Pollution: বায়ু দূষণে বিষাক্ত দিল্লি! পড়ুয়াদের স্কুলমুখী হতে নিষেধ, সমস্ত অফিসের অর্ধেক কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ

এই দিনকাল: বিষাক্ত (Pollution) বায়ুতে ঢেকেছে রাজধানী শহর দিল্লি। আর সে কারণে দিল্লির সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি স্কুলের নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়াদের শিক্ষাঙ্গনে আসতে নিষেধ করা হল। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে। পাশাপাশি সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিসের ৫০ শতাংশ কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দিল্লির শিক্ষা অধিদফতরের তরফে ১৫ ডিসেম্বর জারি করা সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্কুলগুলি এখন কেবল পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য অনলাইনে ক্লাস নিতে পারবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘দিল্লিতে বায়ুর গুণগত সূচক (AQI) উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সে কারণে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, নার্সারি থেকে পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়াদের শ্রেণীকক্ষে এসে ক্লাসের বন্দোবস্ত বন্ধ থাকবে। শহরের সমস্ত সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং বেসরকারি স্কুলের জন্য পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই নির্দেশ বহাল থাকবে। সমস্ত স্কুল প্রধানদের এই শ্রেণীর পড়ুয়াদের জন্য অনলাইনে ক্লাস নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

উল্লেখ্য, শনিবার সন্ধ্যায় দিল্লি সরকার স্কুলগুলিকে হাইব্রিড ক্লাসের বন্দোবস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল। অর্থাৎ অফলাইনে অথবা অনলাইনে পড়ুয়ারা যাতে ক্লাসে অংশ নিতে পারে সেই ব্যবস্থা করার। দূষণ রুখতে দিল্লি সরকার গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান (GRAP) পর্যায় ৪ বাস্তবায়নের ঘোষণা করার পর এই নির্দেশ দেওয়া হয়। তার কয়েক ঘন্টা আগে গ্রেডেড রেসপন্স অ্যাকশন প্ল্যান ৩ (GRAP 3) বাস্তবায়নের ঘোষণা করেছিল রেখা গুপ্তের সরকার। দূষণ রোধে এই বিধিমালার আওতায় সমস্ত বেসরকারি এবং সরকারি স্কুলকে একাদশ শ্রেণী পর্যন্ত (দশম শ্রেণী ছাড়া) হাইব্রিড মোডে ক্লাস পরিচালনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

তবে, বায়ুর গুণগত সূচক (AQI) আরও খারাপ হতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি বিবেচনা করে, দিল্লি সরকার পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য সমস্ত অফলাইন ক্লাস স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ‘দিল্লির সমস্ত সরকারি, সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং বেসরকারি স্কুলগুলির প্রধানকে এই নির্দেশ অনুসরণ করার এবং অবিলম্বে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের কাছে এই তথ্য পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’ আরও বলা হয়েছে, ‘সমস্ত জোন ও জেলাকে (DDE) উপরোক্ত নির্দেশগুলি সুষ্ঠুভাবে পালন সুনিশ্চিত করার জন্যও অনুরোধ করা হচ্ছে।’ স্কুলের পাশাপাশি সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি অফিসগুলিকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, কেবলমাত্র ৫০ শতাংশ কর্মীকে অফিসে ডাকতে হবে এবং বাকি ৫০ শতাংশ কর্মীকে বাড়ি থেকে কাজের সুযোগ (WFH) করে দিতে হবে।

Leave a Comment