এই দিনকাল: তিনি নিজেই সমাজমাধ্যমে দারুণ স্বাচ্ছন্দ্য। ঝালমুড়ি কেনা থেকে শুরু করে গঙ্গাবক্ষে নৌকাবিহার— স্মরণীয় মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে সমাজ মাধ্যমে প্রকাশ করেন। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারে তাঁর পারদর্শিতা কারও অজানা নয়। ‘টেক স্যাভি’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) রবিবার বঙ্গে প্রচারে এসেছেন। এদিন উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর নির্বাচনী জনসভা থেকে যাঁরা সমাজ মাধ্যমে কনটেন্ট (Content Creators) তৈরি করেন তাঁদের জন্য বড় প্রতিশ্রুতি দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। চলমান বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হলে কনটেন্ট ক্রিয়েশনকে বাংলার শক্তিতে পরিণত রা হবে বলে দাবি করেন মোদী।
ঠিক কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)?
বনগাঁর জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, বাংলার তরুণদের মধ্যে বিপুল সৃজনশীল সম্ভাবনা রয়েছে। কন্টেন্ট তৈরি ও ‘অরেঞ্জ ইকোনমি’কে বৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে পরিণত করতে সহায়তার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। তৃণমূল কংগ্রেসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘খেলো ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় ক্রীড়া পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করা হবে এবং তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করা হবে। তাঁর কথায়, ‘বাংলার ছেলেমেয়েদের রিল, ভিডিও সমাজমাধ্যমে প্রশংসিত হচ্ছে। কয়েকটি আমিও দেখেছি। ঝালমুড়ি নিয়ে যাদের এত ঝাল লাগে, তাঁদের যুবসমাজের ক্রিয়েটিভিটি পছন্দ নয়। কনটেন্ট ক্রিয়েশনকে বাংলার শক্তি করবে বিজেপি।’
উল্লেখ্য, গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৬ জেলার ১৫২ আসনে বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও কোঠাও বিক্ষিপ্ত ঝামেলার ঘটনা ঘটলেও মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন মিটেছে। আগামী ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট গ্রহণ হবে। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, কলকাতা-সহ একাধিক জেলা মিলিয়ে রাজ্যের ১৪২ বিধানসভা কেন্দ্রে ঐ দিন ভোট গ্রহণ হবে। আগামী সোমবার এই কেন্দ্রগুলিতে নির্বাচনী প্রচারের সময় শেষ হচ্ছে। তার আগে শেষ রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁতে প্রচারে এসে তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন মোদী। এদিন অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও সরব হন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যাঁরা অবৈধ ভাবে প্রবেশ করেছেন, তাঁরা ২৯ এপ্রিলের আগে বাংলা, ভারত ছেড়ে দিন। নয়তো, ৪ মের পরে সব অনুপ্রবেশকারীকে খুঁজে বার করা হবে। তৃণমূল কাউকে বাঁচাতে পারবে না।’