাসিত রাজস্থান সরকার

এই দিনকাল: ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর। অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ (Babri Demolition) ধ্বংস করেছিল করসেবকরা। যে ঘটনা গোটা বিশ্বে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল। পর্যবেক্ষকদের মতে, ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রে ওই দিনটি ছিল একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। গত ৩০ নভেম্বর সেই দিনকেই ‘শৌর্য দিবস’ হিসেবে উদযাপন করার কথা ঘোষণা করেছিল বিজেপি শাসিত রাজস্থান সরকার। যদিও ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করে পরে নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নেয় মরু রাজ্যের প্রশাসন।

৩০ নভেম্বর রাজস্থান সরকারের তরফে সমস্ত সরকারি অফিস এবং বেসরকারি স্কুলগুলিকে একটি চিঠি দেওয়া হয়। যেখানে নির্দেশ দেওয়া হয় ‘বাবরি ধ্বংস দিবস’কে ‘শৌর্য দিবস’ হিসেবে উদযাপনের জন্য। এই বিশেষ দিনটিতে বক্তৃতা এবং প্রবন্ধ লেখা আয়োজনের কথা বলা হয়েছিল। প্রস্তাবিত বিষয়গুলির মধ্যে ছিল ‘ভারতীয় মন্দির সংস্কৃতি এবং রাম আন্দোলনের গৌরব’, ‘সাহস ও ত্যাগের ঐতিহ্য’, ‘জাতি গঠনে যুবসমাজের ভূমিকা’। এ ছাড়া ‘অযোধ্যায় রাম মন্দির’ এর মতো বিষয়ের উপর ছবি আঁকা এবং পোস্টার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

বিকানেরের ডিরেক্টর অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন সীতা রাম জাটের তরফে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলগুলিতে দেশাত্মবোধক গান, নাটক পরিবেশন এবং রাম মন্দির নির্মাণের বিস্তারিত প্রদর্শনী আয়োজন করার কথা বলা হয়েছিল। তাতে আরও বলা হয়, দেশের ঐক্য ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ রক্ষা করার জন্য পড়ুয়াদের শপথ গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি অযোধ্যার রাম মন্দিরকে সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ এবং জাতীয় গর্ব পুনরুদ্ধারের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করার জন্য শিক্ষার্থীদের অঙ্গীকার করার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া ভগবান রামকে স্মরণ করে স্তোত্র ও ভজনের পরিকল্পনাও ছিল।

রাজস্থানের শিক্ষামন্ত্রী মদন দিলওয়ার সংবাদ মাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আমরা এটাকে বাবরি ধ্বংস বলব না। এটি মূলত একটি রাম মন্দির ছিল যা ৫০০ বছর আগে বাবর ধ্বংস করেছিলেন। মন্দির পুনর্নির্মাণের জন্য একটি আন্দোলন হয়েছে; এর জন্য প্রায় ৩ লক্ষ মানুষ ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং অনেক করসেবককেও গুলি ছোঁড়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বহাল রেখেছে, যে এটি রামের জন্মস্থান এবং এখানে একটি রাম মন্দির তৈরি করা উচিত। ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯২ সালে করসেবকরা বিতর্কিত কাঠামো ভেঙে ফেলে। এটি ছিল সাহসিকতার কাজ এবং আমরা এটিকে শৌর্য দিবস হিসেবে উদযাপন করব।’ 

কিন্তু এত তর্জন গর্জন শেষে ভজন লাল সরকার শৌর্য দিবসের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়। নাটকীয়ভাবে সরকারের তরফে বলা হয়, শৌর্য দিবস সংক্রান্ত মিডিয়া রিপোর্টগুলি ভিত্তিহীন। শুধু তাই নয় সীতা রাম জাটের তরফে জারি করা গত ৩০ নভেম্বরের নির্দেশকে ‘ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করা হয়। শিক্ষামন্ত্রীর দফতরের তরফে সংবাদ মাধ্যমকে জানানো হয়, ‘শিশুদের পরীক্ষা থাকায় অনুষ্ঠানটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।’ যদিও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজস্থানে সামনেই পঞ্চায়েত এবং পুরসভার নির্বাচন রয়েছে। সেই কারণে এই শৌর্য দিবস পালন করে বিতর্ক বাড়াতে চাইবে না বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

Dalit: স্কুলের দলিত রাঁধুনির হাতে খেতে আপত্তি! বৈষম্যের অভিযোগে ৬ অভিভাবককে কারাদণ্ড তামিলনাড়ুর আদালতের

এই দিনকাল: স্কুলের দলিত (Dalit) রাঁধুনির হাতে খাবার খেতে আপত্তি! শুধু তাই নয় প্রশাসনের উপর চাপ তৈরি করে সেই মহিলা রাঁধুনিকে বদলি করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে তামিলনাড়ুর একটি সরকারি স্কুলের এই ঘটনায় বৈষম্যের অভিযোগে এসসি এসটি আইনের আওতায় ছয় জনকে দোষী সাব্যস্ত করল বিশেষ আদালত। দোষীদের দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ৪৪ বছর বয়সী ওই দলিত রাঁধুনির নাম পি পাপ্পাল। তিনি তিরুমালাই গৌন্ডম্পালয়ামের সরকারি উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে রাঁধুনি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। আইনজীবী জানান, দোষী সাব্যস্ত হওয়া ছয় অভিভাবক – পি পালানিসামি গাউন্ডার, এন শক্তিভেল, আর শানমুগাম, সি ভেলিংগিরি, এ দুরাইসামি এবং ভি সীতা লক্ষ্মী। তাঁরা জাতপাত সংক্রান্ত বৈষম্যের কারণে পড়ুয়াদের জন্য ওই দলিত রাঁধুনির রান্নার তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ঘটনা এমনদিকে মোড় নেয় যে পাপ্পালকে বদলি করে দেওয়া হয়। অভিভাবকদের এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে তামিলনাড়ু অস্পৃশ্যতা নির্মূল ফ্রন্ট। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়। 

২০১৮ সালের জুলাই মাসে পাপ্পালের তরফে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পেয়ে চেউর পুলিশ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে এসসি/এসটি আইনের আওতায় মামলা দায়ের করে। তদন্তে নেমে আট জনকে গ্রেফতার করা হয়। শুক্রবার, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সুরেশ অভিযুক্তদের মধ্যে ছয় জনকে দোষী সাব্যস্ত করেন। তাঁদের প্রত্যেককে ৫,০০০ টাকা করে জরিমানা-সহ দুই বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। এই ঘটনায় প্রমাণের অভাবে আরও ২৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়। মামলার বিচার চলাকালীন চার অভিযুক্তের মৃত্যু হয়। দোষী সাব্যস্ত হওয়া ব্যক্তিদের কোয়েম্বাটুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাপ্পালের আইনজীবী পিপি মোহন সাংবাদিকদের বলেন, ন্যায়বিচার এখনও অসম্পূর্ণ। তিনি বলেন, বিডিও এবং বেশ কয়েক জন পুলিশ কর্মী-সহ আধিকারিক, যাঁরা অভিভাবকদের চাপে রাঁধুনিকে বদলি করেছিলেন, ‘তাঁদেরকেও জবাবদিহি করতে হবে।’