এই দিনকাল: গত শনিবার ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয় মহিলা হোমগার্ড গুলজান পারভিন মোল্লা ওরফে রেশমি মোল্লার ঝুলন্ত দেহ। তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। ক্যানিং থানারই একজন সাব ইন্সপেক্টরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে পরিবার। এই ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে ক্যানিং থানায় ডেপুটেশন দিল মানবাধিকার সংগঠন সিপিডিআরএস (CPDRS)।
মঙ্গলবার সিপিডিআরএস রাজ্য কমিটির সদস্য সেরিফ হোসেন পুরকাইতের নেতৃত্বে সংগঠনের একটি দল ক্যানিং থানার আইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এদিন সেরিফ হোসেন এই দিনকালকে বলেন, ‘পুলিশ ব্যারাকে পুলিশ কর্মীর দ্বারা যদি আরেক জন পুলিশ কর্মীকে নির্যাতন ও খুনের অভিযোগ আসে, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? অবিলম্বে দোষীকে গ্রেফতার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’
উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা নাগাদ ক্যানিং থানার পুলিশ কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার হয় পারভিনের দেহ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন ওই পুলিশ কর্মী। শুক্রবার তাঁকে ফোন করেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু ফোনে না পেয়ে কোয়ার্টারে গিয়েছিলেন পারভিনের বোন রুকসানা। তিনিই দিদির ঝুলন্ত দেহ দেখতে পেয়ে বাড়ির লোককে জানান। পরে পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। মৃত হোমগার্ডের পরিবারের দাবি, রেশমি আত্মহত্যা করেননি। তাঁকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ক্যানিং থানারই সাব-ইনস্পেক্টরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে পরিবার। অভিযুক্ত সাব-ইনস্পেক্টরের সঙ্গে পারভিনের প্রেমঘটিত সম্পর্ক ছিল বলে দাবি মৃতের পরিবারের।