এই দিনকাল: সিজেপি-র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। প্রয়োজন না থাকলে সমস্ত ব্যারিকেড সরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছে শীর্ষ আদালত। পাশাপাশি, সুপ্রিম কোর্টের আশপাশে বড় জমায়েত নিয়ন্ত্রণে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (বিএনএসএস) ১৬৩ ধারা প্রয়োগের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিজেপি-র প্রতিবাদের জেরে দিল্লির একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা নিয়ে দায়ের হওয়া আবেদনের শুনানিতে বিশেষ বেঞ্চ বসে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ জানায়, সুপ্রিম কোর্টের আশপাশে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছে। আদালতে প্রবেশ ও বেরোনোর পথে যাতে কোনও বাধা বা আশঙ্কা তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতে এই বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেয় বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের অবাধ চলাচল স্বাভাবিক করতে হবে। তবে জনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজন হলে নিয়ম মেনে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র বিক্ষোভের ডাকের প্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
এর আগে শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ কেন্দ্রকে নির্দেশ দিয়েছিল, ১০ অক্টোবর বিক্ষোভের কারণে দিল্লিতে আসা মেট্রো ও ট্রেন চলাচল যেন পুরোপুরি বন্ধ না হয়। আদালত স্পষ্ট করেছিল, সব পরিষেবা একসঙ্গে থামিয়ে দেওয়া যায় না। কিন্তু এরপরেও মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকায় আবেদনকারী আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী আদালতের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ তোলেন। শুনানিতে বিক্ষোভের অধিকার নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। বেঞ্চ জানায়, মানুষের প্রতিবাদ করার অধিকার রয়েছে। তবে সেই প্রতিবাদ পুলিশ আইনের বিধির মধ্যে থেকেই করতে হবে। আদালতের বক্তব্য, প্রতিবাদের অধিকার থাকলেও তা পুলিশ আইনের ঊর্ধ্বে হতে পারে না।