Maoists: নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যু ৭ মাওবাদীর, নিহত ২ জওয়ানও

এই দিনকাল: নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে মৃত্যু হল সাত মাওবাদীর (Maoists)। বুধবার ছত্তীসগঢ়ের বিজাপুর জেলায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মাওবাদীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মৃত্যু হয়েছে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড এর দুই সদস্যের এবং জখম হয়েছেন আরও এক ডিআরজি জওয়ান।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত দুই ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড এর জওয়ানের নাম মনু ভাদাদি এবং দুকারু গোন্ডে। বুধবার বিজাপুর-দান্তেওয়াড়া জেলার সীমান্তবর্তী জঙ্গলে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি যৌথ দল অভিযানে বের হয়। সেই দলে ছিলেন মনু এবং দুকারু। অভিযানের সময় মাওবাদীদের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয় বাহিনীর। বস্তার রেঞ্জ এর ইনস্পেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ সুন্দররাজ পাটিলিঙ্গম জানিয়েছেন, দান্তেওয়াড়া এবং বিজাপুরের ডিআরজি, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং কোবরা মাওবাদী বিরোধী এই অভিযানে অংশ নিয়েছিল। সংঘর্ষস্থল থেকে সাত মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে তাদের নাম পরিচয় এখনও জানা সম্ভব হয়নি। পুলিশকর্তা জানান, ঘটনাস্থল থেকে একাধিক রাইফেল এবং অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। পাটিলিঙ্গম বলেন, ‘এনকাউন্টারে শহীদ হয়েছেন ডিআরজি বিজাপুরের প্রধান কনস্টেবল মনু ভাদাদি এবং কনস্টেবল দুকারু গোন্ডে। আহত হয়েছেন ডিআরজি জওয়ান সোমদেব যাদব।’ আইজিপি আরও বলেন, আহত জওয়ানকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর পরবর্তী চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। তবে তিনি আশঙ্কামুক্ত বলে জানা গেছে। বিজাপুরের পুলিশ সুপার জিতেন্দ্র যাদব বলেন, পশ্চিম বস্তার ডিভিশনে তল্লাশি জারি রয়েছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে ছত্তীসগঢ়ে শুধু মৃত্যু হয়েছে ২৭০ জন মাওবাদীর। এর মধ্যে, বিজাপুর এবং দান্তেওয়াড়া-সহ সাতটি জেলা নিয়ে গঠিত বস্তার বিভাগে ২৪১ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। রায়পুর বিভাগের গড়িয়াবন্দ জেলায় ২৭ জন মাওবাদীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়া দুর্গ ডিভিশনের মোহলা-মানপুর-আম্বাগড় চৌকি জেলায় দুই মাওবাদী নিহত হয়েছেন। প্রসঙ্গত, দেশ মাওবাদী মুক্ত করতে ইতিমধ্যে দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিভিন্ন সভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, আগামী ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত মাওবাদী মুক্ত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *