Tag Archives: Donald Trump

Donald Trump: মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সম্মান জানিয়ে হায়দরাবাদে রাস্তার নাম ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’

এই দিনকাল: ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) নামে নামকরণ করা হবে রাস্তার। তেলেঙ্গানার (Telangana) হায়দরাবাদে মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেল সংলগ্ন রাস্তার নাম বদে রাখা হবে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাভিনিউ’। বিষয়টি নিয়ে তেলেঙ্গানা সরকার সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছে বলে খবর।

রিপোর্ট অনুসারে, ৪৫তম এবং ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্টের নামে রাস্তার নামকরণের পরিকল্পনার কথা রাজ্য সরকারের তরফে কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রক এবং মার্কিন দূতাবাসকে চিঠি লিখে জানানো হবে। চলতি বছরের শুরুতে, দিল্লিতে ইউএস-ইন্ডিয়া স্ট্র‍্যাটেজিক পার্টনারশিপ ফোরামের (US-India Strategic Partnership Forum) বার্ষিক সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সময়, মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি (Chief Minister Revanth Reddy) বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় একাধিক সংস্থার নামে হায়দরাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলির নামকরণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। উদ্ভাবনী ক্ষেত্রে রাজ্যটিকে ভারতের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরতে তেলেঙ্গানা সরকারের এই উদ্যোগ। এছাড়াও, রাজ্য সরকার বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং সংস্থাকে সম্মান জানাতে এবং স্বীকৃতি দিতে আরও বেশ কিছু রাস্তার নামকরণের কথা বিবেচনা করছে। উদাহরণস্বরূপ, আসন্ন গ্রিনফিল্ড রেডিয়াল রোড, যা শহরের রাভিরিয়ালায় নেহেরু আউটার রিং রোড এবং নতুন প্রস্তাবিত রেডিয়াল রিং রোডের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করবে, সেটির নামকরণ করা হবে প্রয়াত শিল্পপতি পদ্মশ্রী রতন টাটার নামে। এর আগে রাভিরিয়ালায় ইন্টারচেঞ্জের নাম পরিবর্তন করে ‘টাটা ইন্টারচেঞ্জ’ করেছে রাজ্য সরকার।

এছাড়াও, গুগল ম্যাপ এবং সংস্থাটির বিশ্বব্যাপী প্রভাব এবং অবদানকে মাথায় রেখে, একটি অংশের নাম ‘গুগল স্ট্রিট’ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে হায়দরাবাদে নির্মিত হচ্ছে গুগলের সুবিশাল ক্যাম্পাস। সূত্রের খবর, মাইক্রোসফ্ট এবং উইপ্রোকেও স্বীকৃতি জানানো হবে। এই দুই সংস্থার জন্য শহরটিতে মাইক্রোসফ্ট রোড এবং উইপ্রো জংশন নামে দুটি রাস্তার নামকরণ করা হতে পারে।

Iran Israel Conflict: ‘বন্ধু’ রাশিয়ার সঙ্গে গোপন পরামর্শ করতে চলেছে ইরান, মার্কিন হামলার জবাব দেবে তেহরান?

এই দিনকাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA) ইজরায়েলের (Israel) পক্ষ নিয়ে ২২ জুন ভোরে ইরানের (Iran) তিনটি পরমাণুঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে। যার ফলে এই সংঘাত নতুন মোড় নিয়েছে। ক্রমশ উত্তেজনার পারদ চড়ছে মধ্যপ্রাচ্যে। এই আবহে রাশিয়া (Russia) সফর করতে চলেছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। আন্তর্জাতিক মহলে রাশিয়া ইরানের ‘বন্ধু’ দেশ হিসেবে পরিচিত। তাই এই সঙ্কটকালে আব্বাসের রাশিয়া সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তিনি রবিবার রাশিয়া যাচ্ছেন। সোমবার পুতিনের সঙ্গে মস্কোয় তাঁর বৈঠক রয়েছে। সংবাদ মাধ্যমকে আরাগচি বলেন, ‘রাশিয়া ইরানের বন্ধু। আমরা একটা কৌশলগত অংশীদারত্ব উপভোগ করছি। সব সময় আমরা পরস্পরের সঙ্গে পরামর্শ করি এবং সমন্বয় রেখে চলি।’

উল্লেখ্য, গত ১৩ জুন ইজরায়েল প্রথম ইরানের অভ্যন্তরে হামলা করে। সেই হামলার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সামরিক সংঘাত চলমান। তারই মাঝে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালায় রবিবার। এর আগে ট্রাম্প ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে হুমকি দিয়েছেন। তেহরানের তরফেও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে ওয়াশিংটন যদি এই সংঘাতে জড়ায় তাহলে ইরানের নাগালে থাকা মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে প্রত্যাঘাত করা হবে। ট্রাম্পের সেই হুমকি অনুযায়ী এদিন মার্কিন সেনাবাহিনী ইরানের ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান—তিনটি পারমাণবিক ঘাঁটিতে হামলা চালাল। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ট্রাম্প বাহিনীর এই হামলার পাল্টা দিতে পারে ইরান। ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সেই সংক্রান্ত বিষয় আলোচনা হতে পারে আব্বাসের।

পরমাণু কেন্দ্রে হামলা হলে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন ঘাঁটি, ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের

এই দিনকাল: ট্রাম্পের দাদাগিরি মানবে না ইরান (Iran)! ফের এক বার ওয়াশিংটনকে হুঁশিয়ারি দিল তেহরান। ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেয় তাহলে ইরান ছেড়ে কথা বলবে না বলে সাফ জানালেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী। প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সমস্ত মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামি প্রজাতন্ত্র।

বুধবার তেহরানে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সেই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আজিজ নাসিরজাদেহ। সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি যুদ্ধ চাপিয়ে দেয়, তাহলে তার মূল্য তারা চড়াভাবে দেবে। মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন ঘাঁটি আমাদের রেঞ্জের মধ্যেই রয়েছে, প্রয়োজনে একযোগে আঘাত হানতে আমাদের সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত।’

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মার্কিন সেনাবাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডের (সেন্টকম)- প্রধান জেনারেল মাইকেল কুরিল্লা জানান, তেহরানের সঙ্গে আলোচনা ভেস্তে গেলে ইরানকে পরমাণু কর্মসূচি থেকে বিরত রাখার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে রয়েছে ‘বিকল্প সামরিক ব্যবস্থা’। এই আবহে ইরানের তরফে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হল তারাও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরে তেহরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের কাজ চালাচ্ছে। দেশটি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত উচ্চমাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করেছে। যা ৯০ শতাংশ হলে সরাসরি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উপযোগী হয়। রাষ্ট্রসঙ্ঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক সংস্থা আইএইএ’র তথ্য অনুযায়ী, যে পরিমাণ ইউরেনিয়াম ইরান সমৃদ্ধকরণ করেছে তা দিয়ে অন্তত ৬টি পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে পারে।